Sunday, April 12, 2026
Home Blog

মণিপাল হসপিটালস চালু করল মাল্টিডিসিপ্লিনারি লিভার ও জিআই ইনস্টিটিউট, পূর্ব ভারতে পাচনতন্ত্রের চিকিৎসায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন

News Hungama:

কলকাতা, ১০ এপ্রিল ২০২৬: পূর্ব ভারতে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে, মণিপাল হাসপাতাল গ্রুপের অন্তর্গত মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস তাদের ইনস্টিটিউট অফ লিভার অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ ডিসঅর্ডার্স অ্যান্ড লিভার কেয়ার সেন্টার চালু করেছে। উন্নত গ্যাস্ট্রো ও লিভার কেয়ারের জন্য একটি সমন্বিত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এই ইনস্টিটিউট অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা, বিশেষজ্ঞ-নেতৃত্বাধীন মাল্টিডিসিপ্লিনারি কেয়ার এবং লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট পরিষেবা-সহ জটিল চিকিৎসা একত্রে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মধ্যে প্রদান করবে। রোগীকেন্দ্রিক নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবার উপর জোর দিয়ে, এই কেন্দ্রটি লিভার ও পাচনতন্ত্রের রোগের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের শীর্ষ নেতৃত্ব ও বিশিষ্ট চিকিৎসকরা, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ডা. সুমন্ত দে, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও এইচওডি – রোবোটিক, অ্যাডভান্সড ল্যাপারোস্কোপিক, ব্যারিয়াট্রিক অ্যান্ড গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সার্জারি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস; ডা. জয়ন্ত রেড্ডি, লিড কনসালট সার্জন ও হেড – ডিপার্টমেন্ট অফ এইচ পি বি সার্জারি, মাল্টি-অর্গান অ্যাবডোমিনাল ট্রান্সপ্ল্যান্ট অ্যান্ড হেপাটোলজি, মণিপাল হসপিটালস, বেঙ্গালুরু; ডা. সঞ্জয় বসু, সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর; ডা. শুভায়ু বন্দ্যোপাধ্যায়, কনসালট্যান্ট – জেনারেল অ্যান্ড ল্যাপারোস্কোপিক জিআই অ্যান্ড অনকোলজি সার্জারি, মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর ও ঢাকুরিয়া; ডা. প্রদীপ্ত কুমার শেঠী, ডিরেক্টর অফ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস ও মুকুন্দপুর ক্লাস্টার; ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল ডিরেক্টর, মণিপাল হসপিটালস ইস্ট; ডা. শঙ্কর চন্দ্রাপ্পা, রিজিওনাল হেড ক্লিনিশিয়ান এনগেজমেন্ট অ্যান্ড মেডিক্যাল সার্ভিসেস, মণিপাল হসপিটালস ইস্ট; ডা. সুগতা চক্রবর্তী, রিজিওনাল হেড – মেডিক্যাল সার্ভিসেস, মণিপাল হসপিটালস ইস্ট; এবং মি. কোমল দাশোরা, ক্লাস্টার ডিরেক্টর – মণিপাল হসপিটালস (মুকুন্দপুর ক্লাস্টার)। তাঁরা সম্মিলিতভাবে জটিল লিভার ও পাচনতন্ত্রের রোগ মোকাবিলায় বিশেষায়িত ও সমন্বিত চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এই ইনস্টিটিউটটি একটি পূর্ণাঙ্গ, রোগীকেন্দ্রিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে প্রাথমিক রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধমূলক স্ক্রিনিং থেকে শুরু করে উন্নত চিকিৎসা, লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট পরিষেবা এবং জটিল সার্জিকাল হস্তক্ষেপ—সবই এক ছাদের নিচে উপলব্ধ। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও ক্লিনিক্যাল দক্ষতার সমন্বয়ে এখানে ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, হেপাটাইটিস, সিরোসিস, লিভার ক্যানসার, প্যানক্রিয়াটিক ডিসঅর্ডার, ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল ডিজিজ এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা হবে। উন্নত এন্ডোস্কোপি স্যুট, মিনিমালি ইনভেসিভ ও রোবোটিক সার্জারি সুবিধা এবং নিবেদিত লিভার কেয়ার ইউনিটের পাশাপাশি এখানে রয়েছে একটি শক্তিশালী লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট প্রোগ্রাম, যা শেষ পর্যায়ের লিভার রোগ, আকস্মিক লিভার ফেইলিউর এবং নির্দিষ্ট লিভার ক্যানসারের রোগীদের জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা প্রদান করবে। পাশাপাশি, জীবনযাপন ব্যবস্থাপনা, পুষ্টি পরামর্শ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগী পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সমগ্রিক পুনরুদ্ধারের উপরও জোর দেওয়া হবে। গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, হেপাটোলজিস্ট, ট্রান্সপ্ল্যান্ট বিশেষজ্ঞ, জিআই সার্জন, অনকোলজিস্ট, রেডিওলজিস্ট ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত দল রোগীভিত্তিক চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করবে।

ডা. জয়ন্ত রেড্ডি বলেন, “পূর্ব ভারতে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট এখনও যথেষ্ট পরিমাণে ব্যবহার করা হচ্ছে না, মূলত সচেতনতার অভাব ও সময়মতো রেফারেলের ঘাটতির কারণে। উদাহরণস্বরূপ, কলকাতার মতো একটি শহরে গত বছর মোট প্রায় ২৫টি লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট হয়েছে, যেখানে প্রকৃত প্রয়োজন তার অন্তত দ্বিগুণ। এই ব্যবধান দেখায় যে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টকে একটি কার্যকর, জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা বিকল্প হিসেবে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি। সাধারণ ধারণার বিপরীতে, লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য মূল প্রয়োজন একটি উপযুক্ত ব্লাড গ্রুপ, যা অনেকের ধারণার চেয়ে এটিকে অনেক বেশি সহজলভ্য করে তোলে। এই ইনস্টিটিউট চালুর মাধ্যমে আমরা সচেতনতা বাড়াতে, পরিষেবায় সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে এবং আরও বেশি রোগীকে সময়মতো উন্নত ট্রান্সপ্ল্যান্ট কেয়ার পেতে সাহায্য করতে চাই।”

