Friday, July 17, 2026
Home Blog

ঐতিহ্যবাহী ফাটাকেষ্ট কালীপুজোর খুঁটিপুজো সম্পন্ন হল

News Hungama:

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা | ১৬ জুলাই, ২০২৬ :
চিরাচরিত ঐতিহ্য ও পরম্পরা বজায় রেখে ভগবান জগন্নাথদেবের পবিত্র রথযাত্রা উপলক্ষে ‘ফাটাকেষ্ট’ খ্যাত কলকাতার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী কালীপুজোর কাঠামো পুজো সম্পন্ন করল আয়োজক “নব যুবক সংঘ”। উত্তর কলকাতার ৫৩বি, কেশবচন্দ্র সেন স্ট্রিটে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে পূজিতা হয়ে আসছেন মা কালী। সেই দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনেই এদিন কাঠামো পুজোর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল এবারের কালীপুজোর প্রস্তুতি।

কলকাতার ৫১১, রবীন্দ্র সরণীতে প্রখ্যাত মৃৎশিল্পী মিন্টু পাল-এর মৃৎশিল্পাগারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার স্নেহাশিস গাঙ্গুলী, ভারতীয় জনতা পার্টির উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক সঞ্জয় মিশ্র, বেলেঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কুনাল ঘোষ, কলকাতা পৌরনিগমের ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপ্রতিনিধি বিশ্বরূপ দে, সমাজসেবী সঞ্জয় বক্সি,পাপ্পু মিশ্রা-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। সকলের উপস্থিতিতে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় মায়ের কাঠামো পুজো।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ‘ফাটাকেষ্ট’ কালীপুজোর সাংগঠনিক সম্পাদক প্রবন্ধ রায় (ফান্টা) জানান, “কলকাতার অন্যতম প্রসিদ্ধ ‘ফাটাকেষ্ট’ কালীপুজো এ বছর ৬৯ বছরে পদার্পণ করতে চলেছে। গত বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও মাতৃপ্রতিমা নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছেন শহরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মৃৎশিল্পী মিন্টু পাল। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও প্রাচীন নির্মাণশৈলী অক্ষুণ্ণ রেখেই এবারের মাতৃমূর্তি গড়ে তোলা হবে।”

এদিনের কাঠামো পুজোর মাধ্যমে শুধু একটি ধর্মীয় আচারই সম্পন্ন হয়নি, বরং উত্তর কলকাতার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী কালীপুজোর আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিরও শুভ সূচনা হল। ভক্ত ও উদ্যোক্তাদের আশা, প্রতি বছরের মতো এবারও ‘ফাটাকেষ্ট’ কালীপুজো দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।

3 Allen Kolkata students have secured AIR ranks in Top-1000 and 5 Allen in Top 1600 Ranks

News Hungama:

Kolkata. Allen Kolkata students have once again proven their excellence in the NEET-UG 2026 results declared by the National Testing Agency (NTA). 3 Allen Kolkata students have secured AIR ranks in Top-1000 and 5 Allen Kolkata students have position in Top 1600 Ranks

*Allen Kolkata Centre Head, Debashish Sanyal said* that Allen is known for its excellent results, and maintaining this reputation, Allen has achieved excellent results this year in NEET-UG 2026 as well. Among Allen Kolkata students, Aritra Kr Chakraborty has achieved 680 marks and AIR-284, Rajanya Dinda hasa achieved 659 marks and AIR-940, Sampurna Ghosh has secured 658 marks and AIR-981, Anirban Dutta has got 650 marks and AIR-1404, and Nandini Mal has got 649 marks and AIR-1532. Sanyal stated that the excellent results are a testament to the trust bestowed on them by all students and parents. Allen Kolkata is moving forward with this confidence.

*National Results*

*5 Allen Students in Top 10 and 43 in Top 100*

*Allen Shines in NEET-UG 2026 Results*

The National Testing Agency (NTA) declared the results for NEET-UG 2026—the country’s biggest medical entrance exam—late Thursday night. Students from Allen Career Institute have once again achieved success. Five Allen students have featured in the top 10 AIR Ranks, and based on results analyzed so far, 43 Allen students are in the top 100.

 

Among the declared results, Aryan Gupta and Panshul Bansal jointly secured 715 out of 720 marks. Based on tie-breaker rule priorities, Aryan Gupta was awarded All India Rank 1, while Panshul Bansal secured All India Rank 2. Aryan Gupta is associated with Allen Career Institute through distance learning, whereas Panshul Bansal has been a regular classroom student at Allen for two years.

 

Additionally, Allen classroom student Ayush Bhalotia secured All India Rank 4 with a score of 710. Aryan Dubey, a student of Allen’s online test series, achieved All India Rank 7, and Allen classroom student Gaurav Singh secured All India Rank 9.

 

Allen CEO Nitin Kukreja congratulated all the students on these outstanding results. Allen has once again demonstrated its excellence. Results analyzed so far show 5 Allen students in the top 10 and 44 in the top 100. Of these, 36 are classroom students, while 8 are from the Distance Learning Program (DLP) and online test series. NTA has issued a press release listing the top 138 students who scored 690 or higher, of whom 60 are from Allen—comprising 50 students from classroom programs and 10 from distance learning and online test series.

