Tuesday, February 3, 2026
Home Blog

১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করল বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি

News Hungama:

কলকাতা, ২ ফেব্রুয়ারি:

ভারতের অন্যতম প্রাচীন বাণিজ্যিক সংগঠন Bengal National Chamber of Commerce & Industry (BNCCI)–এর ১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল। কলকাতার ২৩, আর. এন. মুখার্জি রোডে অবস্থিত BNCCI হাউস–এ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের সদস্যবৃন্দ ও বিশিষ্ট অতিথিরা।

 

১৮৮৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতীয় উদ্যোগপতিদের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের ইতিহাস ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিশিষ্ট বাঙালি জমিদার ও শিল্পপতিরা। পরবর্তীকালে মারোয়ারি ও গুজরাটি উদ্যোক্তারাও এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৮৮৭ সালে চেম্বারের প্রথম সভাপতি ছিলেন রাই বুদ্ধ্রী দাস মুক্কিম বাহাদুর। এছাড়াও রাজা সিউ বক্স বাগলা, কাশিমবাজার রাজ পরিবারের মহারাজা মনীন্দ্রচন্দ্র নন্দী, নলিনী রঞ্জন সরকার, অমৃতলাল ওঝার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা এই চেম্বারের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

 

অনুষ্ঠানে BNCCI–র সভাপতি শ্রী অশোক কুমার বণিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, প্রতি বছর প্রতিষ্ঠা দিবসে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মানিত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন

ড. ডোমিনিক সাভিও, প্রিন্সিপাল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (অটোনোমাস), কলকাতা এবং

শ্রী কুশল চৌধুরী, সেক্রেটারি, দক্ষিণেশ্বর কালী টেম্পল ট্রাস্ট।

 

এছাড়াও সম্মানীয় অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন বিশিষ্ট পরিবেশবিদ শ্রী সুভাষ দত্ত। অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রত্যেককে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

এই উপলক্ষে ডাইরেক্টর ও চেয়ারম্যান এবং ফরেন ট্রেড স্ট্যান্ডিং কমিউনিটি ঋত্বিক দাস ও বিশিষ্ট শিল্পপতি কুনাল শাহ সংবাদ মাধ্যমের সামনে BNCCI–র গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পোন্নয়নে চেম্বারের অবদানের কথা তুলে ধরেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রী সৌমিক দত্ত( ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রিজিওনাল হেড.AU Small Finance Bank), শ্রী সঞ্জীব কুমার( জেনারেল সেক্রেটারি সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ অ্যালুমিনি অ্যাসোসিয়েশন), শ্রী ফিরদৌস আল হাসান( ফিল্ম ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া), শ্রী শ্যামল কর্মকার( ম্যানেজিং ডাইরেক্টর S&IB-Tentative), পূর্ব প্রধান BNCCI শ্রী অরুন কুমার চন্দ্রা, শ্রী সমীর কুমার ঘোষ, শ্রীমতি বাণী রয় চৌধুরী এবং শ্রী জি পি সরকার আরও বিশিষ্ট গুণীজনেরা।

 

ঐতিহ্য, ইতিহাস ও আধুনিকতার সেতুবন্ধনে দাঁড়িয়ে BNCCI আজও দেশের বাণিজ্য ও শিল্পক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে—এমনই বার্তা উঠে আসে এই ১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে।

মন্মথপুরে স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের ১৩১তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে প্রণবানন্দের বেশে ছাত্রছাত্রীদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

0

News Hungama:

 

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্মথপুরে গভীর ভক্তি, আধ্যাত্মিক আবহ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে উদযাপিত হল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য্য শ্রীশ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের ১৩১তম আবির্ভাব দিবস। এই উপলক্ষে মন্মথপুর প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দির থেকে প্রণব মন্দির পর্যন্ত এক অভিনব ও তাৎপর্যপূর্ণ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়, যেখানে ১৩১ জন ছাত্রছাত্রী স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের বেশে সজ্জিত হয়ে অংশ নেয়।