ডা. প্রদীপ্ত কুমার শেঠী বলেন, “পূর্ব ভারতে ৫০%-এর বেশি ক্রনিক লিভার ডিজিজের জন্য অ্যালকোহল দায়ী, অন্যদিকে প্রায় ২০% ভারতীয় ফ্যাটি লিভার রোগে আক্রান্ত, যা বছরে ২ লক্ষেরও বেশি মৃত্যুর কারণ। এর ফলে একটি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া স্বাস্থ্যসঙ্কট তৈরি হয়েছে। বড় সমস্যা হল রোগ নির্ণয়ে দেরি এবং উন্নত, সমন্বিত চিকিৎসার সীমিত সুযোগ। এই ইনস্টিটিউট চালুর মাধ্যমে আমরা উন্নত ডায়াগনস্টিক, থেরাপিউটিক এন্ডোস্কোপি, মিনিমালি ইনভেসিভ ইন্টারভেনশন এবং শক্তিশালী লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট প্রোগ্রামসহ লিভার ও পাচনতন্ত্রের সম্পূর্ণ চিকিৎসা একত্রে নিয়ে এসেছি।”

ডা. সঞ্জয় বসু বলেন, “অনেক গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ও লিভারের রোগ উন্নত পর্যায়ে না পৌঁছানো পর্যন্ত ধরা পড়ে না। আমাদের কেন্দ্রে এন্ডোস্কোপিক আল্ট্রাসাউন্ড (ইইউএস), ইআরসিপি, এন্ডোস্কোপি, কোলোনোস্কোপি, লিভার স্ক্যান ও বায়োপসি-সহ বিস্তৃত ডায়াগনস্টিক পরিষেবা রয়েছে, যা দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা ও উন্নত ফলাফল নিশ্চিত করে।”

ডা. শুভায়ু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই কেন্দ্রে উন্নত সার্জিকাল সমাধানের পূর্ণ পরিসর রয়েছে, যেখানে ল্যাপারোস্কোপিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ প্রক্রিয়া যেমন কোলেসিস্টেক্টমি, অ্যাপেনডেক্টমি, হার্নিয়া রিপেয়ার ও ব্যারিয়াট্রিক সার্জারির পাশাপাশি জটিল রিসেকশন, রেক্টাল ক্যানসার ও পেলভিক প্রক্রিয়ার জন্য অত্যাধুনিক রোবোটিক জিআই সার্জারি করা হবে। এই নির্ভুল প্রযুক্তি রোগীদের জন্য নিরাপদ সার্জারি, দ্রুত আরোগ্য এবং উন্নত ফলাফল নিশ্চিত করে।”

ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত বলেন, “পূর্ব ভারতে লিভার রোগ একটি বড় স্বাস্থ্যসঙ্কট হিসেবে উঠে আসছে, যেখানে গবেষণা বলছে প্রতি ৫ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে প্রায় ১ জন ফ্যাটি লিভার রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। পাশাপাশি অ্যালকোহল-সম্পর্কিত ও মেটাবলিক লিভার রোগের হারও বাড়ছে। তবুও, উন্নত চিকিৎসা যেমন লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের সুযোগ এখনও সীমিত, যার ফলে অনেক রোগীকেই চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে হয়। এই ইনস্টিটিউট চালুর মাধ্যমে আমরা অঞ্চলের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ লিভার কেয়ার ও ট্রান্সপ্ল্যান্ট পরিষেবা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

এই উদ্যোগের মাধ্যমে, মণিপাল হসপিটালস সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক পর্যায়ে হস্তক্ষেপ এবং বিশ্বমানের চিকিৎসা প্রদান করে লিভার ও পাচনতন্ত্রের রোগের চিকিৎসায় বিদ্যমান ব্যবধান দূর করতে চায়, যার ফলে সমগ্র অঞ্চলে রোগীদের জীবনমান ও চিকিৎসার ফলাফল উন্নত হবে।

ইন্ডিয়া অটিজম সেন্টার ‘অটিজম ইন প্র্যাকটিস’-এর মাধ্যমে আজীবন অটিজম কেয়ার নিয়ে সংলাপের নেতৃত্ব দিল

News Hungama:

কলকাতা, ১২ এপ্রিল ২০২৬: ইন্ডিয়া অটিজম সেন্টার (আইএসি), যা অটিজম এবং সংশ্লিষ্ট বিকাশজনিত অবস্থার ব্যক্তিদের সহায়তার জন্য নিবেদিত একটি প্রধান নন প্রফিট সংগঠন, “অটিজম ইন প্র্যাকটিস”-এর মাধ্যমে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা মাস উদযাপন করেছে, যা সোসাইটি অফ পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বেঙ্গলের সহযোগিতায় আয়োজিত অভিভাবক-কেন্দ্রিক জ্ঞানমূলক সেশনগুলির একটি সুচিন্তিত ধারাবাহিক।

ভারতে নিউরোডাইভার্স ব্যক্তিদের জন্য আজীবন আবাসিক কেয়ার ইকোসিস্টেম “সমাবেশ” গড়ে তোলার লক্ষ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগটি আইএসি-র একটি অন্তর্ভুক্তমূলক সচেতন এবং সহায়ক কমিউনিটি ইকোসিস্টেম তৈরির প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে।

এই সেশনগুলিতে প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ সুধীপ সাহা, ডাঃ অরিজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ডাঃ যশোধরা চৌধুরী, ডাঃ মৌসুমি মুখার্জী, ডাঃ আবির মুখার্জী, ডাঃ নন্দিতা চট্টোপাধ্যায়, ডাঃ কৌশাম্বী বসু, ডাঃ প্রদীপ পারিয়া, ডাঃ এমডি শহিদুল আরেফিন এবং ডাঃ সিদ্ধার্থ নন্দী।

অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ইন্ডিয়া অটিজম সেন্টারের ডিরেক্টর এবং সিইও শ্রী জয়শঙ্কর নটরাজনের কী-নোট অ্যাড্রেস-এর মাধ্যমে, যা অর্থপূর্ণ সংলাপ এবং সচেতনতার জন্য পরিবেশ তৈরি করে। এরপর অকুপেশনাল থেরাপি নিয়ে একটি ফোকাসড সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিচালনা করেন ডাঃ মনীশ সমনানি, ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর, সোচ এবং প্রেসিডেন্ট, এআইওটিএ হরিয়ানা চ্যাপ্টার, যেখানে তিনি অটিজম স্পেকট্রামে থাকা ব্যক্তিদের কার্যকর স্বাধীনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহারযোগ্য কৌশল শেয়ার করেন।

অনুষ্ঠানে একাধিক এক্সপার্ট-লেড সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যার মধ্যে “মেডিসিনস অ্যান্ড বিয়ন্ড” সেশনটি মডারেট করেন ডাঃ রুদ্রজিৎ সিনহা, যেখানে মাল্টি-স্পেশালিটি ক্লিনিশিয়ান, থেরাপিস্ট এবং ডোমেইন এক্সপার্টরা একত্রিত হন।

এই আলোচনায় অটিজম কেয়ারের ইন্টিগ্রেটেড অ্যাপ্রোচ নিয়ে আলোচনা করা হয়, যেখানে মেডিক্যাল, বিহেভিয়োরাল এবং থেরাপিউটিক ইন্টারভেনশনের মধ্যে ভারসাম্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়, এবং ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী মাল্টিডিসিপ্লিনারি কেয়ার মডেলের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা হয়।

