Wednesday, March 25, 2026
Home Blog

স্নায়ুরোগ চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত: মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুরে ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন ( ডিবিএস) ক্লিনিক চালু

News Hungama:

কলকাতা, ২৪ মার্চ ২০২৬: ভারতের অন্যতম বৃহৎ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী মণিপাল হসপিটালস গ্রুপের অংশ মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর তাদের ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন (DBS) ক্লিনিক চালু করার ঘোষণা করেছে। এই ক্লিনিকটি ভারতের মধ্যে একটি প্রথম উদ্যোগ, যা জটিল স্নায়বিক ও মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার রোগীদের জন্য নির্ভুল ও উন্নত চিকিৎসা প্রদান করবে।
এই ক্লিনিকটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডা. মিলিন্দ দেওগাঁওকর, ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোসার্জারি, মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর। এটি নিউরো-রিস্টোরেশন ও নিউরোমডুলেশন ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এবং রোগীকেন্দ্রিক, প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসার প্রতি হসপিটালের প্রতিশ্রুতি আরও শক্তিশালী করে। তাঁর সঙ্গে মূল টিমে রয়েছেন ডা. গৌরব সান্যাসী, কনসালট্যান্ট – ফিজিয়াট্রিস্ট (রিহ্যাবিলিটেশন মেডিসিন)।
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. শ্রেয়সী ঝা, কনসালট্যান্ট – নিউরোলজি (পার্কিনসনস ও মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার), যিনি মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার ক্লিনিকের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, এবং মিসেস শিবানি দেশমুখ, লিড নিউরো ফিজিওথেরাপিস্ট, যিনি নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকবেন।
ডিবিএস ক্লিনিকটি মুকুন্দপুর ইউনিট থেকে পরিচালিত হবে। প্রতি সোমবার ডিবিএস পরিষেবা এবং প্রতি শনিবার কমপ্লেক্স পেইন ক্লিনিক চালু থাকবে। মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার ক্লিনিক প্রতিদিন খোলা থাকবে, যাতে রোগীরা নিয়মিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পান। ডা. শ্রেয়সী ঝা সোমবার ও শনিবার পূর্ণদিবস ক্লিনিকে থাকবেন এবং প্রয়োজনে ডিবিএস প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন।
এই পরিষেবায় একটি সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, যেখানে নিউরোলজিস্ট, নিউরোসার্জন, পেইন বিশেষজ্ঞ, রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞ, ইমার্জেন্সি ডাক্তার ও প্রশিক্ষিত নার্সরা একসঙ্গে কাজ করবেন। পাশাপাশি, মিসেস শিবানি দেশমুখের নেতৃত্বে নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন ক্লিনিক রোগীদের নিয়মিত পুনর্বাসন পরিষেবা প্রদান করবে।
এই সমন্বিত ব্যবস্থা রোগীদের রোগ নির্ণয়, উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলো-আপ—সবকিছুতেই সহায়তা করবে। পার্কিনসনস ডিজিজ, ডিস্টোনিয়া, ট্রেমর, এপিলেপসি এবং জটিল ব্যথার মতো সমস্যার চিকিৎসায় এই ক্লিনিক বিশেষ ভূমিকা নেবে।
এই প্রসঙ্গে ডা. মিলিন্দ দেওগাঁওকর বলেন, “ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন জটিল স্নায়বিক রোগের চিকিৎসায় একটি বড় পরিবর্তন এনেছে। এটি শুধু একটি সার্জারি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি এবং নির্ভুল চিকিৎসা প্রক্রিয়া, যেখানে রোগী নির্বাচন, পরিকল্পনা, প্রযুক্তি ও পরবর্তী ফলো-আপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুরে আমরা একসঙ্গে সব পরিষেবা দিয়ে রোগীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করার লক্ষ্য নিয়েছি।”
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, মণিপাল হসপিটাল কলকাতার বিভিন্ন ইউনিটে অভ্যন্তরীণ সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করবে। এছাড়াও, মুকুন্দপুরের বাইরেও অন্যান্য মণিপাল হসপিটালের সঙ্গে টেলি-পরামর্শ পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে আরও বেশি রোগী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার সুবিধা পান।

মণিপাল হসপিটালস সল্টলেক ক্লাস্টারের ‘ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড’ সেশন আয়োজন; কলকাতায় প্রকাশিত হল সমন্বিত গ্রন্থ

News Hungama:

কলকাতা, ২৪ মার্চ ২০২৬: মণিপাল হসপিটালস সল্টলেক ক্লাস্টার আজ সল্টলেকের ব্রডওয়ে ইউনিটে “ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড” শীর্ষক একটি তথ্যবহুল ও আকর্ষণীয় সেশনের সফল আয়োজন করেছে। এই উপলক্ষে পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে একটি সমন্বিত গ্রন্থও প্রকাশ করা হয়, যা মণিপাল হসপিটাল ব্রডওয়ে ও সল্টলেকের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে তৈরি।

এই গ্রন্থটি পাচনতন্ত্র সংক্রান্ত ক্রমবর্ধমান সমস্যাগুলির উপর একটি ব্যবহারিক ও বিস্তৃত নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে। এতে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, প্রতিরোধমূলক উপায়, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং জীবনযাত্রা-ভিত্তিক সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