বিরল জন্মগত চোখের ত্রুটিজনিত কয়েক দশকের দৃষ্টিসমস্যার অবসান, 51 বছর বয়সি এক ব্যক্তির দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিল ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটাল

News Hungama:

কলকাতায় উন্নত চক্ষু চিকিৎসার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটালের 10 বছর পূর্তি উদ্‌যাপন; পদ্মশ্রী ঊষা উত্থুপের উপস্থিতিতে উদ্‌যাপন হল, জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধারের একাধিক সাফল্য তুলে ধরা হল।
● উভয় চোখে উচ্চমাত্রার মায়োপিয়ায় আক্রান্ত এবং ল্যাসিকের জন্য উপযুক্ত নন এমন 45 বছর বয়সিএক মহিলাকে চশমামুক্ত দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিল হাসপাতাল।
কলকাতা, 7 July 2026: জন্মগত আইরিস কোলোবোমা (কনজেনিটাল আইরিস কোলোবোমা)-এর কারণে শৈশব থেকেই বাঁ-চোখে দুর্বল দৃষ্টিশক্তি নিয়ে জীবন কাটানো 51 বছর বয়সি এক রোগী, ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটাল (কলকাতা)-এ একাধিক ডে-কেয়ার পদ্ধতিতে চিকিৎসার পরে পুনরায় কার্যকর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন। আইরিস কোলোবোমা একটি বিরল জন্মগত ত্রুটি, যেখানে চোখের আইরিসের একটি অংশ সম্পূর্ণভাবে বিকশিত হতে পারে না। চিকিৎসার অংশ হিসেবে রোগীর উপর সিঙ্গল-পাস ফোর-থ্রো (এসএফটি) পিউপিলোপ্লাস্টি করা হয়, যা ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটালের চেয়ারম্যান প্রফেসর অমর আগরওয়ালের চিন্তাপ্রসূত একটি আইরিস পুনর্গঠন পদ্ধতি। এই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অস্বাভাবিক পিউপিলের গঠন সংশোধন করা সম্ভব, একইসঙ্গে দৃষ্টিশক্তি ও দেখার গুণমান—উভয়েরই উন্নতি ঘটানো সম্ভব হয়। চিকিৎসার পরে রোগীর বাঁ-চোখের দৃষ্টিশক্তি 40%-এরও কম থেকে বেড়ে 75%-এ পৌঁছেছে।
বছরের পর বছর ধরে রোগী একাধিক শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালে পরামর্শ নিয়েছিলেন। তবে চিকিৎসকেরা তাঁর সমস্যাকে অত্যন্ত জটিল বলে উল্লেখ করেন এবং অস্ত্রোপচারের পর দৃষ্টিশক্তি কতটা ফিরবে, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানান। জন্মগত আইরিস কোলোবোমার পাশাপাশি রোগীর চোখের সামনের (অ্যান্টেরিয়র সেগমেন্ট) এবং পিছনের (পোস্টেরিয়র সেগমেন্ট) উভয় অংশেই জটিলতা ছিল, যা লেন্স ও রেটিনাকে প্রভাবিত করেছিল। তাঁর ফ্যাকোডোনেসিস ছিল, অর্থাৎ লেন্সকে ধরে রাখা কাঠামো দুর্বল হয়ে যাওয়ায় লেন্স অস্বাভাবিকভাবে কাঁপছিল। পাশাপাশি তাঁর জোনুলোপ্যাথি ছিল, যেখানে লেন্সকে স্থির অবস্থায় ধরে রাখার ক্ষেত্রে যে সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম তন্তু বা জোনিউলস থাকে তা ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ে। এসব জটিলতার ফলে তাঁর অ্যাম্ব্লাইওপিয়া (লেজি আই) দেখা দেয়। এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে শৈশবে আক্রান্ত চোখ থেকে মস্তিষ্কে স্পষ্ট ছবি না পৌঁছানোর কারণে দৃষ্টিশক্তির স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়া, চল্লিশের গোড়ার দিকেই তাঁর দুই চোখেই প্রাথমিক পর্যায়ের ছানি (আর্লি ক্যাটারাক্ট) দেখা দেয়, যা দৃষ্টিশক্তিকে আরও খারাপ করে তোলে।
জন্মগত আইরিস কোলোবোমা, জোনিউলসের দুর্বলতা, রেটিনার জটিলতা এবং অ্যাম্ব্লাইওপিয়া—এই সবকিছুর সমন্বয়ে অস্ত্রোপচারটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে…একথা বলাই বাহুল্য। পর্যাপ্ত জোনিউলার সাপোর্ট না থাকায় ছানি অপসারণের পর ইন্ট্রাঅকুলার লেন্স (আইওএল) প্রতিস্থাপন করাও ছিল প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত কঠিন বিষয়। কারণ, স্থিতিশীল সাপোর্টের অভাবে অ্যাফাকিয়া হওয়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি ছিল, অর্থাৎ এমন একটি অবস্থা যেখানে চোখে স্বাভাবিক বা কৃত্রিম—কোনও লেন্সই থাকে না। এর ফলে অস্ত্রোপচারের জটিলতা আরও বেড়ে যায়। এছাড়া, কলকাতায় এসএফটি পিউপিলোপ্লাস্টি করার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চক্ষু শল্যচিকিৎসকের সংখ্যাও খুবই সীমিত ছিল। ফলে কোনও হাসপাতালই রোগীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে রাজি হয়নি।