এছাড়াও, অটিজম কেয়ারের বাইরে গিয়ে ইভলভিং ইন্টারভেনশন মেথড এবং পেডিয়াট্রিক নিউরোলজির গ্রোয়িং ল্যান্ডস্কেপ নিয়েও আলোচনা করা হয়, যেখানে আর্লি ডায়াগনোসিস, স্পেশালাইজড কেয়ার এবং ট্রিটমেন্ট অ্যাপ্রোচের ধারাবাহিক উন্নতির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের পরবর্তী অংশে আরও সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যার মধ্যে স্পেকট্রামে থাকা শিশুদের নিউট্রিশন নিয়ে একটি সেশন পরিচালনা করেন প্রফেসর ডাঃ কল্পনা দত্ত, যেখানে ডায়েটারি কনসিডারেশন, ফিডিং চ্যালেঞ্জ এবং শিশুদের ওভারঅল ডেভেলপমেন্টে নিউট্রিশনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এরপর প্যারেন্ট অ্যাডভোকেটদের সঙ্গে একটি ফায়ারসাইড চ্যাট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মিস নীলাঞ্জনা রামবোথু এবং মিস সুমিত্রা পাল বক্সি তাঁদের লিভড এক্সপেরিয়েন্স এবং প্যারেন্টিং জার্নির মাইলস্টোন শেয়ার করেন।

এরপর মিস রঞ্জনা চক্রবর্তী প্রি-টিন এবং টিনদের জন্য বিহেভিয়োরাল মডিফিকেশন স্ট্র্যাটেজি নিয়ে একটি সেশন পরিচালনা করেন, যেখানে ইমোশনাল রেগুলেশন, সোশ্যাল স্কিল এবং প্র্যাক্টিক্যাল ইন্টারভেনশন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয় ডাঃ যশোধরা চৌধুরী এবং সাখি সিংহির ক্লোজিং রিমার্কস-এর মাধ্যমে।

অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে, শ্রী জয়শঙ্কর নটরাজন, ডিরেক্টর এবং সিইও, ইন্ডিয়া অটিজম সেন্টার বলেন,

“‘অটিজম ইন প্র্যাকটিস’ আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে, যার মাধ্যমে আমরা পরিবারগুলিকে সঠিক নলেজ, টুলস এবং ইনসাইট দিয়ে ইনফর্মড ডিসিশন নিতে সক্ষম করতে চাই। আইএসি-তে আমরা বিশ্বাস করি যে অ্যাওয়ারনেস-এর সঙ্গে প্র্যাক্টিক্যাল গাইডেন্স-ও জরুরি, এবং এই উদ্যোগটি সেই শূন্যস্থান পূরণের একটি পদক্ষেপ, যা প্যারেন্টরা জটিল কেয়ার জার্নিতে অনুভব করেন। একইভাবে, আমাদের ফোকাস অটিস্টিক ব্যক্তিদের লং-টার্ম নিডস-এর উপর, যা আর্লি ইন্টারভেনশন-এর বাইরে, বিশেষ করে রেসিডেনশিয়াল কেয়ারকে কেন্দ্র করে। আমাদের আপকামিং রেসিডেনশিয়াল ইকোসিস্টেম ‘সমাবেশ’-এর মাধ্যমে আমরা একটি সেফ, স্ট্রাকচারড এবং ইনক্লুসিভ এনভায়রনমেন্ট তৈরি করতে চাই, যা ডিগনিটি, ইন্ডিপেনডেন্স এবং লাইফলং কেয়ার নিশ্চিত করবে, যাতে স্পেকট্রামে থাকা ব্যক্তিরা প্রাপ্তবয়স্ক জীবনেও এগিয়ে যেতে পারে।”

ডাঃ মনীশ সমনানি, ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর, সোচ এবং প্রেসিডেন্ট, এআইওটিএ হরিয়ানা চ্যাপ্টার বলেন,

“ইন্ডিয়া অটিজম সেন্টারের অংশ হতে পেরে এটি সত্যিই একটি মিনিংফুল এক্সপেরিয়েন্স ছিল। প্যারেন্ট, প্রফেশনাল এবং স্পেকট্রামে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে এনগেজমেন্ট একটি ভ্যালুয়েবল স্পেস তৈরি করেছে শেয়ারড লার্নিং এবং ডায়ালগের জন্য।যেখানে আমি হোম সেটিং-এ ডে-টু-ডে বিহেভিয়োরাল ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পেয়েছি, সেখানে সেশনে শেয়ার করা লিভড এক্সপেরিয়েন্স থেকে আমিও গুরুত্বপূর্ণ ইনসাইট পেয়েছি। এই ধরনের কোলাবোরেটিভ ইনিশিয়েটিভ আমাদের কালেক্টিভ আন্ডারস্ট্যান্ডিং শক্তিশালী করতে এবং আরও রেসপন্সিভ, পারসন-সেন্ট্রিক অ্যাপ্রোচ এগিয়ে নিতে অপরিহার্য।”

ডাঃ রুদ্রজিৎ সিনহা, কনসালটেন্ট অ্যাডভান্সড ল্যাপারোস্কপি এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি – অ্যাপোলো ক্লিনিক, ডিরেক্টর – গুড গাট ক্লিনিক এবং সিসিসি সার্জারি, এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট, স্পেশাল অলিম্পিক্স ভারত বলেন,

“একজন ক্লিনিশিয়ান এবং ১৭ বছর বয়সী স্পেকট্রামে থাকা সন্তানের প্যারেন্ট হিসেবে, আমি বিশ্বাস করি অটিজম অ্যাওয়ারনেস শুধুমাত্র একটি মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, বরং প্রতিদিনের আন্ডারস্ট্যান্ডিং এবং ইনক্লুশনের অংশ হওয়া উচিত।‘অটিজম ইন প্র্যাকটিস’-এর মতো ইনিশিয়েটিভ বিভিন্ন মেডিক্যাল এক্সপার্টিজ এবং লিভড এক্সপেরিয়েন্সকে একত্রিত করে, যা কারেন্ট থেরাপি এবং ফিউচার ডিরেকশন নিয়ে মিনিংফুল ডায়ালগ সম্ভব করে। আর্লি ইন্টারভেনশন, অ্যাপ্রোপ্রিয়েট সাপোর্ট এবং গ্রেটার সোশ্যাল অ্যাকসেপ্টেন্স-এর মাধ্যমে, স্পেকট্রামে থাকা ব্যক্তিরা একটি ফুলফিলিং জীবন যাপন করতে পারে এবং সমাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে।”