এই সেশনে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞদের একটি দল, যার মধ্যে ছিলেন ডা. সুজিত চৌধুরী (হেড, মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সুদীপ্ত ঘোষ (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সুজয় মৈত্র (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. দেবকুমার রায় (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সঞ্জয় মণ্ডল (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. অরিজিৎ সিংহ মহাপাত্র (কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. কিংশুক ধর (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. কুশান সেনগুপ্ত (কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) এবং ডা. অভিষেক ব্যানার্জি (কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)।

বিশেষজ্ঞরা জানান, আধুনিক জীবনযাত্রার কারণে পাচনতন্ত্রের সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দীর্ঘ সময় বসে থাকা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং প্রসেসড খাবারের ব্যবহার – এসবই এর প্রধান কারণ। অ্যাসিডিটি, ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS), ফ্যাটি লিভার, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণ এবং কোলোরেক্টাল সমস্যার মতো রোগ ক্রমেই বাড়ছে, যা অনেক ক্ষেত্রেই দেরিতে ধরা পড়ে।

সেশনে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্ব, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এবং আধুনিক মিনিমালি ইনভেসিভ ও জটিল গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সার্জারির অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উপস্থিতরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে পাচনতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখার বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ পান।

এই প্রসঙ্গে ডা. সুজিত চৌধুরী বলেন, “বর্তমান জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও সচেতনতার অভাবে পাচনতন্ত্রের রোগ দ্রুত বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় প্রতি ৫ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১ জন কোনো না কোনো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়া, শহুরে জনসংখ্যার প্রায় ২৫–৩০ শতাংশ ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। অনেকেই অ্যাসিডিটি, ফাঁপা ভাব বা মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তনের মতো প্রাথমিক লক্ষণ উপেক্ষা করেন, যা কখনও গুরুতর রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। ‘ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড’ উদ্যোগ এবং এই বইয়ের মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে চিকিৎসা-সংক্রান্ত জ্ঞান সহজভাবে পৌঁছে দিতে চাই, যাতে তারা প্রতিরোধ ও উন্নত চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন।”

এই উদ্যোগের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি আরও জোরদার করেছে, যাতে উন্নত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি চিকিৎসার জন্য রোগীদের রাজ্যের বাইরে যেতে না হয়।

“ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড” গ্রন্থের সফল প্রকাশ এবং এই ধরনের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা সহজলভ্য করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Celebrating this campaign, a limited-time Lionel Messi card launches globally from March 12 – April 2

News Hungama:

WINDSOR, UNITED KINGDOM – March 17th, 2026 – Konami Digital Entertainment, B.V. (KONAMI) today announced the launch of an exclusive campaign for eFootball™ in India. Commemorating this special campaign, eFootball™ brings together cricket giants Rinku Singh and Varun Chakravarthy, Malayalam stars Naslen Gafoor and Chandu Salim Kumar alongside football icons like Sahal Abdul Samad and Shubhasish Bose to produce exciting content for social media . Launching alongside the campaign, eFootball™ fans can gain a special Lionel Messi card from March 12 – April 2.

 

 

With a particular emphasis on Kerala and West Bengal, the campaign partners with fan communities, lifestyle creators, and competitive eFootball™ influencers. These include Mohammad Rizwan, RJ Praveen, Black Mamba Gaming, Mallu PES Master, LiarsFC, and Manjappada. The campaign also introduces in‑game challenges that offer users exclusive rewards.

 

Alongside this campaign, a limited-time card of football icon Lionel Messi is available for global users from March 12 – April 2. The Lionel Messi card and related campaign events are now live across India on mobile, console, and PC. For updates, exclusive content drops, and ongoing challenges, fans can find more information:

 

Socials

• X

• Facebook

• Instagram

• Youtube

 

-ENDS-

————————————————————————————————————————————–

About “eFootball™”

“eFootball™” was the rebranding of KONAMI’s popular gaming series “PES”. The change marked a great leap forward as the branding changed alongside the addition of a new football game engine, advancements in gameplay, and the remodelling of the title as ‘free-to-play’ across all compatible devices.

 

“eFootball™” is an ever-evolving platform with over 950 million downloads worldwide to date.

 

“eFootball”, “e-Football” and “eFootball logo” are registered trademarks or trademarks of Konami Digital Entertainment Co., Ltd. in Japan and other countries or regions.

 

About Konami Group

Konami Group was established in 1973, starting as an amusement machine manufacturer for arcades. Over the years, the company has grown to include different business units across various markets. Currently, KONAMI GROUP CORPORATION includes the Digital Entertainment, Amusement, Gaming & Systems, and Sports Businesses. The company went public on the Osaka Securities Exchange in 1984, the Tokyo Stock Exchange in 1988, and the London Stock Exchange in 1999. For more information, visit: www.konami.com/en.

অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্সের জমকালো ‘সফট লঞ্চ’- এর মাধ্যমে দ্বারোদ্ঘাটন; হুগলিতে নিয়ে এল প্রথম শপিং মলের অভিজ্ঞতা

News Hungama:

কলকাতা, ১৫ই মার্চ, ২০২৬: অ্যালকোভ রিয়েলটি হুগলি জেলার প্রথম শপিং মল- ‘অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্স’- আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে সফল ‘সফট লঞ্চ’ সম্পন্ন করেছে। এই আয়োজনে সমগ্র অঞ্চল থেকে আগত সাধারণ মানুষ এবং ক্রেতাদের কাছ থেকে অভূতপূর্ব ও উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া গেছে। শ্রীরামপুরের মহেশ এলাকায় জি.টি. রোডের ওপর অবস্থিত এই শপিং মলের সফট লঞ্চ অনুষ্ঠানে দর্শনার্থীদের বিপুল সমাগম ঘটে; যা জেলার ক্রমবিকাশমান খুচরো বাণিজ্য এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হলো।

শ্রীরামপুরের মহেশ এলাকায় জি.টি. রোডের ওপর অবস্থিত এই মলে সারাদিন ধরেই দর্শনার্থীদের উৎসাহব্যঞ্জক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। দর্শনার্থীরা মলের সদ্য উন্মুক্ত হওয়া বিভিন্ন খুচরো বিক্রয়কেন্দ্র, খাবারের দোকান এবং বিনোদনমূলক স্থানগুলো ঘুরে দেখেছেন। এই ‘সফট লঞ্চ’-এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সামনে এমন একটি আধুনিক জীবনযাত্রার কেন্দ্রবিন্দু তুলে ধরা হলো, যা হুগলি জেলা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে সুসংগঠিত খুচরো কেনাকাটা ও বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।

 

উদ্বোধনের প্রথম দিনে লাইভ সঙ্গীতানুষ্ঠান, বিভিন্ন পরিবেশনা, সেলফি জোন এবং বিশেষ উদ্বোধনী অফারের এক জমকালো আয়োজন ছিল, যা দর্শনার্থীদের জন্য এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল। ফ্যামিলি এবং তরুণ ক্রেতারা বিশেষত ‘কিডস ফান জোন’—’স্পেস জাম্প’ বিভাগটি দারুণ উপভোগ করেছেন; যা শপিং মল পরিদর্শনে আসা শিশু ও সাধারণ মানুষদের জন্য বাড়তি উত্তেজনার সঞ্চার করেছিল।

 

উদ্বোধনী পর্যায়ের অংশ হিসেবে বেশ কিছু সুপরিচিত ব্র্যান্ড তাদের বিক্রয়কেন্দ্রগুলো ক্রেতাদের জন্য উন্মুক্ত করেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো – জুডিও, ভি-মার্ট, বাজার কলকাতা, সাফারি, স্পেস জাম্প, ডমিনোজ, সাবওয়ে এবং টি জংশন। এছাড়াও আরও বেশ কিছু নতুন বিক্রয়কেন্দ্র পর্যায়ক্রমে চালু হতে চলেছে।

 

সাতটি তলা জুড়ে প্রায় ২.৫ লক্ষ বর্গফুট এলাকা নিয়ে বিস্তৃত ‘অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্স’-কে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘অমনিপ্লেক্স’ গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে ১০০টিরও বেশি খুচরো বিক্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি ফুড জোন, বিনোদনমূলক সুবিধা, অফিস স্পেস এবং হসপিট্যালিটি সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিষেবা চালু করা হবে।

 

‘অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্স’-এর মূল আকর্ষণ বা কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এক গতিশীল বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতা। এর নেতৃত্বে রয়েছে ৪-স্ক্রিন বিশিষ্ট ‘এসভিএফ সিনেমাস’ – এর একটি মাল্টিপ্লেক্স, যার দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় ৮০০টি আসন। আশা করা হচ্ছে, এই মাল্টিপ্লেক্সটি শীঘ্রই দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে; যা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য বিশ্বমানের সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।

 

এই উপলক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অ্যালকোভ রিয়েলটির পরিচালক অজয় কুমার শ্রফ বলেন, “অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্স-এর ‘সফট লঞ্চ’ বা প্রাথমিক সূচনা হুগলি জেলায় একটি আধুনিক কেনাকাটা ও জীবনযাত্রার কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক পদক্ষেপ। আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি পরিসর তৈরি করা, যা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য কেনাকাটা, ভোজন এবং বিনোদনের সুযোগগুলোকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসবে; পাশাপাশি এই অঞ্চলের জন্য নতুন অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।”

 

এর কৌশলগত অবস্থান এবং বিভিন্ন ধরণের ব্র্যান্ড ও অভিজ্ঞতার বৈচিত্র্যময় সমাহারের সুবাদে, অ্যালকোভ ত্রিবেণী অমনিপ্লেক্স এই অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান ক্রেতাগোষ্ঠীর কাছে কেনাকাটা, ভোজন এবং অবসরযাপনের এক প্রাণবন্ত গন্তব্য হয়ে উঠতে চলেছে।

 

অ্যালকোভ রিয়েলটি সম্পর্কে:

অ্যালকোভ রিয়েলটি এমন সব যুগান্তকারী প্রকল্পের মাধ্যমে কলকাতার স্কাইলাইন গঠনে এক নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছে, যা নকশা, উদ্ভাবন এবং জীবনযাত্রার মানের ক্ষেত্রে নতুন সব মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এই সংস্থার পোর্টফোলিওতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এমন সব আইকনিক প্রকল্প—যেমন পূর্ব ভারতের সর্বোচ্চ আবাসিক ভবন ‘দ্য ৪২’, নদীর তীরে গড়ে ওঠা টাউনশিপ ‘অ্যালকোভ নিউ কলকাতা’, আসন্ন অতি-বিলাসবহুল প্রকল্প ‘দ্য কার্ভ’, এবং ‘সিদ্ধার্থ – দ্য ক্রাউন অফ আলিপুর’-এর মতো উন্নয়নমূলক কাজগুলো; যা সমগ্র অঞ্চল জুড়ে অনন্য সব গন্তব্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে।

 

শিক্ষার প্রসারে মথুরাপুরে প্রবানন্দ বিদ্যামন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন 

0

News Hungama:

ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ পরিচালিত দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুর প্রণবানন্দ মানব কল্যাণ কেন্দ্রের উদ্যোগে মথুরাপুর প্রনবানন্দ বিদ্যামন্দিরের নবনির্মিত ‘মামারাজ আগারওয়ালা ভবন’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রধান সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ।

এ উপলক্ষে রবিবার পড়ুয়া ও এলাকার মানুষকে নিয়ে স্বামী প্রনবানন্দ মহারাজের ১৩১ তম আবির্ভাব বর্ষ উপলক্ষে এক পদযাত্রায় উপস্থিত হন তিনি৷

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিল্পপতি ব্রহ্মানন্দ আগারওয়ালা, মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার প্রমুখ।

স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ বলেন , নবনির্মিত এই বিদ্যালয় ভবন এলাকার ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে তারা মনে করেন৷

ডিভিসি মোড়ে নতুন টেক ডেস্টিনেশন—বর্ধমানে উপস্থিতি আরও মজবুত করল রিলায়েন্স ডিজিটাল

0

News Hungama:

বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ, 15 মার্চ 2026: দেশের অন্যতম বৃহৎ ইলেকট্রনিক্স রিটেলার রিলায়েন্স ডিজিটাল পশ্চিমবঙ্গে তাদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করল বর্ধমানের ডিভিসি মোড়ে অবস্থিত নতুন স্টোরের মাধ্যমে। এই স্টোরটি বর্ধমানের DVC মোড় সংলগ্ন পুলিশ লাইনের কাছে, GT রোড, কানাইনাটশাল উত্তর, প্যারাসমণি অ্যাপার্টমেন্ট ঠিকানায় (পিন-৭১৩১০৩) অবস্থিত।

 

ডিভিসি মোড়ের এই নতুন রিলায়েন্স ডিজিটাল স্টোরে গ্রাহকরা পাবেন আধুনিক প্রযুক্তির বিস্তৃত সংগ্রহ, আকর্ষণীয় অফার এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শসহ উন্নত শপিং অভিজ্ঞতা। প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স সংক্রান্ত সব প্রয়োজনের জন্য এটি বর্ধমান ও আশপাশের এলাকার গ্রাহকদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ওয়ান-স্টপ ডেস্টিনেশন।

স্টোরটিতে দেশের ও আন্তর্জাতিক শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলির সর্বশেষ কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস উপলব্ধ। গ্রাহকরা এখানে দেখতে পাবেন বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্য যেমন—স্মার্ট টিভি, স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ওয়াশিং মেশিন, রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, হোম থিয়েটার, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং নানান ধরনের অ্যাক্সেসরিজ।

গ্রাহকদের কেনাকাটাকে আরও সহজ করতে এখানে থাকবে রিলায়েন্স ডিজিটাল-এর ‘Expert Tech Squad’, যারা পণ্য বেছে নিতে সাহায্য করবেন। পাশাপাশি ‘resQ’ সার্ভিস এক্সপার্টরা ইনস্টলেশন ও বিক্রয়োত্তর পরিষেবায় নির্ভরযোগ্য সহায়তা প্রদান করবেন।

স্টোরে আসা গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন বেশ কিছু সীমিত সময়ের আকর্ষণীয় অফার, যেমন—

এক্সক্লুসিভ স্টোর অফার

• যেকোনো টিভি কিনলে মাত্র ₹১,২০০-এ BPL সাউন্ডবার*

• ৭৫” বা ৬৫” টিভি কিনলে এয়ার কন্ডিশনার ফ্রি*

• সাইড-বাই-সাইড রেফ্রিজারেটর শুরু মাত্র ₹৩৯,৯৯০* থেকে

• BPL 32” টিভি কিনলে BPL 35W সাউন্ডবার ফ্রি*

• ওয়াশিং মেশিন অফার – ₹৫০০০ পর্যন্ত ফ্রি উপহার ও ২০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক*

 

Chill Fest – এয়ার কন্ডিশনার অফার

• মাত্র ₹১ ডাউন পেমেন্টে AC*

• ১টি EMI সম্পূর্ণ ফ্রি*

• ₹২১,০০০ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক*

 

দ্রুত ডেলিভারি এবং দ্রুত ইনস্টলেশন সুবিধার মাধ্যমে গ্রাহকরা নতুন ইলেকট্রনিক্স খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যবহার করতে পারবেন।

