Thursday, July 2, 2026
Home Blog

মণিপাল হসপিটালস কলকাতায় রোবোটিক সিমুলেশন ওয়ার্কশপ

News Hungama:

কলকাতা, ৩০ জুন, ২০২৬: আধুনিক চিকিৎসার নতুন দিগন্তকে সামনে রেখে মণিপাল হসপিটালস কলকাতা আজ আয়োজন করল একটি বিশেষ রোবোটিক সিমুলেশন ওয়ার্কশপ । চিকিৎসা, প্রযুক্তি এবং শিক্ষাক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা রোবোটিক-সহায়ক অস্ত্রোপচারের অভিজ্ঞতা কাছ থেকে জানার সুযোগ পান। “The Future is Here – with Robotic Surgery at Manipal Hospitals” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে দেখানো হয়, কীভাবে আধুনিক রোবোটিক প্রযুক্তি সার্জনদের আরও নিখুঁতভাবে জটিল অস্ত্রোপচার করতে সাহায্য করছে এবং বিভিন্ন বিভাগে রোগীদের আরও ভালো চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত ভাষণ দেন ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল ডিরেক্টর মণিপাল হসপিটাল ইস্ট। এরপর প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে সংবর্ধনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর (ডা.) দিলীপ কুমার প্রতিহার, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, আইআইটি খড়্গপুর এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর (ডা.) সুশ্মিতা মিত্র।

রোবোটিক প্রযুক্তির চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ডা. কুনাল সরকার, ডিরেক্টর – কার্ডিওভাসকুলার অ্যান্ড থোরাসিক সার্জারি, মণিপাল হসপিটাল, মুকুন্দপুর ক্লাস্টার, হৃদরোগ, বক্ষরোগ ও জেনারেল সার্জারিতে রোবোটিক সার্জারির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। ডা. সৌরভ দত্ত, ডিরেক্টর – মণিপাল কমপ্রিহেনসিভ ক্যান্সার কেয়ার, মণিপাল হসপিটাল – মুকুন্দপুর, সল্ট লেক ও শিলিগুড়ি ক্লাস্টার, ক্যানসার অস্ত্রোপচারে রোবোটিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও অর্থোপেডিক্স নিয়ে ডা. বিকাশ কাপুর, ইউরোলজি ও ইউরো-অঙ্কোলজি নিয়ে ডা. অভয় কুমার এবং গাইনোকোলজি নিয়ে ডা. অরুণাভ রায় তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

এই অনুষ্ঠানে মণিপাল হসপিটাল সল্ট লেক ক্লাস্টার এর নতুন রোবোটিক সার্জনদের দলকেও পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এই দলে রয়েছেন ডা. দেবকুমার রায়, ডা. অভিনিবেশ চট্টোপাধ্যায়, ডা. অভিষেক ভৌমিক, ডা. পলি চট্টোপাধ্যায়, ডা. অরিজিৎ সিংহ মহাপাত্র এবং ডা. সুজয় চট্টোপাধ্যায়। তাঁরা বিভিন্ন বিভাগে রোবোটিক-সহায়ক অস্ত্রোপচারের নেতৃত্ব দেন।

নিজের বক্তব্যে প্রফেসর (ডা.) দিলীপ কুমার প্রতিহার বলেন, “রোবোটিক প্রযুক্তি এবং আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আমি জানতে পেরেছি, কীভাবে ভেলিস, দা ভিঞ্চি এক্সআই, রোসা এবং ম্যাকো -এর মতো রোবোটিক সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচারে আরও নিখুঁতভাবে কাজ করতে সাহায্য করছে। চিকিৎসা ও প্রযুক্তির এই মিল ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ, কম কষ্টের এবং রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”

প্রফেসর (ডা.) সুশ্মিতা মিত্র বলেন, “চিকিৎসা এবং প্রযুক্তির একসঙ্গে কাজ করার মধ্যেই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য পরিষেবা লুকিয়ে আছে। এআই এবং রোবোটিক্স চিকিৎসকদের জায়গা নেবে না, বরং তাঁদের আরও নিখুঁতভাবে কাজ করতে সাহায্য করবে, যাতে রোগীরা আরও ভালো চিকিৎসা ও দ্রুত সুস্থ হওয়ার সুযোগ পান। তবে এই প্রযুক্তির ব্যবহার সবসময় মানবিকতা, নৈতিকতা এবং চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত থাকা প্রয়োজন। চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রযুক্তিবিদদের এক মঞ্চে এনে মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমি মণিপাল হসপিটালসকে অভিনন্দন জানাই।”

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল রোবোটিক সিমুলেশন ল্যাব, যার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি। সেখানে উপস্থিত অতিথি এবং অংশগ্রহণকারীরা ম্যাকো, ভেলিস, রোসা এবং দা ভিঞ্চি রোবোটিক সিস্টেমগুলি কাছ থেকে দেখেন। অর্থোপেডিক্সে ম্যাকো (স্ট্রাইকার), ভেলিস (ডিপুই সিন্থেস) এবং রোসা (জিমার বায়োমেট) প্রযুক্তি জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট অস্ত্রোপচারকে আরও নিখুঁত ও রোগীভিত্তিক করতে সাহায্য করছে। অন্যদিকে দা ভিঞ্চি এক্সআই বিভিন্ন বিভাগের মিনিমালি ইনভেসিভ অস্ত্রোপচারে সার্জনদের আরও ভালো নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীদের উন্নত ফলাফল নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে। এই প্রদর্শনীতে দেখানো হয়, কীভাবে রোবোটিক প্রযুক্তি চিকিৎসাকে আরও নিখুঁত, কার্যকর এবং রোগীকেন্দ্রিক করে তুলছে।

ক্যানসারের অস্ত্রোপচারে রোবোটিক প্রযুক্তির গুরুত্ব নিয়ে ডা. সৌরভ দত্ত বলেন, “রোবোটিক প্রযুক্তি ক্যানসারের জটিল অস্ত্রোপচারকে আরও নিখুঁত ও নিরাপদ করে তুলছে। শরীরের এমন অংশেও সহজে অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হচ্ছে, যেখানে আগে তা কঠিন ছিল। এর ফলে রক্তক্ষরণ কম হয়, অস্ত্রোপচারের পর ব্যথা কম থাকে এবং রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। আধুনিক রোবোটিক প্রযুক্তি এবং দক্ষ চিকিৎসকদের মাধ্যমে আমরা ক্যানসার রোগীদের আরও ভালো চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

অর্থোপেডিক্সে রোবোটিক প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে ডা. বিকাশ কাপুর বলেন, “রোবোটিক-সহায়ক অর্থোপেডিক সার্জারির ফলে জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট অস্ত্রোপচার আরও নিখুঁতভাবে করা সম্ভব হচ্ছে। এতে রোগীরা কম ব্যথা অনুভব করেন, দ্রুত হাঁটাচলা শুরু করতে পারেন এবং দীর্ঘমেয়াদে ভালো ফল পান। গত দুই বছরে মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস -এ ১,৫০০-রও বেশি রোবোটিক হাঁটু প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার করেছি। এই অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা রোগীদের জন্য কতটা উপকারী।”

গাইনোকোলজিক্যাল অস্ত্রোপচারে রোবোটিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে ডা. অভিনিবেশ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রোবোটিক-সহায়ক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জটিল গাইনোকোলজিক্যাল অপারেশন আরও নিখুঁতভাবে করা সম্ভব হচ্ছে। এতে সার্জনরা আরও ভালোভাবে দেখতে এবং নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন। মিনিমালি ইনভেসিভ পদ্ধতির কারণে অস্ত্রোপচারের কষ্ট কম হয়, রোগীরা দ্রুত সুস্থ হন এবং তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়।”

এই ওয়ার্কশপে লাইভ ডেমোনস্ট্রেশন, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা এবং হাতে-কলমে সিমুলেশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা রোবোটিক সার্জারির আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ পান। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস আবারও জানিয়ে দিল, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিকে মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং নিখুঁত ও উন্নত অস্ত্রোপচারের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

প্রেস ক্লাব কলকাতার সাংবাদিকদের প্রেস প্রিভিলেজ সার্কেল কার্ড প্রদান করল বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা 

News Hungama:

 

কলকাতা (১ জুলাই ‘২৬):- “সাংবাদিকদের এমনভাবে কাজ করা উচিত যাতে সত্তারূঢ় রাজনৈতিক দল পরিবর্তন হলেও অসুবিধায় পড়তে না হয়,” জাতীয় চিকিৎসক দিবসে বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জৈবপ্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক্স, খাদ্য প্রক্রিয়া করণ শিল্প ও ওষুধ প্রস্তুত বিভাগের মন্ত্রী অধ্যাপক ডঃ কল্যাণ চক্রবর্তী এই কথা বলেন।

 

‘নেফ্রোকেয়ার ইণ্ডিয়া লিমিটেড’, ‘সম্পূর্ণা ওমেন কেয়ার অ্যাণ্ড আইভিএফ’ ও ‘ভিভাসিটি মাল্টিস্পেশিয়ালিটি হসপিটাল’-এর যৌথ আয়োজন ‘প্রেস ক্লাব কলকাতা’-র সাংবাদিকদের জন্য ‘প্রেস প্রিভিলেজ সার্কেল কার্ড’-এর আবরণ উন্মোচন তথা ‘প্রেস ক্লাব কলকাতা’-র হাতে অর্পণ করার পর নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী এই কথা বলেন।

 

মন্ত্রী যখন সাংবাদিকদের উদ্দেশে এই কথা বলছিলেন তখন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ‘নেফ্রোকেয়ার ইণ্ডিয়া লিমিটেড’-এর প্রতিষ্ঠাতা তথা ব্যবস্থাপক নির্দেশক ডাঃ প্রতিম সেনগুপ্ত, ‘সম্পূর্ণা ওমেন কেয়ার অ্যাণ্ড আইভিএফ সেন্টার’-এর প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ সুতপা সেন সহ ‘প্রেস ক্লাব কলকাতা’-র সচিব নিতাই মালাকার।

ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে হয়েগেলো সাধারণ সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন

News Hungama:

পয়লা জুলাই ২০২৬ কলকাতা সেন্ট্রাল মেট্রো সংলগ্ন নলিনী গুহ সভাগৃহে কলকাতা লাইভ ব্যান্ড অর্গানাইজার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সাধারণ সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো । সংস্থার সভাপতি বাদল সরকার ও স্রষ্টা কুমারেশ ঘোষ , এডভাইজার আইনজীবী অসীম কর্মকার মহাশয় সহ কার্যকরী সমিতির আবেদন – আমরা ৪০-৫০ বছর ধরে কলকাতার তথা বাংলার বুকে বিভিন্ন হোটেলে সন্ধ্যায় সংগীত নৃত্য পরিবেশনে সকলকে আনন্দ দিয়ে ।সকলে খুশির বিনিময় সামান্য অর্থ সাহায্যতে হোটেল মালিক ও ২৫ থেকে ৪০ জন পর্যন্ত কলাকুশলীদের পারিশ্রমিক উপার্জন করি । এই প্রেক্ষাপট থেকেই বাংলা তথা ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিল্পী এক সময় পারফরম্যান্স করতেন এবং আমরা যারা এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করি আমাদের ব্যান্ড লিডার নামে সমাজে পরিচিত। কিন্তু সরকারিভাবে আমাদের কোন স্বীকৃতি নেই। আমাদের এই অ্যাসোসিয়েশন তিন বছর সরকারি নথিভূক্ত হয়েছে বর্তমান সরকারের কাছে বিনম্র অনুরোধ আমাদের স্বীকৃতি দেওয়া হোক যাতে আমরা সুষ্ঠু সুন্দর ও সভ্যতার সঙ্গে মাথা তুলে এই প্রচেষ্টাকে চালিয়ে যেতে পারি। আমাদের সংস্থায় এই মুহূর্তে ১৫০ ব্যান্ড লিডার এবং প্রত্যেক ব্যান্ড লিডারের সদস্য কলা কৌশলী প্রায় ২৫ থেকে ৪০ জন প্রত্যেকেরই পরিবার নির্ভর করে এখান থেকে। মালিকপক্ষ ও সমস্ত কলাকুশলী সরকারি নথিভুক্ত অতএব আমাদের ও সরকারি স্বীকৃতি মনজুর করা হোক। সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন আজকের সভাধিপতি কৈলাশ গুপ্ত মহাশয় জাতীয় সঙ্গীত “জন গণ মনো” দিয়ে।

কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে পালন করা হলো রক্তদান শিবির

News Hungama:

কলকাতা ২৪ জানুয়ারী ২০২৬:কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে নেতাজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রক্তদান উৎসব পালন করা হল। মাননীয় সমাজ সেবক বাবুন ব্যানার্জির উদ্যোগে ২হাজারের বেশি মানুষ এই শিবিরে রক্তদান করেন। এই রক্তদানকে সাফল্যমন্ডিত করে তুলতে এবং মানুষকে উৎসাহ দিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি এবং রাজ্যসভা্র সাংসদ সুব্রত বক্সি মহাশয়

রাজনীতিবিদ জয়প্রকাশ মজুমদার, সঞ্জয় বক্সী সমাজসেবী অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফুটবলার দিব্যেন্দু বিশ্বাস,রহিম নবীর এবং সঞ্জয় মাঝি, বিশিষ্ট ডাক্তার সুদীপ্ত রায় চৌধুরী, বক্সার আলি কামার ও রাজনৈতিক এবং সামাজিক ব্যক্তিত্বরা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ এই রক্ত দানের জন্য হাজির হন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। ১৯৯৮ সালে মাত্র ৫০৪ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে নিয়ে যে উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল, আজ তা রূপ নিয়েছে এক বৃহৎ সামাজিক আন্দোলনে।এই রক্তদান শিবিরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল এর সার্বজনীন চরিত্র। ধর্ম, জাতি কিংবা ভাষার বিভাজন ছাপিয়ে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান—সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই মানবতার ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়। এবারে কলকাতা এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রক্তদাতারা এসে উপস্থিত হন নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে। বাদ যায়নি দেশের সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও। যেহেতু সারা বছরই রক্তের প্রয়োজন রয়েছে তাই বাবুন ব্যানার্জীর উদ্যোগে এই শিবিরের মাধ্যমে যে রক্ত সংগ্রহ করা হয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত প্রয়োজনে সে রক্ত পেয়ে থাকে। আপামর জনসাধারণ সে কথা স্বীকার করেছেন। যে সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রক্তদানে উপস্থিত ছিলেন তারাও জানান রক্তের প্রয়োজনীয়তার কত মাথায় রেখে কিভাবে বাবুন ব্যানার্জি রক্তের দানের মাধ্যমে এক মানব আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। যা সামগ্রিক ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে যেমন তার প্রতি আশা জাগিয়েছে এবং সমাজসেবার এক নয়া নিদর্শন তুলে ধরেছেন। তাই রাজ্যের বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিরাও এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রত্যেক উৎসাহ দিয়ে গেছেন।

বিশ্বাসের শতাধিক বছর উদযাপনে বিপি অয়েল মিলস-এর কেন্দ্রে হাতি মার্কা

News Hungama:

 

কলকাতায় অনুষ্ঠিত ডিলার মিটে হাতি মার্কার ঐতিহ্য, অংশীদারদের আস্থা এবং ঐতিহ্য ও উদ্ভাবনের ভিত্তিতে বিপি অয়েল মিলসের ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে।

 

কলকাতা, ২১ জানুয়ারি ২০২৬: আজকের দিনে ভোক্তারা যখন বিশ্বাসযোগ্য ও খাঁটি ব্র্যান্ড বেছে নিচ্ছেন, তখন হাতি মার্কা ভারতীয় রান্নাঘরে ভরসার এক পরিচিত নাম হিসেবে আরও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। বিপি অয়েল মিলস-এর ঐতিহাসিক ডিলার মিটে এই বিশ্বাসের ঐতিহ্য উদযাপন করা হয়। “পরম্পরা ও প্রগতি” থিমে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ভোজ্য তেল শিল্পে কোম্পানির ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের যাত্রা ও অবদান তুলে ধরা হয়।

 

বহু প্রজন্ম ধরে হাতি মার্কা শুধু একটি ভোজ্য তেলের ব্র্যান্ড নয়—এটি বিশুদ্ধতা, শক্তি ও নির্ভরযোগ্য মানের প্রতীক। পারিবারিক রান্না হোক বা প্রতিদিনের খাবার, বছরের পর বছর ধরে একই মান বজায় রেখে হাতি মার্কা বিপি অয়েল মিলস-এর অন্যতম বিশ্বস্ত ও পরিচিত পণ্যে পরিণত হয়েছে।

 

১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কলকাতার হোটেল হলিডে ইন-এ আয়োজিত ডিলার মিটে বিপি অয়েল মিলস-এর বিকাশে হাতি মার্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে দেখানো হয়, কীভাবে ব্র্যান্ডটি তার মূল মূল্যবোধ অটুট রেখে ভোক্তাদের বদলে যাওয়া চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী বাজার গড়ে তোলা এবং ভোক্তাদের আস্থা অর্জনে অবদানের জন্য দীর্ঘদিনের ডিলার ও পরিবেশক অংশীদারদের সম্মানিত করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপি অয়েল মিলস-এর নেতৃত্ব ভবিষ্যতের জন্য একটি স্পষ্ট বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেন, যেখানে সম্প্রসারণ কৌশলের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে হাতি মার্কাকে। এই রোডম্যাপের মূল দিক ছিল বিতরণ ব্যবস্থা আরও মজবুত করা, নতুন বাজারে প্রবেশ, ব্র্যান্ডের উপস্থিতি বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক ভোজ্য তেলের বাজারে ভোক্তাদের বিশ্বাস আরও জোরদার করা।

 

যদিও বিপি অয়েল মিলস একাধিক বিভাগে নানা পণ্যের সঙ্গে কাজ করে, তবুও হাতি মার্কা তাদের ভোজ্য তেল ব্যবসার মূল ভিত্তি হিসেবে রয়ে গেছে। অন্যান্য ব্র্যান্ডের সহায়তায় একসঙ্গে এগিয়ে চলা এই পোর্টফোলিও গুণমানভিত্তিক বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টির প্রতি কোম্পানির প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে।

 

বর্তমানে একটি শক্তিশালী বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হাতি মার্কা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও পৌঁছে যাচ্ছে, যা বিপি অয়েল মিলস-এর ঐতিহ্য ও বিশ্বাসকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আরও বিস্তৃত করছে।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপি অয়েল মিলস লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভরত ভগৎ উদ্দেশ্যনিষ্ঠা, সততা ও ভবিষ্যতমুখী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে হাতি মার্কার মতো ঐতিহ্যবাহী ব্র্যান্ডকে লালন করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

 

প্রেসিডেন্ট রাঘব ভগৎ ব্র্যান্ড ও পরিবেশকদের মধ্যে দৃঢ় অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার কথা বলেন।

 

সিটিও উদ্ধব ভগৎ জানান, কীভাবে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা আস্থাকে অক্ষুণ্ণ রেখে কোম্পানির কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করছে। অন্যদিকে, হেড অফ মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনস রাজেশ কুমার হাতি মার্কার ঐতিহ্য এবং ভোক্তাদের সঙ্গে এর আবেগগত সংযোগ আরও গভীর করতে ধারাবাহিক ও অর্থবহ গল্প বলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

পরম্পরা ও প্রগতির দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে, হাতি মার্কার এই যাত্রা বিপি অয়েল মিলস-এর সেই বিশ্বাসকেই তুলে ধরে—যে প্রকৃত অগ্রগতি সবসময় বিশ্বাসের দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে হাতি মার্কা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঐতিহ্য, গুণমান ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে এগিয়ে চলেছে, যাতে আগামী প্রজন্মের জন্যও এটি একটি বিশ্বস্ত পছন্দ হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রাখতে পারে।

জোড়াসাঁকোর নোপানি হাইস্কুলে সরস্বতী পুজো, প্রাক্তনী ও পড়ুয়াদের মিলনমেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

News Hungama:

 

কলকাতার জোড়াসাঁকো অঞ্চলে অবস্থিত ৭২ বছরের পুরনো স্কুল নোপানি হাইস্কুলে ভক্তি ও উৎসবের আবহে উদযাপিত হল সরস্বতী পুজো। বিদ্যার দেবী মা সরস্বতীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রজন্মের ছোট ছোট খুদে পড়ুয়ারা মা সরস্বতীর বন্দনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে। পরে নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় তারা। শিশুদের নিষ্পাপ পরিবেশনা দর্শকদের মন কেড়ে নেয়।

সরস্বতী পুজোর আর এক বিশেষ দিক ছিল বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের উপস্থিতি। দেশ-বিদেশে কর্মরত বহু প্রাক্তনী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বর্তমান প্রজন্মের পড়ুয়াদের উৎসাহিত করেন। এতে করে বিদ্যালয়ে এক আবেগঘন প্রাক্তনী–বর্তমান মিলনমেলা তৈরি হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিব্যেন্দু সেন শর্মা জানান, “আমাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র পুজো উদযাপন নয়। ছেলে মেয়েরা যাতে সঠিক পথে নিজেদের পরিচালিত করতে পারে এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, সেই লক্ষ্যেই মা সরস্বতীর বন্দনার মাধ্যমে তাদের মধ্যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, সরস্বতী পুজোর মতো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো সম্ভব। সব মিলিয়ে, নোপানি হাইস্কুলের সরস্বতী পুজো হয়ে উঠল শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আদর্শ গঠনের এক সুন্দর নিদর্শন।

এদিন দ্বাদশ শ্রেনী পাস আউট পড়ুয়াদের ফেয়ারওয়েল দেওয়া হয়।

আগামী ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত হতে চলেছে ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬

News Hungama:

ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬, যা আগামী ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত নিউ দিল্লির দ্বারকার যশোভূমিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, এই সম্মেলনের থিম হলো “ইলেক্ট্রিফাইং গ্রোথ। এমপাওয়ারিং সাসটেইনবলিটি। কানেক্টিং গ্লোবালি” অর্থাৎ “প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল করা। টেকসই উন্নয়নকে শক্তিশালী করা। বিশ্বজুড়ে সংযোগ স্থাপন করা”। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে এই সম্মেলনটি বিশ্বব্যাপী নীতি-নির্ধারক, শিল্প খাতের নেতৃবৃন্দ, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, বিনিয়োগকারী এবং বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করবে, যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ, সংরক্ষণ এবং স্মার্ট ব্যবহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আশা করা হচ্ছে যে, এই সম্মেলনে ৫০টিরও বেশি উচ্চ-পর্যায়ের অধিবেশন, ৩০০ জনেরও বেশি বক্তা, ১,০০০ জন প্রতিনিধি, ৫০০-এর বেশি প্রদর্শক এবং ২৫,০০০-এরও বেশি দর্শক সমাগম ঘটবে, যা এটিকে বিদ্যুৎ খাতের অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত করবে। ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬ হলো বিদ্যুৎ মন্ত্রক এবং শিল্প খাতের একটি সম্মিলিত উদ্যোগ এবং পাওয়ারগ্রিড (নোডাল), এনটিপিসি, পিএফসি, আরইসি এবং এনএইচপিসি-র যৌথ সহযোগিতায় ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল (ইইপিসি ইন্ডিয়া) এটির সমন্বয় সাধন করছে।

সম্মেলনটির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬ কর্তৃপক্ষ ২১শে জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে কলকাতায় একটি স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট ও রোডশোও আয়োজন করেছিল, যেখানে বিদ্যুৎ খাতের প্রধান পিএসইউগুলি এবং শিল্প সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সমবেত হয়েছিলেন। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল ভারতের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিশদ ধারণা বিনিময় করা এবং দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ খাত বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ তুলে ধরা। পশ্চিমবঙ্গ স্টেট ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WBSEDCL) এবং দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (DVC)-এর প্রতিনিধিরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৯৮ থেকে মানবতার উৎসব: কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশনের রক্তদান শিবিরে হাজারো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

News Hungama:

কলকাতা:

মানবতার সেবায় দীর্ঘ ২৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন যাত্রায় এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশন। ১৯৯৮ সালে মাত্র ৫০৪ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে নিয়ে যে উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল, আজ তা রূপ নিয়েছে এক বৃহৎ সামাজিক আন্দোলনে। বর্তমানে তাদের প্রতিটি রক্তদান শিবিরে অংশ নেন গড়ে দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ।

ক্লাব সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রতি বছর ২৩ জানুয়ারি এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হলেও চলতি বছরে বিশেষ কারণে ২৪ জানুয়ারি আরও বৃহৎ পরিসরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। শুক্রবার কলকাতার ক্যালকাটা স্পোর্টস জার্নালিস্টস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানান কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বাবুন ব্যানার্জি। তিনি জানান, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে স্বেচ্ছা রক্তদাতারা এই শিবিরে অংশ নেবেন।

এই রক্তদান শিবিরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল এর সার্বজনীন চরিত্র। ধর্ম, জাতি কিংবা ভাষার বিভাজন ছাপিয়ে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান—সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই মানবতার ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, রক্তদানের বিনিময়ে কোনও উপহার, মেডেল কিংবা আর্থিক প্রলোভন দেওয়া হয় না। শুধুমাত্র একটি সার্টিফিকেট ও সামান্য আপ্যায়নের মাধ্যমেই দায়িত্ব সম্পন্ন করা হয়। কারণ, ভালোবাসা ও মানবিক দায়বদ্ধতাকেই এই আন্দোলনের একমাত্র প্রেরণা হিসেবে বিশ্বাস করে সংগঠনটি।

এই বছর রক্ত সংগ্রহের জন্য রাজ্যের নামী সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের মোট ১২টি বিভাগের চিকিৎসক দল উপস্থিত থাকবে। রুবি জেনারেল হাসপাতাল, লাইফ কেয়ার, কেস কেবিন, আরএন টেগোর-সহ একাধিক স্বনামধন্য হাসপাতাল এই কর্মসূচিতে যুক্ত থাকছে বলে জানানো হয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে ক্রীড়া ও সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন উইং ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি শুভাশিস মুখার্জি, কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বাবুন ব্যানার্জি, প্রাক্তন ফুটবলার মানস ভট্টাচার্য, প্রাক্তন রঞ্জি অধিনায়ক সম্বরণ ব্যানার্জি, আইএফএ সভাপতি অজিত ব্যানার্জি সহ আরও অনেকে। বক্তারা একযোগে বলেন, এই রক্তদান শিবির শুধুমাত্র একটি কর্মসূচি নয়, এটি দীর্ঘদিন ধরে চলা এক মানবিক আন্দোলন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে এই উদ্যোগের ব্যাপক প্রচারের আবেদন জানিয়ে বক্তারা বলেন, এর মাধ্যমে আরও বেশি মানুষ স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসবেন।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করে আয়োজকরা জানান—

“কত অজানারে জানাইলে তুমি, কত ঘরে দিলে ঠাঁই।”

এই মানবিক দর্শনকে সামনে রেখেই ভবিষ্যতেও রক্তদান আন্দোলনকে আরও বৃহৎ পরিসরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার গ্রহণ করেছে কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠিত হলো ‘তৃতীয় শতরঞ্জ কে হিরোজ’

  • News Hungama:

কলকাতা: রাজ্যের দাবা জগতের কৃতী খেলোয়াড় ও প্রবীণ দাবা ব্যক্তিত্বদের সম্মান জানাতে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী দ্য বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্সে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘তৃতীয় শতরঞ্জ কে হিরোজ’ অনুষ্ঠান। সারা বাংলা দাবা সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন ভারতের প্রখ্যাত দাবাড়ু ও গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বরুয়া।

আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৪–২৫ মরশুমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করা পশ্চিমবঙ্গের গ্র্যান্ডমাস্টার, ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার, কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়ন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পদকজয়ী খেলোয়াড়দের পাশাপাশি প্রবীণ দাবা সংগঠক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের এই অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে দাবা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থেকে যাঁরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন, তাঁদের অবদানও এই মঞ্চে সম্মানের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া, আইন ও সমাজজগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৌশিক চৌধুরী, গ্র্যান্ডমাস্টার সূর্য সাহা ও দিপ্তায়ন ঘোষ, বিধায়ক দেবাশীষ কুমার, বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট চন্দন রায়চৌধুরী, প্রখ্যাত ফুটবলার মেহতাব হুসেন ও দিব্যেন্দু বিশ্বাস। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের মর্যাদা ও গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়।

সারা বাংলা দাবা সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, রাজ্যে দাবার প্রসার ঘটানো এবং নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। কৃতী খেলোয়াড়দের সাফল্যের গল্প নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার মাধ্যমে ভবিষ্যতের দাবা প্রতিভাদের এগিয়ে চলার পথে উৎসাহ জোগানোই এই অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য বলে জানান

প্রজাতন্ত্র দিবসে বাবু কালচার জাতি গঠনে অবদান রাখা এক প্রজন্মকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে

News Hungama:

এই প্রজাতন্ত্র দিবসে, বাবু কালচার স্মরণ ও শ্রদ্ধাকে কেন্দ্র করে একটি আন্তরিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করছে।

২৩শে থেকে ২৬শে জানুয়ারি পর্যন্ত, ১৯৫০ সালের আগে জন্মগ্রহণকারী অতিথিদের—যারা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং প্রাথমিক জাতি গঠনের বছরগুলোর সাক্ষী—দেশের গঠনে তাঁদের ভূমিকার প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি বিশেষ থালি বিনামূল্যে পরিবেশন করা হবে।

এই উদ্যোগটি বাবু কালচারের সমস্ত আউটলেটে পালন করা হচ্ছে এবং এর সাথে থাকছে ভারতীয় ও বাঙালি রন্ধন ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটানো বিভিন্ন পদ।