এই ইনিশিয়েটিভ আইএসি-র অব্যাহত প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে, যা এক্সপার্ট-লেড এনগেজমেন্টের মাধ্যমে অ্যাওয়ারনেস তৈরি করা এবং পরিবারগুলিকে সাপোর্ট করার জন্য করা হচ্ছে, যাতে ইনফর্মড, কম্প্যাশনেট এবং লং-টার্ম অ্যাপ্রোচ গড়ে তোলা যায়।

মেডিকেশন, এভিডেন্স-বেসড থেরাপি এবং অ্যাডোলেসেন্স থেকে অ্যাডাল্টহুডে ট্রানজিশন প্ল্যানিং নিয়ে প্র্যাক্টিক্যাল ইনসাইট প্রদান করে, এটি পরিবারগুলিকে লাইফলং কেয়ার জার্নি আত্মবিশ্বাস এবং স্পষ্টতার সঙ্গে পরিচালনা করতে সহায়তা করে।

পহেলা বৈশাখ এবং অক্ষয় তৃতীয়ার প্রাক্কালে তানিস্ক উন্মোচন করল ন্যাচারাল জেমস্টোন জুয়েলারি কালেকশন

News Hungama:

 

কলকাতা, ১১ এপ্রিল ২০২৬: পয়লা বৈশাখ ও অক্ষয় তৃতীয়ার প্রাক্কালে, টাটা গোষ্ঠীর বিশ্বস্ত জুয়েলারি ব্র্যান্ড তনিশ্ক্ এবার নজর দিচ্ছে ন্যাচারাল জেমস্টোন জুয়েলারির দিকে—যা বর্তমানে দেশের ক্রেতাদের মধ্যে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এখানে ১০০% প্রাকৃতিক রত্নের স্বতন্ত্রতা ও নান্দনিক ডিজাইনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই পরিসরকে আরও সমৃদ্ধ করতে, তনিশ্ক্ নিয়ে এসেছে তাদের নতুন কালেকশন ‘Hues’, যা এই ক্যাটেগরিতে ব্র্যান্ডের নতুন দিশা তুলে ধরে। আধুনিক বাঙালি নারীরা এখন এমন গয়না খুঁজছেন, যেখানে থাকবে স্বাতন্ত্র্য, ব্যক্তিত্বের ছাপ, আর একসাথে তারুণ্যের আকর্ষণ ও পরিশীলিত রুচির মেলবন্ধন। এই পরিবর্তিত চাহিদাকে মাথায় রেখেই তনিশ্ক্ ন্যাচারাল জেমস্টোন জুয়েলারিকে এক বিশেষ মাত্রায় পৌঁছে দিতে চাইছে—যাতে তা দৈনন্দিন ব্যবহার থেকে শুরু করে বিশেষ অনুষ্ঠান, দুই ক্ষেত্রেই সমানভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

কলকাতায় আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে উন্মোচিত হল এই কালেকশন, যেখানে ডিজাইন, কারিগরি দক্ষতা এবং সমসাময়িকতার মেলবন্ধন ঘটেছে। এর মাধ্যমে তনিশ্ক্ আরও একবার বাংলার সঙ্গে তাদের গভীর সংযোগ এবং ক্রেতাদের চাহিদা সম্পর্কে সম্যক ধারণার কথা তুলে ধরেছে। রেড কার্পেটে নজর কাড়েন মিমি চক্রবর্তী, যিনি এই কালেকশনের ভাবনা ও মেজাজকে নিজের উপস্থিতিতে জীবন্ত করে তোলেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শ্রী অলোক রঞ্জন, সার্কেল বিজনেস হেড, E1, তনিশ্ক্। এই কালেকশনের কেন্দ্রে রয়েছে ‘সৃজনী’ র গল্প—এক আধুনিক বাঙালি নারী, যিনি নিজের পরিচয়ের পাশাপাশি চারপাশের জগতকেও নিজের মতো করে নির্মাণ করেন। তিনি স্পষ্টভাষী, আত্মবিশ্বাসী এবং নিজস্বতায় অকৃত্রিম; সহজেই ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মধ্যে তৈরি করেন এক স্বতন্ত্র সেতুবন্ধন। তিনি যে গয়নাই পরুন না কেন, তার মধ্য দিয়েই ফুটে ওঠে তাঁর নিজস্বতা—যেখানে প্রথা আর ব্যক্তিগত অভিব্যক্তি মিলেমিশে তৈরি হয় এক চলমান, ব্যক্তিগত স্টেটমেন্ট।

 

‘Hues’ অনুপ্রেরণা নেয় ভারতীয় গ্রীষ্মের রঙের বৈচিত্র্য আর স্বাভাবিক প্রবাহ থেকে—যা নতুনভাবে রূপ পায় ভাস্কর্যধর্মী গঠনে এবং সাহসী, আধুনিক ডিজাইনের বিন্যাসে। প্রতিটি গয়নার কেন্দ্রে থাকে রত্নপাথর, বিশেষ যত্নে যার আকার ও গঠনের মাধ্যমে তার রঙ আর গভীরতাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই কালেকশনে ক্লাসিক মারকুইজ থেকে সূক্ষ্ম তাবিজ কাট, আবার মসৃণ ক্যাবোশন ফিনিশ কাটের চমৎকার মেলবন্ধন দেখা যায়—প্রতিটি পাথরই নিজস্ব চরিত্র আর দীপ্তি নিয়ে প্রকাশ পায়। ক্যাবোশন কাটের ব্যবহার গয়নাকে দেয় এক নরম, ভাস্কর্যধর্মী আভা, আর স্তরে স্তরে রঙের বিন্যাসের সঙ্গে ‘বাঞ্চিং’ ও ‘স্লাইসিং’-এর মতো কৌশল যোগ করে বাড়তি গভীরতা, টেক্সচার আর গতিময়তা। ফলে প্রতিটি ডিজাইন হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত, অভিব্যক্তিপূর্ণ এবং আধুনিক।

 

১৮ ক্যারেট সোনায় নির্মিত ‘Hues’ এই অক্ষয় তৃতীয়ায় সোনার গয়না পরার ধারণাকেই নতুনভাবে উপস্থাপন করছে—শুধু বিনিয়োগের সীমা পেরিয়ে, এখন তা হয়ে ওঠে ব্যক্তিত্বের প্রকাশ, যা পরিধানের জন্যই তৈরি। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে যত্ন সহকারে সংগৃহীত এমেরাল্ড, অ্যামেথিস্ট, সিট্রিন, টুরম্যালিন, টানজানাইটের মতো প্রাকৃতিক রঙিন রত্নপাথরের সংমিশ্রণে তৈরি এই কালেকশন। প্রতিটি পাথরই ১০০% প্রাকৃতিক, যার রঙ, স্বচ্ছতা ও নিজস্ব বৈশিষ্ট্য কঠোর মানদণ্ডে যাচাই করে নির্বাচন করা হয়েছে। স্বচ্ছ মূল্য নির্ধারণ, আজীবন রক্ষণাবেক্ষণ এবং ১০০% এক্সচেঞ্জ ভ্যালুর নিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে এই কালেকশনের প্রতিটি গয়নাই শুধু সৌন্দর্যের নয়, বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্থায়ী মূল্যের প্রতীক। এর মাধ্যমে ভারতে ন্যাচারাল জেমস্টোন জুয়েলারির প্রতি আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতাও আরও দৃঢ় করে তুলছে তনিশ্ক্।