বর্তমানে রিলায়েন্স ডিজিটালে ৫০০-রও বেশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ২,০০০-রও বেশি পণ্য উপলব্ধ, যা গ্রাহকদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতামূলক দামে পাওয়ার সুযোগ করে দেয়।

“Personalising Technology” দর্শনকে সামনে রেখে রিলায়েন্স ডিজিটাল প্রতিটি পরিবারের কাছে আধুনিক প্রযুক্তিকে আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করে তুলতে কাজ করছে। আকর্ষণীয় ডিল, সহজ EMI সুবিধা এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনধারার সঙ্গে মানানসই সঠিক পণ্য বেছে নিতে সাহায্য করে এই ব্র্যান্ড।

রিলায়েন্স ডিজিটাল সম্পর্কে

রিলায়েন্স ডিজিটাল ভারতের বৃহত্তম ইলেকট্রনিক্স রিটেইল চেইনগুলির একটি, যার উপস্থিতি ৮০০-রও বেশি শহরে। সারা দেশে বর্তমানে ৬১০+ বড় ফরম্যাটের রিলায়েন্স ডিজিটাল স্টোর এবং ১৮০০-রও বেশি My Jio স্টোর পরিচালিত হচ্ছে।

এই ব্র্যান্ডটি ৩০০-রও বেশি শীর্ষ ব্র্যান্ডের ৫,০০০-রও বেশি পণ্য সরবরাহ করে, যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স।

রিলায়েন্স ডিজিটাল স্টোরগুলি তাদের প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ কর্মীদের জন্য পরিচিত, যারা গ্রাহকদের সঠিক প্রযুক্তি নির্বাচন করতে সাহায্য করেন। পাশাপাশি resQ, রিলায়েন্সের সার্ভিস বিভাগ এবং ভারতের একমাত্র ISO-9001 সার্টিফায়েড ইলেকট্রনিক্স সার্ভিস ব্র্যান্ড, নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর পরিষেবা প্রদান করে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Honouring Strength and Resilience: Manipal Hospital Rangapani and Lions Club of Siliguri Ananyo Felicitate Women Survivors

News Hungama:

Siliguri, 13th March 2026: Manipal Hospital Rangapani, one of the pioneers of comprehensive cancer care in North Bengal, in association with Lions Club, organized a special awareness session focused on women survivors, emphasizing the critical role of early detection and timely screening in improving outcomes. The programme brought together survivors, healthcare professionals, and community members to encourage open conversations. The interactive session was led by senior oncologists Dr. Anirban Nag, Consultant – Surgical Oncology and Dr. Arkoprovo Halder, Consultant – Medical Oncology, Manipal Hospital, Rangapani who shared insights on the importance of recognizing early symptoms, undergoing routine screening, and seeking timely medical consultation.

Globally, cancer continues to remain one of the leading causes of mortality, with millions of new cases being diagnosed every year. In India, over 1.5 million new cancer cases are reported annually, with breast, cervical, ovarian, and oral cancers among the most common types affecting women. Medical experts highlight that nearly 40% of cancers can be prevented through lifestyle modifications and regular screening, while early detection significantly increases the chances of successful treatment and long-term survival.

The event was graced by distinguished guests Lion Kedar Gajmer, Past District Governor, Lion Asha Gajmer, District Vice Governor, Lion Sujata Dhirasaria, District GAT Vice Coordinator, and member of Lions club of Siliguri Ananyo. The doctors also emphasized that with the latest advancements in technology and treatment strategies, many cancers can be successfully treated if diagnosed early, thereby allowing patients to lead healthy and fulfilling lives.

Dr. Anirban Nag, Consultant – Surgical Oncology, Manipal Hospital, Rangapani said, “Cancer can be treated successfully when it is diagnosed early. Many cancers, particularly those affecting women, can be successfully treated when diagnosed at an early stage through regular screenings and awareness of warning signs. Unfortunately, fear, stigma, and misinformation often lead people to ignore symptoms or delay check-ups. It is important for women to prioritize routine health screenings and pay attention to changes in their bodies. Awareness is not just about medical knowledge it empowers individuals and families to seek timely care, making treatment more effective, less invasive, and significantly improving survival outcomes.”

Dr. Sourav Guha, Consultant – Radiation Oncology, Manipal Hospital, Rangapani further underlined the advances in treatment, “Cancer care today is far more precise than ever before. Modern radiation therapy allows us to target tumours with precision while protecting healthy tissues. The aim is not only to treat the disease but also to preserve quality of life. Awareness events like this help people realize that cancer is not the end of hope. With the right guidance and timely diagnosis, patients can continue to live full, meaningful lives.”

Speaking on the event, Lion Debjani Maitra Chaterjee, Treasurer Celebration Chairperson, Lions Club of Siliguri Ananyo, shared, “Through initiatives like this, we aim to empower women with knowledge and encourage them to take charge of their health. Awareness, timely screening, and community support play a vital role in combating cancer. Our collaboration with Manipal Hospital Rangapani reflects our shared commitment to creating a healthier community by promoting preventive healthcare and supporting cancer survivors.”

The programme encouraged women to prioritize regular health screenings, recognize early symptoms, and seek professional medical advice without delay. By combining medical expertise with community outreach, Manipal Hospital Rangapani continues to strengthen its commitment to promoting cancer awareness and improving access to quality healthcare across North Bengal and surrounding regions.