তবে ডা. সমর সেনগুপ্ত, স্পেশালিস্ট অপথ্যালমোলজিস্টের নেতৃত্বাধীন সার্জিক্যাল টিম সফলভাবে এই জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে রোগীর বাঁ-চোখে কার্যকর দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়। একইসঙ্গে দলটি স্ট্যান্ডার্ড ফ্যাকোইমালসিফিকেশন পদ্ধতিতে ছানির অস্ত্রোপচারও করে। যেহেতু দুর্বল জোনিউলসের কারণে রোগীর ক্যাপসুলার ব্যাগ স্থিতিশীল ছিল না, তাই সেখানে একটি ক্যাপসুলার টেনশন রিং (সিটিআর) প্রতিস্থাপন করা হয়। এটি একটি নমনীয় ডিভাইস, যা ক্যাপসুলার ব্যাগকে স্থিতিশীল রাখে এবং নিরাপদভাবে ইন্ট্রাঅকুলার লেন্স (আইওএল) প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সাপোর্ট প্রদান করে।
এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ডা. সমর সেনগুপ্ত বলেন, “রোগী প্রথমে তাঁর ডান চোখের ছানির অস্ত্রোপচারের জন্য আমাদের কাছে আসেন। অস্ত্রোপচারটি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরে তিনি তাঁর অত্যধিক জটিল বাঁ-চোখের চিকিৎসা করানোর বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি বিশ্বাস করতেন যে, তাঁর বাঁ-চোখের দৃষ্টিশক্তি আর কখনও ফিরবে না, কারণ অন্যত্র তাঁকে জানানো হয়েছিল যে অস্ত্রোপচার হয় সম্ভব নয়, নয়তো করলেও দৃষ্টিশক্তির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে না। বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে আমরা তাঁর চোখে থাকা একাধিক জটিলতা বিবেচনা করে একটি কাস্টমাইজড অস্ত্রোপচার পরিকল্পনা তৈরি করি। বর্তমানে তিনি তাঁর বাঁ-চোখে কার্যকর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন, দৈনন্দিন কাজকর্ম স্বাধীনভাবে করতে পারছেন এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে এসেছেন। এমন জটিল ক্ষেত্রে রোগীদের দৃষ্টিশক্তি ও আত্মবিশ্বাস—উভয়ই ফিরিয়ে দেওয়ার মতো বিষয়টি আমাদের গোটা টিমের কাছেই অত্যন্ত সন্তোষজনক।”
চক্ষু পরিষেবায় উৎকর্ষের 10 বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করছে ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটাল, কলকাতা। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে বহু জটিল ও চ্যালেঞ্জিং রোগীর সফল চিকিৎসা করেছে। এই মাইলফলক উদ্‌যাপনে উপস্থিত ছিলেন পদ্মশ্রী ঊষা উত্থুপ, যিনি অনুষ্ঠানের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। হাসপাতালের সাম্প্রতিক সাফল্যের অন্যতম উদাহরণ 45 বছর বয়সি এক গৃহবধূ, যিনি উভয় চোখেই বাইল্যাটারাল হাই মায়োপিয়া (–10.00 ডায়োপ্টারের বেশি) এবং চোখের অস্বাভাবিকভাবে দীর্ঘ অ্যাক্সিয়াল লেংথ-এ ভুগছিলেন। এর ফলে দূরের জিনিস অত্যন্ত ঝাপসা দেখতেন। কয়েক দশক ধরে তাঁকে মোটা পাওয়ারের চশমার ওপর নির্ভর করতে হতো, কনট্যাক্ট লেন্সও ব্যবহার করতে পারতেন না এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম মারাত্মকভাবে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল। তাঁর ক্ষেত্রে প্রচলিত লেজার ভিশন কারেকশন (ল্যাসিক) সম্ভব ছিল না, কারণ এত বেশি রিফ্র্যাকটিভ পাওয়ারের ক্ষেত্রে নিরাপদে লেজার চিকিৎসা করার জন্য তাঁর কর্নিয়া যথেষ্ট পুরু ছিল না।
ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটাল, কলকাতার হেড – ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস ডা. তনুশ্রী চট্টোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বাধীন সার্জিক্যাল টিম পর্যায়ক্রমে উভয় চোখে রিফ্র্যাকটিভ লেন্স এক্সচেঞ্জ অস্ত্রোপচার করে এবং প্রিমিয়াম মাল্টিফোকাল/এক্সটেন্ডেড ডেপথ-অব-ফোকাস (ইডিওএফ) ইন্ট্রাঅকুলার লেন্স প্রতিস্থাপন করে। এই আধুনিক দৃষ্টিশক্তি সংশোধন পদ্ধতিতে 3 mm-এরও কম দৈর্ঘ্যের একটি ক্ষুদ্র চির বা ছিদ্রের মাধ্যমে চোখের স্বচ্ছ প্রাকৃতিক লেন্সটি অপসারণ করে তার পরিবর্তে রোগীর জন্য উপযোগী একটি কাস্টমাইজড কৃত্রিম লেন্স প্রতিস্থাপন করা হয়, যা স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি সংশোধন করে। অস্ত্রোপচারের পর রোগীর দুই চোখেরই চশমা ছাড়া দৃষ্টিশক্তির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয় এবং কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো তিনি চশমামুক্ত জীবন ফিরে পান।

মণিপাল হসপিটালস কলকাতায় রোবোটিক সিমুলেশন ওয়ার্কশপ

News Hungama:

কলকাতা, ৩০ জুন, ২০২৬: আধুনিক চিকিৎসার নতুন দিগন্তকে সামনে রেখে মণিপাল হসপিটালস কলকাতা আজ আয়োজন করল একটি বিশেষ রোবোটিক সিমুলেশন ওয়ার্কশপ । চিকিৎসা, প্রযুক্তি এবং শিক্ষাক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা রোবোটিক-সহায়ক অস্ত্রোপচারের অভিজ্ঞতা কাছ থেকে জানার সুযোগ পান। “The Future is Here – with Robotic Surgery at Manipal Hospitals” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে দেখানো হয়, কীভাবে আধুনিক রোবোটিক প্রযুক্তি সার্জনদের আরও নিখুঁতভাবে জটিল অস্ত্রোপচার করতে সাহায্য করছে এবং বিভিন্ন বিভাগে রোগীদের আরও ভালো চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত ভাষণ দেন ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল ডিরেক্টর মণিপাল হসপিটাল ইস্ট। এরপর প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে সংবর্ধনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর (ডা.) দিলীপ কুমার প্রতিহার, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, আইআইটি খড়্গপুর এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর (ডা.) সুশ্মিতা মিত্র।

রোবোটিক প্রযুক্তির চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ডা. কুনাল সরকার, ডিরেক্টর – কার্ডিওভাসকুলার অ্যান্ড থোরাসিক সার্জারি, মণিপাল হসপিটাল, মুকুন্দপুর ক্লাস্টার, হৃদরোগ, বক্ষরোগ ও জেনারেল সার্জারিতে রোবোটিক সার্জারির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। ডা. সৌরভ দত্ত, ডিরেক্টর – মণিপাল কমপ্রিহেনসিভ ক্যান্সার কেয়ার, মণিপাল হসপিটাল – মুকুন্দপুর, সল্ট লেক ও শিলিগুড়ি ক্লাস্টার, ক্যানসার অস্ত্রোপচারে রোবোটিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও অর্থোপেডিক্স নিয়ে ডা. বিকাশ কাপুর, ইউরোলজি ও ইউরো-অঙ্কোলজি নিয়ে ডা. অভয় কুমার এবং গাইনোকোলজি নিয়ে ডা. অরুণাভ রায় তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

এই অনুষ্ঠানে মণিপাল হসপিটাল সল্ট লেক ক্লাস্টার এর নতুন রোবোটিক সার্জনদের দলকেও পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এই দলে রয়েছেন ডা. দেবকুমার রায়, ডা. অভিনিবেশ চট্টোপাধ্যায়, ডা. অভিষেক ভৌমিক, ডা. পলি চট্টোপাধ্যায়, ডা. অরিজিৎ সিংহ মহাপাত্র এবং ডা. সুজয় চট্টোপাধ্যায়। তাঁরা বিভিন্ন বিভাগে রোবোটিক-সহায়ক অস্ত্রোপচারের নেতৃত্ব দেন।

নিজের বক্তব্যে প্রফেসর (ডা.) দিলীপ কুমার প্রতিহার বলেন, “রোবোটিক প্রযুক্তি এবং আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আমি জানতে পেরেছি, কীভাবে ভেলিস, দা ভিঞ্চি এক্সআই, রোসা এবং ম্যাকো -এর মতো রোবোটিক সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচারে আরও নিখুঁতভাবে কাজ করতে সাহায্য করছে। চিকিৎসা ও প্রযুক্তির এই মিল ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ, কম কষ্টের এবং রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”

প্রফেসর (ডা.) সুশ্মিতা মিত্র বলেন, “চিকিৎসা এবং প্রযুক্তির একসঙ্গে কাজ করার মধ্যেই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য পরিষেবা লুকিয়ে আছে। এআই এবং রোবোটিক্স চিকিৎসকদের জায়গা নেবে না, বরং তাঁদের আরও নিখুঁতভাবে কাজ করতে সাহায্য করবে, যাতে রোগীরা আরও ভালো চিকিৎসা ও দ্রুত সুস্থ হওয়ার সুযোগ পান। তবে এই প্রযুক্তির ব্যবহার সবসময় মানবিকতা, নৈতিকতা এবং চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত থাকা প্রয়োজন। চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রযুক্তিবিদদের এক মঞ্চে এনে মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমি মণিপাল হসপিটালসকে অভিনন্দন জানাই।”