 

কালেকশনটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে, অলোক রঞ্জন, সার্কেল বিজনেস হেড, E1, তনিশ্ক্ বলেন, “‘Hues’-এর মাধ্যমে আমরা বাংলায় নিয়ে এসেছি এমন একটি কালেকশন, যা একদিকে সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত, অন্যদিকে আজকের ক্রেতার বদলে যাওয়া রুচি ও পছন্দকেও প্রতিফলিত করে। বিয়ে কিংবা উৎসব—সব ক্ষেত্রেই এখন গয়নায় ব্যক্তিত্বের ছাপ ও ডিজাইনের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে বাড়ছে। এই কালেকশনের মাধ্যমে আমরা এমন কিছু উপস্থাপন করতে চাই, যেখানে বহুমুখিতা, নিখুঁত কারিগরি এবং স্বতন্ত্র পরিচয়ের এক শক্তিশালী অনুভূতি মিলেমিশে যায়—যা আধুনিক বাঙালি নারীর সঙ্গে গভীরভাবে সংযোগ তৈরি করে। ‘Hues’ শুধু গয়নার রঙের গল্প নয়, বরং তার পরিচয়ের নানা দিককে উদযাপন করার এক মাধ্যম।”

 

কালেকশনটি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে মিমি চক্রবর্তী বলেন, “তনিশ্ক্ এর এই কালেকশনটির সবচেয়ে ভালোলাগার দিকটাই হল—রঙের মাধ্যমে যেভাবে এটি খুব সহজেই নিজের প্রকাশকে উদযাপন করে। আমরা কী পরব, তা অনেক সময় আমাদের মনের অবস্থার উপর নির্ভর করে, প্রায় অনুভূতিনির্ভর একটি বাছাই। আর সেটাই আমাদের উপস্থিতিকে নীরবে বদলে দিতে পারে। ‘Hues by Tanishq’—তাই কোনও নির্দিষ্ট উপলক্ষের জন্য সাজা নয়, বরং নিজের জন্য সাজা—নিজের মুড, নিজের এনার্জি, নিজের মুহূর্তকে ধারণ করার কথা বলে। এতে এক ধরনের স্বাভাবিকত্ব আছে, ব্যক্তিগত ছোঁয়া আছে—এমন এক স্টাইল, যা সময়ের তালে চলে।”

 

₹৩০,০০০* থেকে শুরু হওয়া এই কালেকশনে রয়েছে এমন সব ডিজাইন, যা বিশেষ উপলক্ষ থেকে শুরু করে প্রতিদিনের পরিধান—দুই ক্ষেত্রেই সহজেই মানিয়ে যায়। অক্ষয় তৃতীয়াকে সামনে রেখে তনিশ্ক্ নিয়ে এসেছে আকর্ষণীয় উৎসব অফার—সোনার গয়নার মেকিং চার্জ এবং ডায়মন্ড ভ্যালুতে সর্বোচ্চ ২০% পর্যন্ত ছাড়*, সঙ্গে সোনার গয়না কেনাকাটায় প্রতি গ্রামে ফ্ল্যাট ₹২০১ পর্যন্ত ছাড়*। এর পাশাপাশি ‘Festival of Exchange’-এর সুবিধাও থাকছে, যার মাধ্যমে পুরনো সোনাকে বদলে নেওয়া যাবে নতুন, ব্যবহারযোগ্য ও অর্থবহ গয়নায়—যা এই সময়টাকে করে তোলে আপগ্রেডের জন্য একদম উপযুক্ত।

Ambuja Neotia Group Unveils DHADKAN: Free Life-Saving Heart Surgeries for Underprivileged Children

News Hungama:

 

Kolkata, 6th April 2026: Ambuja Neotia Group launched DHADKAN, a flagship CSR initiative aimed to conduct fully-funded paediatric cardiac surgeries for underprivileged children diagnosed with congenital heart disease (CHD).

The initiative was unveiled in the presence of Mr. Pradeep Lal Mehta, Vice-Chairman & Managing Director, Ambuja Neotia Healthcare Venture Limited, Ms. Ruma Banerjee, Joint President & COO, Ambuja Neotia Healthcare Venture Limited, Dr. Indrani Subramanian, Facility Director, Neotia Bhagirathi Woman and Child Care Centre (NBWCCC), New Town and Cardiology department, at NEOPEDICON, the flagship paediatric conference of Ambuja Neotia Healthcare Venture Limited. Medical assessments, treatments, and surgeries under this initiative will be conducted at NBWCCC, New Town.

CHD is one of the most prevalent birth defects, yet many children from economically disadvantaged backgrounds lack access to timely and specialized cardiac care. Recognizing this critical gap between early diagnosis and life-saving treatment, Ambuja Neotia Group has initiated DHADKAN – the Group’s flagship social impact programme, dedicated to enabling paediatric cardiac surgeries for underprivileged children diagnosed with CHD. Through this initiative, the Group strives to bridge the divide between detection and timely treatment, ensuring that more children receive the critical care they need to lead healthy lives.

Parthiv Neotia, Joint Managing Director, Ambuja Neotia Group said, “Dhadkan reflects a commitment we hold closely, to ensure that a child’s access to life-saving care is never limited by circumstance. We believe that every child deserves the chance to live a healthy, full life. Yet, for countless families, access to life-saving cardiac care remains beyond reach. Through Dhadkan, we aim to provide free cardiac surgeries to children from underprivileged backgrounds, ensuring that financial limitations never stand in the way of a child’s heartbeat. More than a programme, this is our promise – to restore hope where it is fading, to stand beside families in their most vulnerable moments, and to reaffirm a simple but profound belief: when life itself is at stake, no child should ever be denied care.”

Unveiled at Neopedicon 2026, the flagship national symposium hosted by Ambuja Neotia Healthcare Venture Limited, DHADKAN exemplifies the Group’s commitment to patient-centric, ethical, and advanced healthcare, enabling the Group to penetrate the socio-economic fabric and extend critical care to children from economically weaker families. By combining medical expertise with social responsibility, the initiative aims to improve health outcomes, address gaps in access and affordability, reduce the burden of untreated congenital heart conditions, and strengthen paediatric cardiac care across Eastern India.