রঙিন পোশাক, তিলক ও ঐতিহ্যবাহী সাজে সজ্জিত খুদে ছাত্রছাত্রীরা এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে একদিকে যেমন মহান সন্ন্যাসীর জীবনাদর্শকে তুলে ধরেছে, তেমনি বর্তমান যুগের অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে নৈতিক ও মানবিক শক্তির প্রয়োজনীয়তার বার্তাও দিয়েছে। শিশুদের এই সৃজনশীল ও ভাবগম্ভীর উপস্থাপনা উপস্থিত দর্শক ও ভক্তদের গভীরভাবে নাড়া দেয়।

শোভাযাত্রা শেষে প্রণব মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় একটি প্রদর্শনী। সেখানে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের দশটি বর্ণময় কর্মধারা -জনসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ত্রাণ, তীর্থসংস্কার ও মানবকল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ড চিত্র ও মডেলের মাধ্যমে তুলে ধরেন প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্রছাত্রীরা। এর মাধ্যমে শিশুদের মধ্যেই স্বামী প্রণবানন্দজীর আদর্শ ও সেবামূলক দর্শনের বীজ বপনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছেও সঙ্ঘের কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের কাছে স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের জীবন ও কর্মের সঙ্গে পরিচয় করানো এবং বর্তমান যুগের প্রয়োজন অনুযায়ী নৈতিকতা, শুদ্ধতা ও মানবিকতার প্রকৃত শক্তিকে প্রতিষ্ঠা করা। আয়োজকদের মতে, নকল ও ভোগবাদী সংস্কৃতির বিপরীতে সত্যিকারের আধ্যাত্মিক ও মানবিক মূল্যবোধই পরিবার ও সমাজকে শক্তিশালী করে তোলে।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে মন্মথপুর প্রণব মন্দির কর্তৃপক্ষ। সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক পরিবেশে রীতি মেনে শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের আগমনকে গুরুত্ব দিয়ে দেবত্বে বরণ, পূজা-আরতি ও ভোগ নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি হয়। ভক্তদের উপস্থিতিতে প্রণব মন্দির প্রাঙ্গণ এক পবিত্র ও আনন্দময় আবহে ভরে ওঠে।

মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি , স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বিধি মেনে আয়োজন করা হবে ১১তম প্রণব রথযাত্রা। ওই দিন দুপুর ২টা থেকে এই রথযাত্রা শুরু হবে, যা মন্মথপুর এলাকায় এক বৃহৎ আধ্যাত্মিক উৎসবে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের জীবনদর্শন ও সেবামূলক আদর্শকে সামনে রেখে মন্মথপুরের এই আয়োজন শুধু এক স্মরণোৎসব নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হৃদয়ে মানবসেবা ও আধ্যাত্মিকতার বীজ বপনের এক মহৎ প্রয়াস হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

ঋক জয়সওয়াল ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “ব্রিজ টু ইউথোপিয়া”-এর পোস্টার লঞ্চের মাধ্যমে এক শক্তিশালী ছাপ ফেলেছেন

News Hungama:

কলকাতা,ডিজিটাল ডেস্ক: ঋক জয়সওয়াল ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “ব্রিজ টু ইউথোপিয়া”-এর পোস্টার লঞ্চের মাধ্যমে এক শক্তিশালী ছাপ ফেলেছেন। থিয়েটার অভিনেতা থেকে চলচ্চিত্র নির্মাতা, ঋক পর্দায় কাঁচা, অসম্পূর্ণ বাস্তবতা এনেছেন এমন একটি গল্পে যা আবর্তিত হয় এক পাগলা মহিলার চারপাশে যে অপ্রত্যাশিতভাবে গর্ভবতী হয়। তার সংগ্রাম, প্রত্যাখ্যান এবং বেঁচে থাকার যাত্রা ছবির আবেগগত মূল গঠন করে।প্রবীণ অভিনেতা অনুপম খের, চলচ্চিত্র নির্মাতা সুদীপ্ত সেন এবং প্রযোজক ও ফিল্ম ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার সভাপতি রবি কোট্টাকরা কর্তৃক উন্মোচিত পোস্টারটিতে মহিলা এবং একটি শিশুকে দেখানো হয়েছে – কলকাতার মধ্যে বিদ্যমান কিন্তু খুব কমই শোনা যায় এমন ভুলে যাওয়া কণ্ঠস্বরের প্রতীক।”ব্রিজ টু ইউটোপিয়া কেবল একটি চলচ্চিত্র নয় – এটি সমাজের অশ্রুত কণ্ঠস্বর যা অন্বেষণ করা উচিত,” লঞ্চের সময় জয়সওয়াল বলেন।

“কানে পোস্টার লঞ্চ করার মাধ্যমে ছবিটি বিশ্বব্যাপী তার প্রাপ্য উপস্থিতি পেয়েছে।”*কলকাতার বস্তিতে প্রোথিত, ছবিটির কাস্টে সেই সম্প্রদায়ের শিশুরাও রয়েছে যা এটি চিত্রিত করে। মঞ্চনাটকে আসার আগে থিয়েটারে ক্যারিয়ার শুরু করা *ঋক ব্যক্তিগতভাবে এই বস্তিগুলিতে অভিনয় কর্মশালা পরিচালনা করেছিলেন, স্থানীয় প্রতিভাদের লালন-পালন করে গল্পে সত্যতা এনেছিলেন*।অভিনেতা হিসেবে বছরের পর বছর কাজ করার পর, ক্যামেরার পিছনে ঋক এর কঠোর পরিশ্রমের ফলাফল। “যাত্রা দীর্ঘ, কিন্তু এটি কঠোর পরিশ্রম এবং ঈশ্বরের আশীর্বাদ প্রাপ্ত।”ব্রিজ টু ইউটোপিয়া ইতিমধ্যেই একটি গভীর প্রতীকী এবং সামাজিকভাবে অনুরণিত অভিষেক হিসেবে গুঞ্জন তৈরি করছে – যা ঋককে ভারতীয় স্বাধীন সিনেমায় একজন সাহসী নতুন কণ্ঠস্বর হিসেবে স্থান দেয়।

গো লাইভ স্টোরি এবং ইওন ফিল্মসের সহযোগিতায় ঋক ফিল্ম প্রযোজনা “ব্রিজ টু ইউথোপিয়া”র পিছনে যাদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে তারা হলেন।গল্প, চিত্রনাট্য এবং পরিচালনা: ঋক জয়সওয়াল,প্রযোজক অর্জুন অশোক কুমার সাউ,ঋক জয়সওয়াল,মোহন দাস,সহ-প্রযোজক জনি,ডিওপি: স্বপ্নিল কর্মকার, অভিনয়ে : কৃষ্ণ যাদব, ঝিল, ঋক জয়সওয়াল, ইশা মুখার্জি, রাত্রি চৌধুরী,সুজাতা ঘোষ, অভি গুপ্ত: মিঠুন,শিল্প পরিচালক: উম্মত,সৃজনশীল সম্পাদক: মলয় মন্ডাল,শব্দ: তীর্থঙ্কর মজুমদার,সঙ্গীত কুশল ও পিজুশ,ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক: কুশল ও সোহাম রো,অনিন্দিতা বোস।

কান চলচ্চিত্র উৎসব ছাড়াও আরো বেশ কিছু পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছে এই ছবি ১.সিআইসি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (ভারতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার),২. শূন্যতম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (সেরা পরিচালক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার),৩. পেনজ্যান্স আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (সেরা অভিষেক পরিচালক),৪. পেনজেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার),৫. পেনজেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার),৬. হোহে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব জার্মানি (সেরা পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র উৎসব পুরস্কার),৭. ইয়াথাকথা চলচ্চিত্র ও সাহিত্য উৎসব (সেরা পরিচালকের পুরস্কার),৮. খাজুরাহো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব,৯. 6 ইন্টারন্যাশনাল কলকাতা শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল 2026।।

কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে পালন করা হলো রক্তদান শিবির

News Hungama:

কলকাতা ২৪ জানুয়ারী ২০২৬:কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে নেতাজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রক্তদান উৎসব পালন করা হল। মাননীয় সমাজ সেবক বাবুন ব্যানার্জির উদ্যোগে ২হাজারের বেশি মানুষ এই শিবিরে রক্তদান করেন। এই রক্তদানকে সাফল্যমন্ডিত করে তুলতে এবং মানুষকে উৎসাহ দিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি এবং রাজ্যসভা্র সাংসদ সুব্রত বক্সি মহাশয়

রাজনীতিবিদ জয়প্রকাশ মজুমদার, সঞ্জয় বক্সী সমাজসেবী অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফুটবলার দিব্যেন্দু বিশ্বাস,রহিম নবীর এবং সঞ্জয় মাঝি, বিশিষ্ট ডাক্তার সুদীপ্ত রায় চৌধুরী, বক্সার আলি কামার ও রাজনৈতিক এবং সামাজিক ব্যক্তিত্বরা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ এই রক্ত দানের জন্য হাজির হন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। ১৯৯৮ সালে মাত্র ৫০৪ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে নিয়ে যে উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল, আজ তা রূপ নিয়েছে এক বৃহৎ সামাজিক আন্দোলনে।এই রক্তদান শিবিরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল এর সার্বজনীন চরিত্র। ধর্ম, জাতি কিংবা ভাষার বিভাজন ছাপিয়ে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান—সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই মানবতার ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়। এবারে কলকাতা এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রক্তদাতারা এসে উপস্থিত হন নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে। বাদ যায়নি দেশের সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও। যেহেতু সারা বছরই রক্তের প্রয়োজন রয়েছে তাই বাবুন ব্যানার্জীর উদ্যোগে এই শিবিরের মাধ্যমে যে রক্ত সংগ্রহ করা হয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত প্রয়োজনে সে রক্ত পেয়ে থাকে। আপামর জনসাধারণ সে কথা স্বীকার করেছেন। যে সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রক্তদানে উপস্থিত ছিলেন তারাও জানান রক্তের প্রয়োজনীয়তার কত মাথায় রেখে কিভাবে বাবুন ব্যানার্জি রক্তের দানের মাধ্যমে এক মানব আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। যা সামগ্রিক ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে যেমন তার প্রতি আশা জাগিয়েছে এবং সমাজসেবার এক নয়া নিদর্শন তুলে ধরেছেন। তাই রাজ্যের বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিরাও এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রত্যেক উৎসাহ দিয়ে গেছেন।

বিশ্বাসের শতাধিক বছর উদযাপনে বিপি অয়েল মিলস-এর কেন্দ্রে হাতি মার্কা

News Hungama:

 

কলকাতায় অনুষ্ঠিত ডিলার মিটে হাতি মার্কার ঐতিহ্য, অংশীদারদের আস্থা এবং ঐতিহ্য ও উদ্ভাবনের ভিত্তিতে বিপি অয়েল মিলসের ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে।

 

কলকাতা, ২১ জানুয়ারি ২০২৬: আজকের দিনে ভোক্তারা যখন বিশ্বাসযোগ্য ও খাঁটি ব্র্যান্ড বেছে নিচ্ছেন, তখন হাতি মার্কা ভারতীয় রান্নাঘরে ভরসার এক পরিচিত নাম হিসেবে আরও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। বিপি অয়েল মিলস-এর ঐতিহাসিক ডিলার মিটে এই বিশ্বাসের ঐতিহ্য উদযাপন করা হয়। “পরম্পরা ও প্রগতি” থিমে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ভোজ্য তেল শিল্পে কোম্পানির ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের যাত্রা ও অবদান তুলে ধরা হয়।

 

বহু প্রজন্ম ধরে হাতি মার্কা শুধু একটি ভোজ্য তেলের ব্র্যান্ড নয়—এটি বিশুদ্ধতা, শক্তি ও নির্ভরযোগ্য মানের প্রতীক। পারিবারিক রান্না হোক বা প্রতিদিনের খাবার, বছরের পর বছর ধরে একই মান বজায় রেখে হাতি মার্কা বিপি অয়েল মিলস-এর অন্যতম বিশ্বস্ত ও পরিচিত পণ্যে পরিণত হয়েছে।

 

১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কলকাতার হোটেল হলিডে ইন-এ আয়োজিত ডিলার মিটে বিপি অয়েল মিলস-এর বিকাশে হাতি মার্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে দেখানো হয়, কীভাবে ব্র্যান্ডটি তার মূল মূল্যবোধ অটুট রেখে ভোক্তাদের বদলে যাওয়া চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী বাজার গড়ে তোলা এবং ভোক্তাদের আস্থা অর্জনে অবদানের জন্য দীর্ঘদিনের ডিলার ও পরিবেশক অংশীদারদের সম্মানিত করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপি অয়েল মিলস-এর নেতৃত্ব ভবিষ্যতের জন্য একটি স্পষ্ট বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেন, যেখানে সম্প্রসারণ কৌশলের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে হাতি মার্কাকে। এই রোডম্যাপের মূল দিক ছিল বিতরণ ব্যবস্থা আরও মজবুত করা, নতুন বাজারে প্রবেশ, ব্র্যান্ডের উপস্থিতি বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক ভোজ্য তেলের বাজারে ভোক্তাদের বিশ্বাস আরও জোরদার করা।

 

যদিও বিপি অয়েল মিলস একাধিক বিভাগে নানা পণ্যের সঙ্গে কাজ করে, তবুও হাতি মার্কা তাদের ভোজ্য তেল ব্যবসার মূল ভিত্তি হিসেবে রয়ে গেছে। অন্যান্য ব্র্যান্ডের সহায়তায় একসঙ্গে এগিয়ে চলা এই পোর্টফোলিও গুণমানভিত্তিক বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টির প্রতি কোম্পানির প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে।

 

বর্তমানে একটি শক্তিশালী বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হাতি মার্কা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও পৌঁছে যাচ্ছে, যা বিপি অয়েল মিলস-এর ঐতিহ্য ও বিশ্বাসকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আরও বিস্তৃত করছে।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপি অয়েল মিলস লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভরত ভগৎ উদ্দেশ্যনিষ্ঠা, সততা ও ভবিষ্যতমুখী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে হাতি মার্কার মতো ঐতিহ্যবাহী ব্র্যান্ডকে লালন করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

 

প্রেসিডেন্ট রাঘব ভগৎ ব্র্যান্ড ও পরিবেশকদের মধ্যে দৃঢ় অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার কথা বলেন।

 

সিটিও উদ্ধব ভগৎ জানান, কীভাবে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা আস্থাকে অক্ষুণ্ণ রেখে কোম্পানির কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করছে। অন্যদিকে, হেড অফ মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনস রাজেশ কুমার হাতি মার্কার ঐতিহ্য এবং ভোক্তাদের সঙ্গে এর আবেগগত সংযোগ আরও গভীর করতে ধারাবাহিক ও অর্থবহ গল্প বলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

পরম্পরা ও প্রগতির দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে, হাতি মার্কার এই যাত্রা বিপি অয়েল মিলস-এর সেই বিশ্বাসকেই তুলে ধরে—যে প্রকৃত অগ্রগতি সবসময় বিশ্বাসের দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে হাতি মার্কা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঐতিহ্য, গুণমান ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে এগিয়ে চলেছে, যাতে আগামী প্রজন্মের জন্যও এটি একটি বিশ্বস্ত পছন্দ হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রাখতে পারে।

জোড়াসাঁকোর নোপানি হাইস্কুলে সরস্বতী পুজো, প্রাক্তনী ও পড়ুয়াদের মিলনমেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

News Hungama:

 

কলকাতার জোড়াসাঁকো অঞ্চলে অবস্থিত ৭২ বছরের পুরনো স্কুল নোপানি হাইস্কুলে ভক্তি ও উৎসবের আবহে উদযাপিত হল সরস্বতী পুজো। বিদ্যার দেবী মা সরস্বতীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রজন্মের ছোট ছোট খুদে পড়ুয়ারা মা সরস্বতীর বন্দনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে। পরে নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় তারা। শিশুদের নিষ্পাপ পরিবেশনা দর্শকদের মন কেড়ে নেয়।

সরস্বতী পুজোর আর এক বিশেষ দিক ছিল বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের উপস্থিতি। দেশ-বিদেশে কর্মরত বহু প্রাক্তনী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বর্তমান প্রজন্মের পড়ুয়াদের উৎসাহিত করেন। এতে করে বিদ্যালয়ে এক আবেগঘন প্রাক্তনী–বর্তমান মিলনমেলা তৈরি হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিব্যেন্দু সেন শর্মা জানান, “আমাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র পুজো উদযাপন নয়। ছেলে মেয়েরা যাতে সঠিক পথে নিজেদের পরিচালিত করতে পারে এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, সেই লক্ষ্যেই মা সরস্বতীর বন্দনার মাধ্যমে তাদের মধ্যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, সরস্বতী পুজোর মতো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো সম্ভব। সব মিলিয়ে, নোপানি হাইস্কুলের সরস্বতী পুজো হয়ে উঠল শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আদর্শ গঠনের এক সুন্দর নিদর্শন।

এদিন দ্বাদশ শ্রেনী পাস আউট পড়ুয়াদের ফেয়ারওয়েল দেওয়া হয়।

আগামী ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত হতে চলেছে ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬

News Hungama:

ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬, যা আগামী ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত নিউ দিল্লির দ্বারকার যশোভূমিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, এই সম্মেলনের থিম হলো “ইলেক্ট্রিফাইং গ্রোথ। এমপাওয়ারিং সাসটেইনবলিটি। কানেক্টিং গ্লোবালি” অর্থাৎ “প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল করা। টেকসই উন্নয়নকে শক্তিশালী করা। বিশ্বজুড়ে সংযোগ স্থাপন করা”। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে এই সম্মেলনটি বিশ্বব্যাপী নীতি-নির্ধারক, শিল্প খাতের নেতৃবৃন্দ, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, বিনিয়োগকারী এবং বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করবে, যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ, সংরক্ষণ এবং স্মার্ট ব্যবহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আশা করা হচ্ছে যে, এই সম্মেলনে ৫০টিরও বেশি উচ্চ-পর্যায়ের অধিবেশন, ৩০০ জনেরও বেশি বক্তা, ১,০০০ জন প্রতিনিধি, ৫০০-এর বেশি প্রদর্শক এবং ২৫,০০০-এরও বেশি দর্শক সমাগম ঘটবে, যা এটিকে বিদ্যুৎ খাতের অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত করবে। ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬ হলো বিদ্যুৎ মন্ত্রক এবং শিল্প খাতের একটি সম্মিলিত উদ্যোগ এবং পাওয়ারগ্রিড (নোডাল), এনটিপিসি, পিএফসি, আরইসি এবং এনএইচপিসি-র যৌথ সহযোগিতায় ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল (ইইপিসি ইন্ডিয়া) এটির সমন্বয় সাধন করছে।

সম্মেলনটির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬ কর্তৃপক্ষ ২১শে জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে কলকাতায় একটি স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট ও রোডশোও আয়োজন করেছিল, যেখানে বিদ্যুৎ খাতের প্রধান পিএসইউগুলি এবং শিল্প সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সমবেত হয়েছিলেন। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল ভারতের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিশদ ধারণা বিনিময় করা এবং দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ খাত বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ তুলে ধরা। পশ্চিমবঙ্গ স্টেট ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WBSEDCL) এবং দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (DVC)-এর প্রতিনিধিরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৯৮ থেকে মানবতার উৎসব: কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশনের রক্তদান শিবিরে হাজারো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

News Hungama:

কলকাতা:

মানবতার সেবায় দীর্ঘ ২৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন যাত্রায় এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশন। ১৯৯৮ সালে মাত্র ৫০৪ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে নিয়ে যে উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল, আজ তা রূপ নিয়েছে এক বৃহৎ সামাজিক আন্দোলনে। বর্তমানে তাদের প্রতিটি রক্তদান শিবিরে অংশ নেন গড়ে দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ।

ক্লাব সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রতি বছর ২৩ জানুয়ারি এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হলেও চলতি বছরে বিশেষ কারণে ২৪ জানুয়ারি আরও বৃহৎ পরিসরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। শুক্রবার কলকাতার ক্যালকাটা স্পোর্টস জার্নালিস্টস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানান কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বাবুন ব্যানার্জি। তিনি জানান, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে স্বেচ্ছা রক্তদাতারা এই শিবিরে অংশ নেবেন।

এই রক্তদান শিবিরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল এর সার্বজনীন চরিত্র। ধর্ম, জাতি কিংবা ভাষার বিভাজন ছাপিয়ে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান—সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই মানবতার ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, রক্তদানের বিনিময়ে কোনও উপহার, মেডেল কিংবা আর্থিক প্রলোভন দেওয়া হয় না। শুধুমাত্র একটি সার্টিফিকেট ও সামান্য আপ্যায়নের মাধ্যমেই দায়িত্ব সম্পন্ন করা হয়। কারণ, ভালোবাসা ও মানবিক দায়বদ্ধতাকেই এই আন্দোলনের একমাত্র প্রেরণা হিসেবে বিশ্বাস করে সংগঠনটি।

এই বছর রক্ত সংগ্রহের জন্য রাজ্যের নামী সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের মোট ১২টি বিভাগের চিকিৎসক দল উপস্থিত থাকবে। রুবি জেনারেল হাসপাতাল, লাইফ কেয়ার, কেস কেবিন, আরএন টেগোর-সহ একাধিক স্বনামধন্য হাসপাতাল এই কর্মসূচিতে যুক্ত থাকছে বলে জানানো হয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে ক্রীড়া ও সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন উইং ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি শুভাশিস মুখার্জি, কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বাবুন ব্যানার্জি, প্রাক্তন ফুটবলার মানস ভট্টাচার্য, প্রাক্তন রঞ্জি অধিনায়ক সম্বরণ ব্যানার্জি, আইএফএ সভাপতি অজিত ব্যানার্জি সহ আরও অনেকে। বক্তারা একযোগে বলেন, এই রক্তদান শিবির শুধুমাত্র একটি কর্মসূচি নয়, এটি দীর্ঘদিন ধরে চলা এক মানবিক আন্দোলন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে এই উদ্যোগের ব্যাপক প্রচারের আবেদন জানিয়ে বক্তারা বলেন, এর মাধ্যমে আরও বেশি মানুষ স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসবেন।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করে আয়োজকরা জানান—

“কত অজানারে জানাইলে তুমি, কত ঘরে দিলে ঠাঁই।”

এই মানবিক দর্শনকে সামনে রেখেই ভবিষ্যতেও রক্তদান আন্দোলনকে আরও বৃহৎ পরিসরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার গ্রহণ করেছে কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠিত হলো ‘তৃতীয় শতরঞ্জ কে হিরোজ’

  • News Hungama:

কলকাতা: রাজ্যের দাবা জগতের কৃতী খেলোয়াড় ও প্রবীণ দাবা ব্যক্তিত্বদের সম্মান জানাতে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী দ্য বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্সে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘তৃতীয় শতরঞ্জ কে হিরোজ’ অনুষ্ঠান। সারা বাংলা দাবা সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন ভারতের প্রখ্যাত দাবাড়ু ও গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বরুয়া।

আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৪–২৫ মরশুমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করা পশ্চিমবঙ্গের গ্র্যান্ডমাস্টার, ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার, কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়ন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পদকজয়ী খেলোয়াড়দের পাশাপাশি প্রবীণ দাবা সংগঠক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের এই অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে দাবা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থেকে যাঁরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন, তাঁদের অবদানও এই মঞ্চে সম্মানের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া, আইন ও সমাজজগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৌশিক চৌধুরী, গ্র্যান্ডমাস্টার সূর্য সাহা ও দিপ্তায়ন ঘোষ, বিধায়ক দেবাশীষ কুমার, বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট চন্দন রায়চৌধুরী, প্রখ্যাত ফুটবলার মেহতাব হুসেন ও দিব্যেন্দু বিশ্বাস। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের মর্যাদা ও গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়।

সারা বাংলা দাবা সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, রাজ্যে দাবার প্রসার ঘটানো এবং নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। কৃতী খেলোয়াড়দের সাফল্যের গল্প নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার মাধ্যমে ভবিষ্যতের দাবা প্রতিভাদের এগিয়ে চলার পথে উৎসাহ জোগানোই এই অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য বলে জানান

প্রজাতন্ত্র দিবসে বাবু কালচার জাতি গঠনে অবদান রাখা এক প্রজন্মকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে

News Hungama:

এই প্রজাতন্ত্র দিবসে, বাবু কালচার স্মরণ ও শ্রদ্ধাকে কেন্দ্র করে একটি আন্তরিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করছে।

২৩শে থেকে ২৬শে জানুয়ারি পর্যন্ত, ১৯৫০ সালের আগে জন্মগ্রহণকারী অতিথিদের—যারা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং প্রাথমিক জাতি গঠনের বছরগুলোর সাক্ষী—দেশের গঠনে তাঁদের ভূমিকার প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি বিশেষ থালি বিনামূল্যে পরিবেশন করা হবে।

এই উদ্যোগটি বাবু কালচারের সমস্ত আউটলেটে পালন করা হচ্ছে এবং এর সাথে থাকছে ভারতীয় ও বাঙালি রন্ধন ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটানো বিভিন্ন পদ।