ফর্টিস হাসপাতাল ও কিডনি ইনস্টিটিউট রোবট-সহায়তায় সফল টেলি-সার্জারি করলো

News Hungama:

কলকাতা : কলকাতার ফোর্টিস হাসপাতাল ও কিডনি ইনস্টিটিউট পূর্ব ভারতের প্রথম রোবট-সহায়তাপ্রাপ্ত টেলি-সার্জারি সফলভাবে সম্পাদন করে উন্নত রোবোটিক এবং দূরবর্তী অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে। এই পদ্ধতিগুলি অত্যাধুনিক SSI মন্ত্র 3 রোবট-সহায়তাপ্রাপ্ত অস্ত্রোপচার ব্যবস্থা ব্যবহার করে একটি উচ্চ-গতির ডেডিকেটেড 5G ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছিল, যেখানে প্রায় 1,500 কিলোমিটার দূর থেকে সার্জনরা অপারেট করেছিলেন।

 

এই অস্ত্রোপচারগুলি তিনটি স্থানে পরিচালিত হয়েছিল – কলকাতা এবং ফরিদাবাদ – এবং নয়াদিল্লি এবং কলকাতা থেকে পরিচালিত চিকিৎসকরা টেলি-সার্জারির মাধ্যমে রোবটিকভাবে সম্পাদন করেছিলেন।

 

এই পদ্ধতিগুলি পরিচালনা করেন ডাঃ আর. কে. গোপালা কৃষ্ণ, ডিরেক্টর- ইউরোলজি এবং ইউরো-অনকোলজি, ডিরেক্টর – ইউরোলজি ডাঃ শ্রীনিবাস নারায়ণ – ফর্টিস হাসপাতাল এবং কিডনি ইনস্টিটিউট, কলকাতা । তিনটি জটিল পদ্ধতি রোবোটিক প্রযুক্তির নির্ভুলতা এবং ভারতে টেলি-সার্জিক্যাল সিস্টেমের ক্লিনিক্যাল নির্ভরযোগ্যতা প্রদর্শন করে। এটি দেশের ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা পরিকাঠামোর ক্রমবর্ধমান শক্তি এবং ভৌগোলিক বাধা অতিক্রম করে বিশেষজ্ঞ অস্ত্রোপচার সেবা প্রদানের জন্য নতুন সম্ভাবনাকেও তুলে ধরে।

 

প্রথম ক্ষেত্রে কলকাতার একজন মধ্যবয়সী মহিলার সাথে জড়িত ছিল যার প্রধান রক্তনালী এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির কাছে একটি বৃহৎ অ্যাড্রিনাল টিউমার ছিল। দূরবর্তী রোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে টিউমারটি ব্যতিক্রমী নির্ভুলতার সাথে অপসারণ করা হয়েছিল। দ্বিতীয় পদ্ধতিটি ছিল পেলভিউরেটেরিক জংশন (PUJ) বাধা, যা কিডনি নিষ্কাশনকে প্রভাবিত করে এমন একটি জন্মগত বাধা। দলটি একটি উন্নত পুনর্গঠনমূলক পদ্ধতি – পাইলোপ্লাস্টি – সম্পাদন করে যার জন্য দীর্ঘ দূরত্বের সেটআপ সত্ত্বেও সূক্ষ্ম সেলাই এবং উচ্চ নির্ভুলতার প্রয়োজন ছিল।

 

উভয় ক্ষেত্রেই, রোগীরা কলকাতায় ছিলেন, যখন ডাক্তাররা দিল্লিতে ছিলেন। রোগীরা ইতিমধ্যেই অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জের সাথে মোকাবিলা করছিলেন, এবং তাদের অবস্থা আরও খারাপ হতে শুরু করার সাথে সাথে, চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণ করা চিকিৎসাগতভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়নি এবং তাদের অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে।

 

তৃতীয় ক্ষেত্রে, ফরিদাবাদের একজন ৭০ বছর বয়সী ব্যক্তির ৯ সেমি ক্যান্সারযুক্ত কিডনি টিউমার ধরা পড়ে এবং তিনি ভ্রমণ করতে অক্ষম হন। ভার্চুয়াল মূল্যায়নের পরে, তার একটি টেলি-রোবোটিক আংশিক নেফ্রেক্টমি করা হয়েছিল। অবশিষ্ট কিডনি সংরক্ষণ করে টিউমারটি অপসারণ করা হয়েছিল। স্থায়ী ক্ষতি রোধ করার জন্য কঠোর ৩০ মিনিটের ক্ল্যাম্প উইন্ডো সহ, সার্জিক্যাল টিম ২২ মিনিটের মধ্যে টিউমার অপসারণ এবং পুনর্গঠন সম্পন্ন করে। রোগীর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়নি, মসৃণভাবে বের করে আনা হয়েছে এবং তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং ২-৩ দিনের মধ্যে স্রাবের আশা করা হচ্ছে। এটি ভারতে এই আকারের টিউমারের জন্য প্রথম অত্যন্ত জটিল টেলি-রোবোটিক আংশিক নেফ্রেক্টমিগুলির মধ্যে একটি।

 

তিনটি অস্ত্রোপচারই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, অস্ত্রোপচার পরবর্তী সুস্থতা মসৃণভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। রোগীরা ন্যূনতম আক্রমণাত্মক রোবোটিক সার্জারির সুবিধা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে ব্যথা হ্রাস, রক্তক্ষরণ কম, দ্রুত আরোগ্য এবং হাসপাতালে স্বল্প সময় থাকা। এই অর্জন আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি রূপান্তরমূলক পদক্ষেপ এবং পূর্ব ভারতের এই স্কেলের প্রথম সফল টেলি-সার্জিক্যাল পদ্ধতি।

 

বিস্তারিত বিবরণ দিতে গিয়ে, কলকাতার ফর্টিস হাসপাতাল ও কিডনি ইনস্টিটিউটের ইউরোলজি ও ইউরো-অনকোলজির ডিরেক্টর ডাঃ আর. কে. গোপালা কৃষ্ণ বলেন, “টেলি-সার্জারি সার্জনদের রোবট-সহায়তাপ্রাপ্ত সিস্টেম, উচ্চ-গতির সংযোগ এবং রিয়েল-টাইম 3D ইমেজিং ব্যবহার করে দূর থেকে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। এটি ভৌগোলিক বাধা অতিক্রম করতে সাহায্য করে, রোগীর ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে, সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করে, অস্ত্রোপচারের নির্ভুলতা বৃদ্ধি করে এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার সক্ষম করে। এই প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সার্জনের অভাব পূরণ করে এবং আর্থিক বোঝা এবং ভ্রমণ-সম্পর্কিত ঝুঁকি হ্রাস করে সময়োপযোগী, উচ্চ-মানের অস্ত্রোপচার সেবা নিশ্চিত করে।”

 

কলকাতার ফর্টিস হাসপাতাল ও কিডনি ইনস্টিটিউটের ইউরোলজি ও ইউরো-অনকোলজির ডিরেক্টর ডাঃ শ্রীনিবাস নারায়ণ বলেন, “রোবোটিক টেলিসার্জারি একটি ভবিষ্যৎ ধারণা থেকে একটি ক্লিনিক্যালি নির্ভরযোগ্য এবং রোগী-নিরাপদ বাস্তবতায় বিকশিত হয়েছে। প্রায় 1,500 কিলোমিটার দূর থেকে জটিল পদ্ধতি সম্পাদনের জন্য সাইট এবং দূরবর্তী দলগুলির মধ্যে উন্নত প্রযুক্তি, নির্ভুলতা, সমন্বয় এবং বিশ্বাসের প্রয়োজন। এই অস্ত্রোপচারের সাফল্য প্রমাণ করে যে বিশ্বমানের অস্ত্রোপচার সেবার ক্ষেত্রে দূরত্ব আর বাধা নয়।”

 

ফর্টিস হেলথকেয়ারের জয়পুর ও কলকাতার বিজনেস হেড, ইএসজি গ্রুপ হেড, স্ট্র্যাটেজি চিফ, মিসেস রিচা এস দেবগুপ্ত বলেন, “পূর্ব ভারতের প্রথম রোবোটিক টেলি-সার্জারি এই অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার জন্য একটি সংজ্ঞায়িত মুহূর্ত। উন্নত রোবোটিক সিস্টেমগুলিকে অত্যন্ত দক্ষ ক্লিনিকাল টিমের সাথে একত্রিত করে, আমরা নিরাপদ, আরও সুনির্দিষ্ট এবং অ্যাক্সেসযোগ্য অস্ত্রোপচার সেবা নিশ্চিত করছি। এই অর্জন দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণের বোঝা ছাড়াই উন্নত, অ্যাক্সেসযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও শক্তিশালী করে।”

St. Gallen International Breast Cancer Conference Debuts in India, Hosted by Institute of Breast Diseases, Kolkata

News Hungama:

Kolkata, March 6, 2026: In a significant milestone for oncology in India, the Institute of Breast Diseases, Kolkata (IBDK) hosted the India edition of the globally renowned St. Gallen International Breast Cancer Conference at Taj Taal Kutir, bringing together leading global and Indian experts to discuss advances in breast cancer treatment, research, and equitable care.

The St. Gallen Conference is one of the world’s most influential forums in breast oncology, where global experts review the latest scientific evidence and develop consensus recommendations that shape treatment guidelines worldwide.

The Kolkata conference saw participation from more than 10 international faculty members, over 200 national experts, and more than 500 delegates, reflecting the growing strength of India’s oncology ecosystem and its contribution to global cancer research. A recent nationwide study conducted in 2024 estimates that the incidence of breast cancer in India has tripled between 1990 and 2023. The incidence rate increased from 13 per 100,000 women in 1990 to 29.4 per 100,000 women in 2023.

The conference also saw the launch of Project Pink Army, a community-driven volunteer movement aimed at mobilising society in cancer awareness and patient support. It builds on IBDK’s earlier initiatives including Project Pink Alert, a cancer awareness programme for students that reached over 1.8 lakh participants in one of the world’s largest online cancer awareness webinars, recognised by the Guinness World Records.

Prof. Beat Thürlimann, St. Gallen, Switzerland, said, “Scientific progress in breast cancer must benefit patients everywhere. Platforms like this allow meaningful collaboration between global experts and clinicians working in diverse healthcare settings.”

Prof. Etienne Brain, Paris, added, “International collaboration is essential to address regional challenges in cancer care. Such exchanges help develop treatment approaches that are both scientifically robust and practically feasible.”

Highlighting the importance of multidisciplinary care, Prof Jens Houber, St Gallen, Switzerland, said, “Advances in breast cancer treatment require close collaboration between surgery, radiation oncology, and systemic therapies. Global dialogue accelerates progress for patients everywhere.”

A key academic highlight of the meeting was the presentation of more than 100 scientific abstracts and over 30 research proposals. Through a competitive grant programme, promising projects received funding support, while five young investigators were selected to present their work at the 2027 St. Gallen International Breast Cancer Conference in Vienna.

The conference also hosted the Asian Cancer Consensus Meet, where experts discussed unresolved clinical questions and treatment challenges specific to Asia, with outcomes expected to be published in a peer-reviewed medical journal.

Beyond academic discussions, the conference addressed a critical challenge in cancer care, access to treatment. Experts emphasised that barriers such as financial constraints, geographic limitations, and healthcare infrastructure gaps continue to hinder timely care, particularly in low- and middle-income countries.

Dr. Soumen Das, Director Institute of Breast Diseases, Kolkata, said, “Bringing the St. Gallen Conference to Kolkata places Indian clinicians and researchers at the centre of global academic dialogue and ensures that Indian data and solutions contribute to international cancer policy.”

Dr. Tanmoy Kumar Mandal, Director Institute of Breast Diseases, Kolkata, added, “This initiative goes beyond traditional academic exchange by funding research, supporting young investigators, and strengthening access-based models of cancer care relevant to our region.”

With global faculty participation, research funding, consensus-building discussions, and community engagement under one platform, the conference highlighted Kolkata’s emergence as an important hub for global cancer thought leadership and a step forward in advancing equitable breast cancer care across India and Asia.

দমদম নাগেরবাজার অঞ্চলের অধীনস্থ অজিতেশ মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দুই দিন ব্যাপী এক মনোগ্রাহী নাট্যোৎসব

News Hungama:

ডিজিটাল ডেস্ক:- পশ্চিমবঙ্গ নাট্য একাডেমির আর্থিক সহায়তায় দমদম ঐচ্ছিকের অষ্টম নাট্য উৎসব উপলক্ষে এ বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের গত ২১ এবং ২২শে ফেব্রুয়ারি দমদম নাগেরবাজার অঞ্চলের অধীনস্থ অজিতেশ মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দুই দিন ব্যাপী এক মনোগ্রাহী নাট্যোৎসব।

প্রদীপ প্রজ্বলন করে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক শুভ সুচনা করলেন বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব নাট্য সমালোচক শ্রী রঞ্জন গঙ্গোপাধ্যায়, এবং উপস্থিত ছিলেন নাট্য ব্যক্তিত্ব ও অধ্যাপক কুন্তল মুখোপাধ্যায় সহ আরো বহু নাট্য ব্যক্তিত্ববর্গ।প্রথমদিন অর্থাৎ ২১শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানের শুরুতে এক মনোজ্ঞ নৃত্যানুষ্ঠান পরিবেশন করেন সুদত্তা সাহা । ওই দিনের মূল আকর্ষণ ছিল দমদম ঐচ্ছিক-এর নবতম প্রযোজনা নাটক ‘কেজুরির কেচ্ছা’,নাটকটির নির্দেশনায় ছিলেনশ্রী কিংশুক চক্রবর্তী ।এছাড়াও ছিল নহলী নাট্যদলের প্রযোজনা ‘মধুবংসীর গলি’।দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২২শে ফেব্রুয়ারিতেও ছিল দমদম ঐচ্ছিক এর আরো একটি প্রযোজনা ‘বিষ বসন্ত’,নির্দেশনায় ছিলেন সুব্রত সেনগুপ্ত । এছাড়াও ছিল নটমহল নাট্য দলের প্রযোজনা ‘দীপ্তশিখা’ ও সৃষ্টি সালকিয়া নাট্য দলের প্রযোজনা ‘দণ্ডপানীর দণ্ড’। এই দুইদিনের নাট্য উৎসব‌-ই ছিল পর্যাপ্ত দর্শক সমাগমে আনন্দ মুখর।সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে দমদম ঐচ্ছিক এর প্রযোজনা ‘কেজুরির কেচ্ছা’ নাটকটি দর্শকদের কাছে এক পরম প্রাপ্তি।পরিচালক কিংশুক চক্রবর্তী যেভাবে আলো, মঞ্চ ও আবহের ব্যবহার করেছেন সেটা সত্যি চোখে পরার মতো। প্রত্যেক অভিনেতা ও অভিনেত্রী তাদের সাবলীল অভিনয়ে যথেষ্ট দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন।’বিষ বসন্ত’ দমদম ঐচ্ছিক এর অপর একটি প্রযোজনা নাটকটির বিষয়বস্তু ছিল একটু অন্যরকম,একটি শিশু মনের অন্তর্দ্বন্দ্ব যা দর্শকের মনে ভীষন ভাবে প্রভাব ফেলেছে ।মোটের উপর এই নাট্য-উৎসব ছিল দমদম ঐচ্ছিক এর এক আন্তরিক ,প্রানবন্ত ও সার্থক উদ্যোগ।