চাঁপাতলা মাতৃমন্দিরের বাৎসরিক শীতলা পুজো এ বছর ১৮৫ বছরে পদার্পণ করল

News Hungama:

চাঁপাতলা মাতৃমন্দিরের বাৎসরিক শীতলা পুজো এ বছর ১৮৫ বছরে পদার্পণ করল, যা এলাকাবাসীর কাছে এক ঐতিহ্যবাহী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। শীতলা পুজো উপলক্ষে এই মন্দিরে সারাদিন ধরেই ভক্তদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

 

ভোরবেলায় প্রভাত ফেরীর মধ্য দিয়ে পুজোর সূচনা হয়। এই শোভাযাত্রায় এলাকার মায়েরা লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে অংশগ্রহণ করেন, যা এক অনন্য ধর্মীয় আবহ তৈরি করে। এরপর দিনভর চলে পুজো-অর্চনা, মালসা ভোগ নিবেদন এবং খিচুড়ি প্রসাদ বিতরণ।

 

এই মহাপুজোতে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং মন্দিরের ভাইস প্রেসিডেন্ট দীনবন্ধু দুবে সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

 

এলাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক লক্ষ মানুষ এই পুজোতে অংশগ্রহণ করেন এবং মা শীতলার কাছে নিজেদের মনস্কামনা ব্যক্ত করেন। অনেক ভক্ত এই পুজোতে দণ্ডী কাটেন, যা তাদের গভীর বিশ্বাস ও ভক্তির বহিঃপ্রকাশ।

 

নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তিনি ছোটবেলা থেকেই এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত এবং একসময় এই এলাকাতেই বসবাস করতেন। তিনি মা শীতলার কাছে সকলের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করেন এবং প্রতি বছর এই পুজোতে উপস্থিত থাকতে চান বলে জানান।

 

সব মিলিয়ে, চাঁপাতলা মাতৃমন্দিরের শীতলা পুজো শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি এলাকার ঐতিহ্য, ভক্তি এবং সামাজিক সংহতির এক উজ্জ্বল নিদর্শন।

Election Commission Ropes in ‘Chhota Bheem’ to Drive Voter Awareness Ahead of West Bengal Elections

News Hungama:

Kolkata, 27 March 2026: In a significant voter outreach initiative, the Election Commission of India has decided to use the popular animated character Chhota Bheem to improve voter awareness and participation in Howrah district. The initiative is part of the Election Commission’s ongoing efforts to make the electoral process more inclusive, engaging and accessible, especially for young and first-time voters in the state. The campaign features the slogan “Chunav Ka Parv, Paschim Bengal Ka Garv” to educate the public and encourage them to come out in large numbers and vote.

Polling for the upcoming West Bengal Legislative Assembly elections will be held in two phases on 23 and 29 April 2026. The counting of votes and declaration of results will take place on 4 May 2026.

Speaking about the initiative, a senior election official said, “As part of our Systematic Voters’ Education and Electoral Participation (SVEEP) initiatives, in collaboration with Chhota Bheem, voter awareness activities is being organised in Howrah district of West Bengal. Chhota Bheem is being a popular and friendly public awareness animation icon will help in spreading voter awareness message more engaging and relatable for families, children and first-time voters. He seems a good fit because he is one of India’s most loved and trusted characters with strong recall across age groups.”

Rajiv Chilaka, Founder & CEO, Green Gold Animation, said, “We are happy that EC has decided to use our popular animation character in their awareness campaign. This is in line with the brand’s larger public interest associations, including collaborations across literacy, public safety, education and awareness initiatives with government and PSU-linked institutions. The objective of this collaboration is to make voter awareness more visible, memorable and participative, and to encourage a positive civic spirit around the democratic process.”

Chhota Bheem, one of India’s most recognised animated characters, has been part of public awareness campaigns in select regions. This reflects a growing trend of using entertainment to deliver civic messages. Similar outreach efforts in the past, including initiatives by Western Railways, have shown that creative communication through digital platforms and on-ground engagement can effectively reach diverse audiences.

স্নায়ুরোগ চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত: মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুরে ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন ( ডিবিএস) ক্লিনিক চালু

News Hungama:

কলকাতা, ২৪ মার্চ ২০২৬: ভারতের অন্যতম বৃহৎ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী মণিপাল হসপিটালস গ্রুপের অংশ মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর তাদের ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন (DBS) ক্লিনিক চালু করার ঘোষণা করেছে। এই ক্লিনিকটি ভারতের মধ্যে একটি প্রথম উদ্যোগ, যা জটিল স্নায়বিক ও মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার রোগীদের জন্য নির্ভুল ও উন্নত চিকিৎসা প্রদান করবে।
এই ক্লিনিকটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডা. মিলিন্দ দেওগাঁওকর, ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোসার্জারি, মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর। এটি নিউরো-রিস্টোরেশন ও নিউরোমডুলেশন ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এবং রোগীকেন্দ্রিক, প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসার প্রতি হসপিটালের প্রতিশ্রুতি আরও শক্তিশালী করে। তাঁর সঙ্গে মূল টিমে রয়েছেন ডা. গৌরব সান্যাসী, কনসালট্যান্ট – ফিজিয়াট্রিস্ট (রিহ্যাবিলিটেশন মেডিসিন)।
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. শ্রেয়সী ঝা, কনসালট্যান্ট – নিউরোলজি (পার্কিনসনস ও মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার), যিনি মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার ক্লিনিকের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, এবং মিসেস শিবানি দেশমুখ, লিড নিউরো ফিজিওথেরাপিস্ট, যিনি নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকবেন।
ডিবিএস ক্লিনিকটি মুকুন্দপুর ইউনিট থেকে পরিচালিত হবে। প্রতি সোমবার ডিবিএস পরিষেবা এবং প্রতি শনিবার কমপ্লেক্স পেইন ক্লিনিক চালু থাকবে। মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার ক্লিনিক প্রতিদিন খোলা থাকবে, যাতে রোগীরা নিয়মিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পান। ডা. শ্রেয়সী ঝা সোমবার ও শনিবার পূর্ণদিবস ক্লিনিকে থাকবেন এবং প্রয়োজনে ডিবিএস প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন।
এই পরিষেবায় একটি সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, যেখানে নিউরোলজিস্ট, নিউরোসার্জন, পেইন বিশেষজ্ঞ, রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞ, ইমার্জেন্সি ডাক্তার ও প্রশিক্ষিত নার্সরা একসঙ্গে কাজ করবেন। পাশাপাশি, মিসেস শিবানি দেশমুখের নেতৃত্বে নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন ক্লিনিক রোগীদের নিয়মিত পুনর্বাসন পরিষেবা প্রদান করবে।
এই সমন্বিত ব্যবস্থা রোগীদের রোগ নির্ণয়, উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলো-আপ—সবকিছুতেই সহায়তা করবে। পার্কিনসনস ডিজিজ, ডিস্টোনিয়া, ট্রেমর, এপিলেপসি এবং জটিল ব্যথার মতো সমস্যার চিকিৎসায় এই ক্লিনিক বিশেষ ভূমিকা নেবে।
এই প্রসঙ্গে ডা. মিলিন্দ দেওগাঁওকর বলেন, “ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন জটিল স্নায়বিক রোগের চিকিৎসায় একটি বড় পরিবর্তন এনেছে। এটি শুধু একটি সার্জারি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি এবং নির্ভুল চিকিৎসা প্রক্রিয়া, যেখানে রোগী নির্বাচন, পরিকল্পনা, প্রযুক্তি ও পরবর্তী ফলো-আপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুরে আমরা একসঙ্গে সব পরিষেবা দিয়ে রোগীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করার লক্ষ্য নিয়েছি।”
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, মণিপাল হসপিটাল কলকাতার বিভিন্ন ইউনিটে অভ্যন্তরীণ সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করবে। এছাড়াও, মুকুন্দপুরের বাইরেও অন্যান্য মণিপাল হসপিটালের সঙ্গে টেলি-পরামর্শ পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে আরও বেশি রোগী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার সুবিধা পান।