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল রোবোটিক সিমুলেশন ল্যাব, যার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি। সেখানে উপস্থিত অতিথি এবং অংশগ্রহণকারীরা ম্যাকো, ভেলিস, রোসা এবং দা ভিঞ্চি রোবোটিক সিস্টেমগুলি কাছ থেকে দেখেন। অর্থোপেডিক্সে ম্যাকো (স্ট্রাইকার), ভেলিস (ডিপুই সিন্থেস) এবং রোসা (জিমার বায়োমেট) প্রযুক্তি জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট অস্ত্রোপচারকে আরও নিখুঁত ও রোগীভিত্তিক করতে সাহায্য করছে। অন্যদিকে দা ভিঞ্চি এক্সআই বিভিন্ন বিভাগের মিনিমালি ইনভেসিভ অস্ত্রোপচারে সার্জনদের আরও ভালো নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীদের উন্নত ফলাফল নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে। এই প্রদর্শনীতে দেখানো হয়, কীভাবে রোবোটিক প্রযুক্তি চিকিৎসাকে আরও নিখুঁত, কার্যকর এবং রোগীকেন্দ্রিক করে তুলছে।

ক্যানসারের অস্ত্রোপচারে রোবোটিক প্রযুক্তির গুরুত্ব নিয়ে ডা. সৌরভ দত্ত বলেন, “রোবোটিক প্রযুক্তি ক্যানসারের জটিল অস্ত্রোপচারকে আরও নিখুঁত ও নিরাপদ করে তুলছে। শরীরের এমন অংশেও সহজে অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হচ্ছে, যেখানে আগে তা কঠিন ছিল। এর ফলে রক্তক্ষরণ কম হয়, অস্ত্রোপচারের পর ব্যথা কম থাকে এবং রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। আধুনিক রোবোটিক প্রযুক্তি এবং দক্ষ চিকিৎসকদের মাধ্যমে আমরা ক্যানসার রোগীদের আরও ভালো চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

অর্থোপেডিক্সে রোবোটিক প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে ডা. বিকাশ কাপুর বলেন, “রোবোটিক-সহায়ক অর্থোপেডিক সার্জারির ফলে জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট অস্ত্রোপচার আরও নিখুঁতভাবে করা সম্ভব হচ্ছে। এতে রোগীরা কম ব্যথা অনুভব করেন, দ্রুত হাঁটাচলা শুরু করতে পারেন এবং দীর্ঘমেয়াদে ভালো ফল পান। গত দুই বছরে মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস -এ ১,৫০০-রও বেশি রোবোটিক হাঁটু প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার করেছি। এই অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা রোগীদের জন্য কতটা উপকারী।”

গাইনোকোলজিক্যাল অস্ত্রোপচারে রোবোটিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে ডা. অভিনিবেশ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রোবোটিক-সহায়ক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জটিল গাইনোকোলজিক্যাল অপারেশন আরও নিখুঁতভাবে করা সম্ভব হচ্ছে। এতে সার্জনরা আরও ভালোভাবে দেখতে এবং নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন। মিনিমালি ইনভেসিভ পদ্ধতির কারণে অস্ত্রোপচারের কষ্ট কম হয়, রোগীরা দ্রুত সুস্থ হন এবং তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়।”

এই ওয়ার্কশপে লাইভ ডেমোনস্ট্রেশন, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা এবং হাতে-কলমে সিমুলেশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা রোবোটিক সার্জারির আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ পান। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস আবারও জানিয়ে দিল, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিকে মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং নিখুঁত ও উন্নত অস্ত্রোপচারের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

প্রেস ক্লাব কলকাতার সাংবাদিকদের প্রেস প্রিভিলেজ সার্কেল কার্ড প্রদান করল বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা 

News Hungama:

 

কলকাতা (১ জুলাই ‘২৬):- “সাংবাদিকদের এমনভাবে কাজ করা উচিত যাতে সত্তারূঢ় রাজনৈতিক দল পরিবর্তন হলেও অসুবিধায় পড়তে না হয়,” জাতীয় চিকিৎসক দিবসে বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জৈবপ্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক্স, খাদ্য প্রক্রিয়া করণ শিল্প ও ওষুধ প্রস্তুত বিভাগের মন্ত্রী অধ্যাপক ডঃ কল্যাণ চক্রবর্তী এই কথা বলেন।

 

‘নেফ্রোকেয়ার ইণ্ডিয়া লিমিটেড’, ‘সম্পূর্ণা ওমেন কেয়ার অ্যাণ্ড আইভিএফ’ ও ‘ভিভাসিটি মাল্টিস্পেশিয়ালিটি হসপিটাল’-এর যৌথ আয়োজন ‘প্রেস ক্লাব কলকাতা’-র সাংবাদিকদের জন্য ‘প্রেস প্রিভিলেজ সার্কেল কার্ড’-এর আবরণ উন্মোচন তথা ‘প্রেস ক্লাব কলকাতা’-র হাতে অর্পণ করার পর নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী এই কথা বলেন।

 

মন্ত্রী যখন সাংবাদিকদের উদ্দেশে এই কথা বলছিলেন তখন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ‘নেফ্রোকেয়ার ইণ্ডিয়া লিমিটেড’-এর প্রতিষ্ঠাতা তথা ব্যবস্থাপক নির্দেশক ডাঃ প্রতিম সেনগুপ্ত, ‘সম্পূর্ণা ওমেন কেয়ার অ্যাণ্ড আইভিএফ সেন্টার’-এর প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ সুতপা সেন সহ ‘প্রেস ক্লাব কলকাতা’-র সচিব নিতাই মালাকার।

ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে হয়েগেলো সাধারণ সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন

News Hungama:

পয়লা জুলাই ২০২৬ কলকাতা সেন্ট্রাল মেট্রো সংলগ্ন নলিনী গুহ সভাগৃহে কলকাতা লাইভ ব্যান্ড অর্গানাইজার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সাধারণ সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো । সংস্থার সভাপতি বাদল সরকার ও স্রষ্টা কুমারেশ ঘোষ , এডভাইজার আইনজীবী অসীম কর্মকার মহাশয় সহ কার্যকরী সমিতির আবেদন – আমরা ৪০-৫০ বছর ধরে কলকাতার তথা বাংলার বুকে বিভিন্ন হোটেলে সন্ধ্যায় সংগীত নৃত্য পরিবেশনে সকলকে আনন্দ দিয়ে ।সকলে খুশির বিনিময় সামান্য অর্থ সাহায্যতে হোটেল মালিক ও ২৫ থেকে ৪০ জন পর্যন্ত কলাকুশলীদের পারিশ্রমিক উপার্জন করি । এই প্রেক্ষাপট থেকেই বাংলা তথা ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিল্পী এক সময় পারফরম্যান্স করতেন এবং আমরা যারা এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করি আমাদের ব্যান্ড লিডার নামে সমাজে পরিচিত। কিন্তু সরকারিভাবে আমাদের কোন স্বীকৃতি নেই। আমাদের এই অ্যাসোসিয়েশন তিন বছর সরকারি নথিভূক্ত হয়েছে বর্তমান সরকারের কাছে বিনম্র অনুরোধ আমাদের স্বীকৃতি দেওয়া হোক যাতে আমরা সুষ্ঠু সুন্দর ও সভ্যতার সঙ্গে মাথা তুলে এই প্রচেষ্টাকে চালিয়ে যেতে পারি। আমাদের সংস্থায় এই মুহূর্তে ১৫০ ব্যান্ড লিডার এবং প্রত্যেক ব্যান্ড লিডারের সদস্য কলা কৌশলী প্রায় ২৫ থেকে ৪০ জন প্রত্যেকেরই পরিবার নির্ভর করে এখান থেকে। মালিকপক্ষ ও সমস্ত কলাকুশলী সরকারি নথিভুক্ত অতএব আমাদের ও সরকারি স্বীকৃতি মনজুর করা হোক। সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন আজকের সভাধিপতি কৈলাশ গুপ্ত মহাশয় জাতীয় সঙ্গীত “জন গণ মনো” দিয়ে।

কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে পালন করা হলো রক্তদান শিবির

News Hungama:

কলকাতা ২৪ জানুয়ারী ২০২৬:কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে নেতাজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রক্তদান উৎসব পালন করা হল। মাননীয় সমাজ সেবক বাবুন ব্যানার্জির উদ্যোগে ২হাজারের বেশি মানুষ এই শিবিরে রক্তদান করেন। এই রক্তদানকে সাফল্যমন্ডিত করে তুলতে এবং মানুষকে উৎসাহ দিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি এবং রাজ্যসভা্র সাংসদ সুব্রত বক্সি মহাশয়

রাজনীতিবিদ জয়প্রকাশ মজুমদার, সঞ্জয় বক্সী সমাজসেবী অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফুটবলার দিব্যেন্দু বিশ্বাস,রহিম নবীর এবং সঞ্জয় মাঝি, বিশিষ্ট ডাক্তার সুদীপ্ত রায় চৌধুরী, বক্সার আলি কামার ও রাজনৈতিক এবং সামাজিক ব্যক্তিত্বরা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ এই রক্ত দানের জন্য হাজির হন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। ১৯৯৮ সালে মাত্র ৫০৪ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে নিয়ে যে উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল, আজ তা রূপ নিয়েছে এক বৃহৎ সামাজিক আন্দোলনে।এই রক্তদান শিবিরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল এর সার্বজনীন চরিত্র। ধর্ম, জাতি কিংবা ভাষার বিভাজন ছাপিয়ে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান—সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই মানবতার ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়। এবারে কলকাতা এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রক্তদাতারা এসে উপস্থিত হন নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে। বাদ যায়নি দেশের সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও। যেহেতু সারা বছরই রক্তের প্রয়োজন রয়েছে তাই বাবুন ব্যানার্জীর উদ্যোগে এই শিবিরের মাধ্যমে যে রক্ত সংগ্রহ করা হয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত প্রয়োজনে সে রক্ত পেয়ে থাকে। আপামর জনসাধারণ সে কথা স্বীকার করেছেন। যে সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রক্তদানে উপস্থিত ছিলেন তারাও জানান রক্তের প্রয়োজনীয়তার কত মাথায় রেখে কিভাবে বাবুন ব্যানার্জি রক্তের দানের মাধ্যমে এক মানব আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। যা সামগ্রিক ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে যেমন তার প্রতি আশা জাগিয়েছে এবং সমাজসেবার এক নয়া নিদর্শন তুলে ধরেছেন। তাই রাজ্যের বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিরাও এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রত্যেক উৎসাহ দিয়ে গেছেন।

বিশ্বাসের শতাধিক বছর উদযাপনে বিপি অয়েল মিলস-এর কেন্দ্রে হাতি মার্কা

News Hungama:

 

কলকাতায় অনুষ্ঠিত ডিলার মিটে হাতি মার্কার ঐতিহ্য, অংশীদারদের আস্থা এবং ঐতিহ্য ও উদ্ভাবনের ভিত্তিতে বিপি অয়েল মিলসের ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে।

 

কলকাতা, ২১ জানুয়ারি ২০২৬: আজকের দিনে ভোক্তারা যখন বিশ্বাসযোগ্য ও খাঁটি ব্র্যান্ড বেছে নিচ্ছেন, তখন হাতি মার্কা ভারতীয় রান্নাঘরে ভরসার এক পরিচিত নাম হিসেবে আরও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। বিপি অয়েল মিলস-এর ঐতিহাসিক ডিলার মিটে এই বিশ্বাসের ঐতিহ্য উদযাপন করা হয়। “পরম্পরা ও প্রগতি” থিমে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ভোজ্য তেল শিল্পে কোম্পানির ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের যাত্রা ও অবদান তুলে ধরা হয়।

 

বহু প্রজন্ম ধরে হাতি মার্কা শুধু একটি ভোজ্য তেলের ব্র্যান্ড নয়—এটি বিশুদ্ধতা, শক্তি ও নির্ভরযোগ্য মানের প্রতীক। পারিবারিক রান্না হোক বা প্রতিদিনের খাবার, বছরের পর বছর ধরে একই মান বজায় রেখে হাতি মার্কা বিপি অয়েল মিলস-এর অন্যতম বিশ্বস্ত ও পরিচিত পণ্যে পরিণত হয়েছে।

 

১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কলকাতার হোটেল হলিডে ইন-এ আয়োজিত ডিলার মিটে বিপি অয়েল মিলস-এর বিকাশে হাতি মার্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে দেখানো হয়, কীভাবে ব্র্যান্ডটি তার মূল মূল্যবোধ অটুট রেখে ভোক্তাদের বদলে যাওয়া চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী বাজার গড়ে তোলা এবং ভোক্তাদের আস্থা অর্জনে অবদানের জন্য দীর্ঘদিনের ডিলার ও পরিবেশক অংশীদারদের সম্মানিত করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপি অয়েল মিলস-এর নেতৃত্ব ভবিষ্যতের জন্য একটি স্পষ্ট বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেন, যেখানে সম্প্রসারণ কৌশলের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে হাতি মার্কাকে। এই রোডম্যাপের মূল দিক ছিল বিতরণ ব্যবস্থা আরও মজবুত করা, নতুন বাজারে প্রবেশ, ব্র্যান্ডের উপস্থিতি বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক ভোজ্য তেলের বাজারে ভোক্তাদের বিশ্বাস আরও জোরদার করা।

 

যদিও বিপি অয়েল মিলস একাধিক বিভাগে নানা পণ্যের সঙ্গে কাজ করে, তবুও হাতি মার্কা তাদের ভোজ্য তেল ব্যবসার মূল ভিত্তি হিসেবে রয়ে গেছে। অন্যান্য ব্র্যান্ডের সহায়তায় একসঙ্গে এগিয়ে চলা এই পোর্টফোলিও গুণমানভিত্তিক বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টির প্রতি কোম্পানির প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে।

 

বর্তমানে একটি শক্তিশালী বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হাতি মার্কা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও পৌঁছে যাচ্ছে, যা বিপি অয়েল মিলস-এর ঐতিহ্য ও বিশ্বাসকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আরও বিস্তৃত করছে।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপি অয়েল মিলস লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভরত ভগৎ উদ্দেশ্যনিষ্ঠা, সততা ও ভবিষ্যতমুখী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে হাতি মার্কার মতো ঐতিহ্যবাহী ব্র্যান্ডকে লালন করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

 

প্রেসিডেন্ট রাঘব ভগৎ ব্র্যান্ড ও পরিবেশকদের মধ্যে দৃঢ় অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার কথা বলেন।

 

সিটিও উদ্ধব ভগৎ জানান, কীভাবে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা আস্থাকে অক্ষুণ্ণ রেখে কোম্পানির কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করছে। অন্যদিকে, হেড অফ মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনস রাজেশ কুমার হাতি মার্কার ঐতিহ্য এবং ভোক্তাদের সঙ্গে এর আবেগগত সংযোগ আরও গভীর করতে ধারাবাহিক ও অর্থবহ গল্প বলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

পরম্পরা ও প্রগতির দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে, হাতি মার্কার এই যাত্রা বিপি অয়েল মিলস-এর সেই বিশ্বাসকেই তুলে ধরে—যে প্রকৃত অগ্রগতি সবসময় বিশ্বাসের দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে হাতি মার্কা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঐতিহ্য, গুণমান ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে এগিয়ে চলেছে, যাতে আগামী প্রজন্মের জন্যও এটি একটি বিশ্বস্ত পছন্দ হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রাখতে পারে।

জোড়াসাঁকোর নোপানি হাইস্কুলে সরস্বতী পুজো, প্রাক্তনী ও পড়ুয়াদের মিলনমেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

News Hungama:

 

কলকাতার জোড়াসাঁকো অঞ্চলে অবস্থিত ৭২ বছরের পুরনো স্কুল নোপানি হাইস্কুলে ভক্তি ও উৎসবের আবহে উদযাপিত হল সরস্বতী পুজো। বিদ্যার দেবী মা সরস্বতীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রজন্মের ছোট ছোট খুদে পড়ুয়ারা মা সরস্বতীর বন্দনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে। পরে নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় তারা। শিশুদের নিষ্পাপ পরিবেশনা দর্শকদের মন কেড়ে নেয়।

সরস্বতী পুজোর আর এক বিশেষ দিক ছিল বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের উপস্থিতি। দেশ-বিদেশে কর্মরত বহু প্রাক্তনী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বর্তমান প্রজন্মের পড়ুয়াদের উৎসাহিত করেন। এতে করে বিদ্যালয়ে এক আবেগঘন প্রাক্তনী–বর্তমান মিলনমেলা তৈরি হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিব্যেন্দু সেন শর্মা জানান, “আমাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র পুজো উদযাপন নয়। ছেলে মেয়েরা যাতে সঠিক পথে নিজেদের পরিচালিত করতে পারে এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, সেই লক্ষ্যেই মা সরস্বতীর বন্দনার মাধ্যমে তাদের মধ্যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, সরস্বতী পুজোর মতো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো সম্ভব। সব মিলিয়ে, নোপানি হাইস্কুলের সরস্বতী পুজো হয়ে উঠল শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আদর্শ গঠনের এক সুন্দর নিদর্শন।

এদিন দ্বাদশ শ্রেনী পাস আউট পড়ুয়াদের ফেয়ারওয়েল দেওয়া হয়।

আগামী ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত হতে চলেছে ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬

News Hungama:

ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬, যা আগামী ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত নিউ দিল্লির দ্বারকার যশোভূমিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, এই সম্মেলনের থিম হলো “ইলেক্ট্রিফাইং গ্রোথ। এমপাওয়ারিং সাসটেইনবলিটি। কানেক্টিং গ্লোবালি” অর্থাৎ “প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল করা। টেকসই উন্নয়নকে শক্তিশালী করা। বিশ্বজুড়ে সংযোগ স্থাপন করা”। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে এই সম্মেলনটি বিশ্বব্যাপী নীতি-নির্ধারক, শিল্প খাতের নেতৃবৃন্দ, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, বিনিয়োগকারী এবং বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করবে, যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ, সংরক্ষণ এবং স্মার্ট ব্যবহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আশা করা হচ্ছে যে, এই সম্মেলনে ৫০টিরও বেশি উচ্চ-পর্যায়ের অধিবেশন, ৩০০ জনেরও বেশি বক্তা, ১,০০০ জন প্রতিনিধি, ৫০০-এর বেশি প্রদর্শক এবং ২৫,০০০-এরও বেশি দর্শক সমাগম ঘটবে, যা এটিকে বিদ্যুৎ খাতের অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত করবে। ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬ হলো বিদ্যুৎ মন্ত্রক এবং শিল্প খাতের একটি সম্মিলিত উদ্যোগ এবং পাওয়ারগ্রিড (নোডাল), এনটিপিসি, পিএফসি, আরইসি এবং এনএইচপিসি-র যৌথ সহযোগিতায় ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল (ইইপিসি ইন্ডিয়া) এটির সমন্বয় সাধন করছে।

সম্মেলনটির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬ কর্তৃপক্ষ ২১শে জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে কলকাতায় একটি স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট ও রোডশোও আয়োজন করেছিল, যেখানে বিদ্যুৎ খাতের প্রধান পিএসইউগুলি এবং শিল্প সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সমবেত হয়েছিলেন। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল ভারতের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিশদ ধারণা বিনিময় করা এবং দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ খাত বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ তুলে ধরা। পশ্চিমবঙ্গ স্টেট ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WBSEDCL) এবং দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (DVC)-এর প্রতিনিধিরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।