মণিপাল হসপিটালস সল্টলেক ক্লাস্টারের ‘ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড’ সেশন আয়োজন; কলকাতায় প্রকাশিত হল সমন্বিত গ্রন্থ

News Hungama:

কলকাতা, ২৪ মার্চ ২০২৬: মণিপাল হসপিটালস সল্টলেক ক্লাস্টার আজ সল্টলেকের ব্রডওয়ে ইউনিটে “ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড” শীর্ষক একটি তথ্যবহুল ও আকর্ষণীয় সেশনের সফল আয়োজন করেছে। এই উপলক্ষে পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে একটি সমন্বিত গ্রন্থও প্রকাশ করা হয়, যা মণিপাল হসপিটাল ব্রডওয়ে ও সল্টলেকের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে তৈরি।

এই গ্রন্থটি পাচনতন্ত্র সংক্রান্ত ক্রমবর্ধমান সমস্যাগুলির উপর একটি ব্যবহারিক ও বিস্তৃত নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে। এতে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, প্রতিরোধমূলক উপায়, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং জীবনযাত্রা-ভিত্তিক সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

এই সেশনে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞদের একটি দল, যার মধ্যে ছিলেন ডা. সুজিত চৌধুরী (হেড, মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সুদীপ্ত ঘোষ (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সুজয় মৈত্র (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. দেবকুমার রায় (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সঞ্জয় মণ্ডল (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. অরিজিৎ সিংহ মহাপাত্র (কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. কিংশুক ধর (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. কুশান সেনগুপ্ত (কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) এবং ডা. অভিষেক ব্যানার্জি (কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)।

বিশেষজ্ঞরা জানান, আধুনিক জীবনযাত্রার কারণে পাচনতন্ত্রের সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দীর্ঘ সময় বসে থাকা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং প্রসেসড খাবারের ব্যবহার – এসবই এর প্রধান কারণ। অ্যাসিডিটি, ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS), ফ্যাটি লিভার, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণ এবং কোলোরেক্টাল সমস্যার মতো রোগ ক্রমেই বাড়ছে, যা অনেক ক্ষেত্রেই দেরিতে ধরা পড়ে।

সেশনে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্ব, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এবং আধুনিক মিনিমালি ইনভেসিভ ও জটিল গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সার্জারির অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উপস্থিতরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে পাচনতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখার বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ পান।

এই প্রসঙ্গে ডা. সুজিত চৌধুরী বলেন, “বর্তমান জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও সচেতনতার অভাবে পাচনতন্ত্রের রোগ দ্রুত বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় প্রতি ৫ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১ জন কোনো না কোনো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়া, শহুরে জনসংখ্যার প্রায় ২৫–৩০ শতাংশ ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। অনেকেই অ্যাসিডিটি, ফাঁপা ভাব বা মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তনের মতো প্রাথমিক লক্ষণ উপেক্ষা করেন, যা কখনও গুরুতর রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। ‘ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড’ উদ্যোগ এবং এই বইয়ের মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে চিকিৎসা-সংক্রান্ত জ্ঞান সহজভাবে পৌঁছে দিতে চাই, যাতে তারা প্রতিরোধ ও উন্নত চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন।”

এই উদ্যোগের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি আরও জোরদার করেছে, যাতে উন্নত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি চিকিৎসার জন্য রোগীদের রাজ্যের বাইরে যেতে না হয়।

“ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড” গ্রন্থের সফল প্রকাশ এবং এই ধরনের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা সহজলভ্য করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Celebrating this campaign, a limited-time Lionel Messi card launches globally from March 12 – April 2

News Hungama:

WINDSOR, UNITED KINGDOM – March 17th, 2026 – Konami Digital Entertainment, B.V. (KONAMI) today announced the launch of an exclusive campaign for eFootball™ in India. Commemorating this special campaign, eFootball™ brings together cricket giants Rinku Singh and Varun Chakravarthy, Malayalam stars Naslen Gafoor and Chandu Salim Kumar alongside football icons like Sahal Abdul Samad and Shubhasish Bose to produce exciting content for social media . Launching alongside the campaign, eFootball™ fans can gain a special Lionel Messi card from March 12 – April 2.

 

 

With a particular emphasis on Kerala and West Bengal, the campaign partners with fan communities, lifestyle creators, and competitive eFootball™ influencers. These include Mohammad Rizwan, RJ Praveen, Black Mamba Gaming, Mallu PES Master, LiarsFC, and Manjappada. The campaign also introduces in‑game challenges that offer users exclusive rewards.

 

Alongside this campaign, a limited-time card of football icon Lionel Messi is available for global users from March 12 – April 2. The Lionel Messi card and related campaign events are now live across India on mobile, console, and PC. For updates, exclusive content drops, and ongoing challenges, fans can find more information:

 

Socials

• X

• Facebook

• Instagram

• Youtube

 

-ENDS-

————————————————————————————————————————————–

About “eFootball™”

“eFootball™” was the rebranding of KONAMI’s popular gaming series “PES”. The change marked a great leap forward as the branding changed alongside the addition of a new football game engine, advancements in gameplay, and the remodelling of the title as ‘free-to-play’ across all compatible devices.

 

“eFootball™” is an ever-evolving platform with over 950 million downloads worldwide to date.

 

“eFootball”, “e-Football” and “eFootball logo” are registered trademarks or trademarks of Konami Digital Entertainment Co., Ltd. in Japan and other countries or regions.

 

About Konami Group

Konami Group was established in 1973, starting as an amusement machine manufacturer for arcades. Over the years, the company has grown to include different business units across various markets. Currently, KONAMI GROUP CORPORATION includes the Digital Entertainment, Amusement, Gaming & Systems, and Sports Businesses. The company went public on the Osaka Securities Exchange in 1984, the Tokyo Stock Exchange in 1988, and the London Stock Exchange in 1999. For more information, visit: www.konami.com/en.

অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্সের জমকালো ‘সফট লঞ্চ’- এর মাধ্যমে দ্বারোদ্ঘাটন; হুগলিতে নিয়ে এল প্রথম শপিং মলের অভিজ্ঞতা

News Hungama:

কলকাতা, ১৫ই মার্চ, ২০২৬: অ্যালকোভ রিয়েলটি হুগলি জেলার প্রথম শপিং মল- ‘অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্স’- আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে সফল ‘সফট লঞ্চ’ সম্পন্ন করেছে। এই আয়োজনে সমগ্র অঞ্চল থেকে আগত সাধারণ মানুষ এবং ক্রেতাদের কাছ থেকে অভূতপূর্ব ও উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া গেছে। শ্রীরামপুরের মহেশ এলাকায় জি.টি. রোডের ওপর অবস্থিত এই শপিং মলের সফট লঞ্চ অনুষ্ঠানে দর্শনার্থীদের বিপুল সমাগম ঘটে; যা জেলার ক্রমবিকাশমান খুচরো বাণিজ্য এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হলো।

শ্রীরামপুরের মহেশ এলাকায় জি.টি. রোডের ওপর অবস্থিত এই মলে সারাদিন ধরেই দর্শনার্থীদের উৎসাহব্যঞ্জক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। দর্শনার্থীরা মলের সদ্য উন্মুক্ত হওয়া বিভিন্ন খুচরো বিক্রয়কেন্দ্র, খাবারের দোকান এবং বিনোদনমূলক স্থানগুলো ঘুরে দেখেছেন। এই ‘সফট লঞ্চ’-এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সামনে এমন একটি আধুনিক জীবনযাত্রার কেন্দ্রবিন্দু তুলে ধরা হলো, যা হুগলি জেলা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে সুসংগঠিত খুচরো কেনাকাটা ও বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।

 

উদ্বোধনের প্রথম দিনে লাইভ সঙ্গীতানুষ্ঠান, বিভিন্ন পরিবেশনা, সেলফি জোন এবং বিশেষ উদ্বোধনী অফারের এক জমকালো আয়োজন ছিল, যা দর্শনার্থীদের জন্য এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল। ফ্যামিলি এবং তরুণ ক্রেতারা বিশেষত ‘কিডস ফান জোন’—’স্পেস জাম্প’ বিভাগটি দারুণ উপভোগ করেছেন; যা শপিং মল পরিদর্শনে আসা শিশু ও সাধারণ মানুষদের জন্য বাড়তি উত্তেজনার সঞ্চার করেছিল।

 

উদ্বোধনী পর্যায়ের অংশ হিসেবে বেশ কিছু সুপরিচিত ব্র্যান্ড তাদের বিক্রয়কেন্দ্রগুলো ক্রেতাদের জন্য উন্মুক্ত করেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো – জুডিও, ভি-মার্ট, বাজার কলকাতা, সাফারি, স্পেস জাম্প, ডমিনোজ, সাবওয়ে এবং টি জংশন। এছাড়াও আরও বেশ কিছু নতুন বিক্রয়কেন্দ্র পর্যায়ক্রমে চালু হতে চলেছে।

 

সাতটি তলা জুড়ে প্রায় ২.৫ লক্ষ বর্গফুট এলাকা নিয়ে বিস্তৃত ‘অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্স’-কে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘অমনিপ্লেক্স’ গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে ১০০টিরও বেশি খুচরো বিক্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি ফুড জোন, বিনোদনমূলক সুবিধা, অফিস স্পেস এবং হসপিট্যালিটি সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিষেবা চালু করা হবে।

 

‘অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্স’-এর মূল আকর্ষণ বা কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এক গতিশীল বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতা। এর নেতৃত্বে রয়েছে ৪-স্ক্রিন বিশিষ্ট ‘এসভিএফ সিনেমাস’ – এর একটি মাল্টিপ্লেক্স, যার দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় ৮০০টি আসন। আশা করা হচ্ছে, এই মাল্টিপ্লেক্সটি শীঘ্রই দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে; যা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য বিশ্বমানের সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।

 

এই উপলক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অ্যালকোভ রিয়েলটির পরিচালক অজয় কুমার শ্রফ বলেন, “অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্স-এর ‘সফট লঞ্চ’ বা প্রাথমিক সূচনা হুগলি জেলায় একটি আধুনিক কেনাকাটা ও জীবনযাত্রার কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক পদক্ষেপ। আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি পরিসর তৈরি করা, যা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য কেনাকাটা, ভোজন এবং বিনোদনের সুযোগগুলোকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসবে; পাশাপাশি এই অঞ্চলের জন্য নতুন অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।”

 

এর কৌশলগত অবস্থান এবং বিভিন্ন ধরণের ব্র্যান্ড ও অভিজ্ঞতার বৈচিত্র্যময় সমাহারের সুবাদে, অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্স এই অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান ক্রেতাগোষ্ঠীর কাছে কেনাকাটা, ভোজন এবং অবসরযাপনের এক প্রাণবন্ত গন্তব্য হয়ে উঠতে চলেছে।

 

অ্যালকোভ রিয়েলটি সম্পর্কে:

অ্যালকোভ রিয়েলটি এমন সব যুগান্তকারী প্রকল্পের মাধ্যমে কলকাতার স্কাইলাইন গঠনে এক নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছে, যা নকশা, উদ্ভাবন এবং জীবনযাত্রার মানের ক্ষেত্রে নতুন সব মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এই সংস্থার পোর্টফোলিওতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এমন সব আইকনিক প্রকল্প—যেমন পূর্ব ভারতের সর্বোচ্চ আবাসিক ভবন ‘দ্য ৪২’, নদীর তীরে গড়ে ওঠা টাউনশিপ ‘অ্যালকোভ নিউ কলকাতা’, আসন্ন অতি-বিলাসবহুল প্রকল্প ‘দ্য কার্ভ’, এবং ‘সিদ্ধার্থ – দ্য ক্রাউন অফ আলিপুর’-এর মতো উন্নয়নমূলক কাজগুলো; যা সমগ্র অঞ্চল জুড়ে অনন্য সব গন্তব্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে।