Tuesday, June 30, 2026
Home Blog

কলকাতায় ঐতিহাসিক চিঁড়া-দধি মহোৎসবের সূচনা,কয়েকশো ভক্ত সমাগম

News Hungama:

পাঁচশো বছরেরও বেশি প্রাচীন বৈষ্ণব ঐতিহ্যকে স্মরণ করে ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের উদ্যোগে রবিবার, দক্ষিন কলকাতায় সূচনা হল ‘কলকাতা চিঁড়া-দধি মহোৎসব’। শ্রীশ্রী নিত্যানন্দ প্রভুর আদেশে শ্রীল রঘুনাথ দাস গোস্বামী কর্তৃক প্রবর্তিত ঐতিহাসিক পানিহাটি চিঁড়া-দধি উৎসবের ৫১০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

এদিন দক্ষিন কলকাতায় ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের সামনে থেকে আরতি করে ও নারকেল ফাটিয়ে এই উৎসবের সূচনা করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

তিনি বলেন,শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আদর্শ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ুক।

ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের ডিন আরাধ্য ভগবান দাস বলেন, প্রায় ৫১০ বছর আগে গঙ্গার তীরে পানিহাটিতে শ্রীশ্রী নিত্যানন্দ প্রভুর নির্দেশে শ্রীল রঘুনাথ দাস গোস্বামী হাজার হাজার ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চিঁড়া ও দধির প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করেছিলেন। সেই ঘটনাই বৈষ্ণব সমাজে ‘চিঁড়া-দধি মহোৎসব’ নামে সুপরিচিত। ভক্তি, সেবা, সমতা এবং প্রসাদ বিতরণের এই অনন্য ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই কলকাতায় এই উৎসবের সূচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে ২০০-রও বেশি ভক্তের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা, মহা নগর-সংকীর্তন এবং সর্বসাধারণের জন্য বিনামূল্যে চিঁড়া-দধির প্রসাদ বিতরণ করা হয় জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মধ্যে।

ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের ডিন ও ট্রাস্টি সুমন্ত রুদ্র বলেন, “চিঁড়া-দধি মহোৎসব শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি ভালোবাসা, সেবা ও ভ্রাতৃত্ববোধের পাঁচশো দশ বছরের এক জীবন্ত ঐতিহ্য।

আগামী দিনে এই অনুষ্ঠানকে আরো বড়ো আকারে সকল মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান।

জোড়াসাঁকোয় ‘মন কি বাত’ শ্রবণ অনুষ্ঠানে জনসংযোগ

News Hungama:

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’ উপলক্ষে উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকোর কেশব চন্দ্র সেন স্ট্রিট কলকাতা ৯,এলাকায় বিজেপির পক্ষ থেকে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এলাকার বহু সাধারণ মানুষ, বিজেপির কর্মকর্তা ও কর্মী-সমর্থকরা এদিন উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিজয় ওঝা। তিনি উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সততা, মানবিকতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় মানবতা বলে মন্তব্য করে তিনি বিভেদ ভুলে ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। সমাজ উন্নয়নে যুবসমাজের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি সকলকে সচেতন ও দায়িত্বশীল মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসার ডাক দেন এবং শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সম্মানে গড়া সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিজেপির উত্তর কলকাতা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাফল্য, সামাজিক উদ্যোগ, পরিবেশ সচেতনতা, স্বনির্ভরতা এবং জাতীয় উন্নয়নের বিভিন্ন দিক এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা হয় বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

এদিনের অনুষ্ঠানে বিধায়ক বিজয় ওঝা ও সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জয় নারায়ণ সিং, সুবোধ দাস ও পঙ্কজ দাস সহ জোড়াসাঁকো এলাকার বিজেপির একাধিক কর্মকর্তা, কর্মী ও সমর্থক।

Ambuja Neotia hosts 9th Charles Correa Memorial Lecture

News Hungama:

Kolkata, June 26: Ambuja Neotia Group, in association with The Charles Correa Foundation, hosted the 9th edition of the Charles Correa Memorial Lecture at the Royal Bengal Room, City Centre Salt Lake, bringing together architects, students, design professionals and thought leaders for an evening dedicated to architecture, ideas and legacy.

Instituted in memory of one of India’s most influential architects, Charles Correa, the annual lecture series has evolved into a significant platform for dialogue on design, urbanism and the role of architecture in shaping communities. This year’s keynote address was delivered by renowned American architect Marlon Blackwell, whose work is celebrated globally for its deep connection to landscape, culture and place.

The evening commenced with a ceremonial lamp-lighting by Harshavardhan Neotia, Chairman, Ambuja Neotia Group, Madhu Neotia, Marlon Blackwell and distinguished members of the architect fraternity. Mr Neotia welcomed the audience and introduced Marlon Blackwell, who shared insights into his design philosophy, professional journey and presented a selection of his most acclaimed works.

Speaking on the occasion, Harshavardhan Neotia said, “Charles Correa was not merely an architect; he was a visionary who transformed the way we think about space, culture and community. His work demonstrated that architecture can be deeply contemporary while remaining rooted in its context and people. Through this lecture series, we seek to keep that spirit alive by creating a platform where ideas can inspire future generations of architects, designers and city-makers.”

A Fellow of the American Institute of Architects (FAIA), recipient of the prestigious 2020 AIA Gold Medal, and Distinguished Professor at the University of Arkansas, Marlon Blackwell is widely regarded as one of the most influential voices in contemporary architecture. Over a career spanning more than three decades, his practice has received over 215 design awards and international recognition for projects that place people, place and purpose at the centre of design.

Reflecting on Charles Correa, Blackwell said, “Charles Correa understood something many architects spend a lifetime pursuing – that the most meaningful buildings belong to the people who inhabit them. To speak in his memory, in a city that celebrates his legacy, is both an honour and a privilege.”

Blackwell joins an illustrious list of speakers who have participated in the lecture series since its inception. Previous editions have featured globally acclaimed architects including Peter Stutchbury, Andra Matin, Brinda Somaya, Bibhuti Man Singh, C. Anjalendran, K.T. Ravindran, Sanjay Mohe, Yung Ho Chang, Kashef Chowdhury, Uday Joshi, Richard Hassell, Kamal Hadker, Solano Benítez and Rahul Mehrotra.

The evening was anchored by renowned architect, author and principal organizer, Ashish Acharjee, who had worked closely with Charles Correa on landmark projects including the Jawhar Kala Kendra in Jaipur. Summing up Blackwell’s oeuvre, Acharjee said, “The mastery with which Blackwell blends function, context, culture and people in creating buildings that fuse seamlessly, is the hallmark of his architecture”

নারীদের জন্য বিনামূল্যে বাস পরিষেবা চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানাল “রেখা মোদীর নেতৃত্বাধীন স্ত্রী শক্তি – দ্য প্যারালাল ফোর্স ও উইমেন লিড

News Hungama:

কলকাতা, ১ জুন ২০২৬: ‘স্ত্রী শক্তি – দ্য প্যারালাল ফোর্স’ এবং ‘উইমেন লিড’ যৌথভাবে সোমবার, ১ জুন ২০২৬, বিকেল ৪টায় কলকাতার প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে। সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে নারীদের জন্য বিনামূল্যে বাস পরিষেবা চালুর সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানানো এবং এই গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য উদযাপন করাই ছিল এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য। সংগঠন দুটির মতে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুমোদিত এই উদ্যোগ নারীদের ক্ষমতায়ন, চলাচলের স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তাঁদের অভিমত, বিনামূল্যে গণপরিবহন সুবিধা নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দৈনন্দিন জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

 

এই নীতি কার্যকর হওয়ার ফলে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অষ্টম রাজ্য হিসেবে নারীদের জন্য বিনামূল্যে সরকারি বাসে ভ্রমণের সুবিধা প্রদানকারী রাজ্যগুলোর তালিকায় স্থান করে নিল। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক নারী, সমাজকর্মী এবং বিভিন্ন স্তরের সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা এই উদ্যোগকে একটি যুগান্তকারী সমাজকল্যাণমূলক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন এবং মত প্রকাশ করেন যে, এর ইতিবাচক প্রভাব শহর ও গ্রামের অসংখ্য নারীর দৈনন্দিন জীবন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে।

 

এই আয়োজনটি নারীদের জন্য সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য যাতায়াত ব্যবস্থার দাবিতে বিভিন্ন নারী সংগঠন ও গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের আন্দোলন, প্রচারণা ও লবিং কার্যক্রমের সফল পরিণতিকেও চিহ্নিত করেছে।

 

এই নীতিকে একটি “যুগান্তকারী পদক্ষেপ” হিসেবে অভিহিত করে ‘স্ত্রী শক্তি – দ্য প্যারালাল ফোর্স’-এর প্রতিষ্ঠাতা রেখা মোদী বলেন, “নারীদের জন্য বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের সুবিধা সীমিত আয়ের নারীদের যাতায়াত ব্যয়ের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে, ফলে তাঁরা আরও স্বাধীনভাবে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করতে পারবেন। বর্তমানে আমাদের সমাজে নারীরা পরিবার, পেশা এবং গৃহস্থালির দায়িত্ব—এই তিন ধরনের চাপ বা ‘ত্রিমুখী বোঝা’র মুখোমুখি হন। এই বাস্তবতায় বিনামূল্যে গণপরিবহন সুবিধা তাঁদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ১ জুন ২০২৬ থেকে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য আমরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে অভিনন্দন জানাই। আমরা আশা করি, আসাম, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, ছত্তিশগড়সহ দেশের অন্যান্য রাজ্যও শিগগিরই একই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। নারীদের জন্য বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের সুবিধা চালুকারী অষ্টম রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের এই পদক্ষেপ অন্যান্য রাজ্যের জন্যও একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।”

 

প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে (ময়দান টেন্ট, প্রেস ক্লাব পাথ, কলকাতা – ৭০০ ০৬৯) সাংবাদিক সম্মেলন শেষ হওয়ার পর নারী অংশগ্রহণকারীরা প্রেস ক্লাব চত্বর থেকেই একটি প্রতীকী বাসযাত্রায় অংশ নেন। সংগঠনের মতে, নারীদের জন্য ‘সহজলভ্য যাতায়াত ব্যবস্থার এক নতুন যুগের সূচনা’-কে প্রতীকীভাবে তুলে ধরতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই উদ্যোগটি ভারতে নারীর ক্ষমতায়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য পরিবহনের গুরুত্বকে জোরালোভাবে সামনে আনে। একই সঙ্গে এটি দেখায় যে, ধারাবাহিক জনঅভিযান ও অ্যাডভোকেসির মাধ্যমে কীভাবে দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তব নীতিগত পরিবর্তনে রূপ নিতে পারে। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, পশ্চিমবঙ্গে এই উদ্যোগের বাস্তবায়ন মূলত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ধারাবাহিক প্রচেষ্টা, জনসচেতনতা কার্যক্রম এবং নীতিগত দাবিরই ফলাফল, যার লক্ষ্য ছিল নারীর যাতায়াত সুবিধা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতাকে জননীতির আলোচনায় কেন্দ্রীয় গুরুত্বে নিয়ে আসা।

 

এই উদ্যোগের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে সংস্থাটি একটি গবেষণার উল্লেখ করে জানায় যে, নিম্ন আয়ের পটভূমি থেকে আগত নারীরা তাঁদের বার্ষিক ব্যক্তিগত ব্যয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যাতায়াত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবহন খাতে ব্যয় করেন। ‘স্ত্রী শক্তি’-এর হিসাব অনুযায়ী, বিনামূল্যে গণপরিবহন সুবিধা নারীদের বছরে প্রায় ২৪,০০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করতে সাহায্য করতে পারে। এই সাশ্রয়িত অর্থ তাঁদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক স্বস্তি হিসেবে কাজ করবে, যা পরবর্তীতে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পুষ্টি এবং পারিবারিক কল্যাণসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় করা সম্ভব হবে।

 

নারীদের জন্য বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের সুবিধা প্রদানকারী দেশের অষ্টম রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ একটি ক্রমবর্ধমান আন্দোলনের অংশীদার হলো, যা নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ, শিক্ষা, নিরাপত্তা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে যাতায়াত সুবিধাকে একটি মৌলিক ও অপরিহার্য মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

এক বিশেষ সংবর্ধনা সভা,আয়োজক ছিলেন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের অধ্যক্ষ রাকেশ সাহানি

News Hungama:

 ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির অভাবনীয় সাফল্যকে সামনে রেখে উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার ২ নম্বর মণ্ডলের অধীন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্যোগে এক বিশেষ সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের অধ্যক্ষ রাকেশ সাহানি।

এই সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ শাখার সহাধ্যক্ষ যশবন্ত সিং, রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিনহা, উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার অধ্যক্ষ তমোঘ্ন ঘোষ, জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রের নবনির্বাচিত বিধায়ক বিজয় ওঝা এবং ২ নম্বর মণ্ডলের অধ্যক্ষ জয়নারায়ণ সিং সহ দলের একাধিক বিশিষ্ট নেতা ও কর্মী।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতৃবৃন্দ বিধানসভা নির্বাচনে দলের সাফল্যের জন্য সাধারণ মানুষ, সমর্থক এবং তৃণমূল স্তরের কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে আগামী দিনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

অনুষ্ঠান সম্পর্কে ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের অধ্যক্ষ রাকেশ সাহানি জানান, “অনুষ্ঠানের প্রথমার্ধে উপস্থিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা জানানো হয়। পাশাপাশি দ্বিতীয়ার্ধে ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন বুথের তৃণমূল স্তরের কর্মীদেরও তাঁদের নিরলস পরিশ্রম ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সংবর্ধিত করা হয়েছে।”

 

উল্লেখ্য, নির্বাচনী সাফল্যের পর কর্মী ও নেতৃত্বের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা বৃদ্ধি করতেই এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি কর্মীদের মধ্যে আগামী দিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।

VAISHALI DEV — A FOUNDER, CEO, SERIAL ENTREPRENEUR, PHILANTHROPIST, WRITER, AND A VISIONARY LEADER RETURNS TO CANNES FILM FESTIVAL FOR SECOND YEAR — WALKING THE RED CARPET WITH PURPOSE, CULTURE, AND CONSCIOUS FASHION

News Hungama:

 

The glamour of the French Riviera witnessed more than fashion this season as Vaishali Dev made a powerful return to the prestigious Cannes Film Festival for her second consecutive year as an accredited attendee — representing not only elegance and Indian heritage, but also purpose-driven advocacy on one of the world’s most influential global platforms.

 

Walking five prestigious film premieres during the festival, Vaishali Dev used each red carpet appearance to amplify causes close to her heart, including mental health awareness, anti-human trafficking advocacy, educating children especially girls, spirituality, compassion-driven leadership, and devotion inspired by Radha consciousness and divine feminine energy.

 

As the CEO of the nonprofit organization Blume Foundation, Vaishali believes fashion and cinema hold the power to shape conversations, inspire humanity, and influence future generations beyond entertainment. Her Cannes appearances stood as a reminder that when women walk with intention, fashion transforms into a voice for healing, awareness, and impact.

 

Designed exclusively by internationally acclaimed couture designer Anjali Phougat, Vaishali’s breathtaking looks celebrated India’s timeless craftsmanship through consciously created couture pieces that blended heritage, spirituality, and regal artistry.

 

The award-worthy garments featured intricate handwork, flowing dramatic trails, vintage temple jewelry, Banarasi zari saris transformed into couture silhouettes, and luxurious embellishments with emeralds, rubies, diamonds, and antique detailing. Every ensemble was thoughtfully constructed not only for grandeur and visual storytelling but also with comfort, grace, and the natural movement of a woman’s body in mind.

 

From richly woven Banarasi textiles to handcrafted jewelry inspired by Indian royalty and sacred traditions, the couture represented a deeper message — preserving culture while presenting it on a global cinematic stage with pride and authenticity.

 

One of the most talked-about appearances included a spiritually inspired look paying tribute to Radha devotion and India’s sacred roots, creating conversations worldwide around spirituality in fashion and the importance of carrying culture with dignity on international platforms.

 

“Global stages like Cannes are not just for visibility; they are opportunities to represent values, culture, consciousness and compassion,” said Vaishali Dev. “Like a queen on a chess board, women have the power to move in any direction. Embrace your strength, strategize your path and never underestimate the ability to change the game.”

 

Designer Anjali Phougat added, “Fashion should not disconnect us from our roots. Through couture, craftsmanship, and meaningful representation, we can preserve heritage while inspiring a more conscious future for the next generation.”

 

Together, Vaishali Dev and Anjali Phougat brought a unique fusion of cinema, spirituality, philanthropy, and conscious couture to Cannes — proving that red carpets can become platforms for deeper purpose, cultural pride, and global awareness.

একটি স্ক্যানেই দ্রুত অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা, নতুন উদ্যোগ মণিপাল হসপিটালস ইস্টের

News Hungama:

কলকাতা, ২৭ মে ২০২৬: বিশ্ব জরুরি পরিষেবা দিবস উপলক্ষে সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্বের বার্তা নিয়ে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট তাদের নতুন জরুরি পরিষেবা উদ্যোগ “ওয়ান স্ক্যান ক্যান সেভ আ লাইফ” চালু করল। এই প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া এবং রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা, তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ ইন্দ্রনীল দাস, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও এইচওডি – অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি কেয়ার, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস; ডাঃ সুজয় দাস ঠাকুর, কনসালট্যান্ট ও ইন-চার্জ – ইমার্জেন্সি মেডিসিন, মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর এবং ডাঃ কিশেন গোয়েল, কনসালট্যান্ট ও এইচওডি – ইমার্জেন্সি, মণিপাল হসপিটাল ব্রডওয়ে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বহুল প্রতীক্ষিত বাংলা ছবি “ফুলপিশি অ্যান্ড এডওয়ার্ড”-এর শিল্পীরাও। ছবিটি পরিচালনা করেছেন জনপ্রিয় পরিচালক জুটি নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। তাঁদের উপস্থিতি এই উদ্যোগে এক সাংস্কৃতিক ও আবেগঘন মাত্রা যোগ করে এবং দ্রুত জরুরি পরিষেবার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর বার্তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

এই উদ্যোগে একটি কিউআর-কোড ভিত্তিক জরুরি পরিষেবা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি কিউআর কোড স্ক্যান করলেই সরাসরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন, নিজের লাইভ লোকেশন শেয়ার করতে পারবেন এবং জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা দ্রুত সক্রিয় করতে পারবেন। বিশেষ করে “গোল্ডেন আওয়ার”-এ, অর্থাৎ জরুরি ঘটনার পর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত চিকিৎসা পেলে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। এই প্রযুক্তি মণিপাল অ্যাম্বুল্যান্স রেসপন্স সার্ভিস (MARS)-এর সঙ্গে যুক্ত, ফলে দ্রুত সমন্বয় ও সময়মতো চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া সম্ভব হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ভারতে প্রতি চারটি মৃত্যুর মধ্যে প্রায় একটি হৃদরোগজনিত কারণে ঘটে। হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক জরুরি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, “গোল্ডেন আওয়ার”-এর মধ্যে চিকিৎসা শুরু করা গেলে হৃদরোগজনিত জরুরি অবস্থায় মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। এছাড়াও, ভারতে প্রতি বছর প্রায় দেড় লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয় সড়ক দুর্ঘটনায়। ট্রমা ও অর্থোপেডিক সমস্যাও জরুরি চিকিৎসার অন্যতম বড় কারণ।

স্নায়ুরোগজনিত জরুরি পরিস্থিতি নিয়ে ডাঃ জয়ন্ত রায়, ডিরেক্টর অ্যান্ড অ্যাডভাইজর এবং রিজিওনাল হেড (ইস্ট) – নিউরোলজি, মণিপাল হসপিটালস বলেন, “স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সময়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বলা হয় ‘টাইম ইজ ব্রেন’, কারণ স্ট্রোক শুরু হওয়ার পর প্রতি মিনিটে প্রায় ১৯ লক্ষ মস্তিষ্কের কোষ নষ্ট হতে পারে। চিকিৎসায় দেরি হলে স্থায়ী মস্তিষ্কের ক্ষতি, দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা বা মৃত্যুও হতে পারে। তাই দ্রুত উপসর্গ চেনা, তৎক্ষণাৎ জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত জরুরি পরিষেবা এবং সহজলভ্য স্বাস্থ্যব্যবস্থা রোগীদের গোল্ডেন আওয়ারের মধ্যে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা পেতে সাহায্য করবে।”

হৃদরোগজনিত জরুরি পরিস্থিতি নিয়ে ডাঃ দিলীপ কুমার, ডিরেক্টর ক্যাথ ল্যাব, সিনিয়র ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট, ডিভাইস অ্যান্ড স্ট্রাকচারাল হার্ট এক্সপার্ট, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস বলেন, “হৃদরোগজনিত জরুরি অবস্থায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হল উপসর্গ শুরু হওয়ার পর চিকিৎসা পেতে দেরি হওয়া। আতঙ্ক, সচেতনতার অভাব বা দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানোর অসুবিধার কারণে অনেক সময় নষ্ট হয়। ‘ওয়ান স্ক্যান ক্যান সেভ আ লাইফ’-এর মতো উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি জরুরি অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পাওয়ার প্রক্রিয়াকে সহজ করে। দ্রুত অ্যাম্বুল্যান্স সংযোগ ও দ্রুত পরিষেবা সমন্বয়ের মাধ্যমে রোগীরা সময়মতো চিকিৎসা পেতে পারবেন, যখন প্রতিটি সেকেন্ড অত্যন্ত মূল্যবান। হৃদরোগের প্রথম লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং জরুরি পরিষেবা আরও সহজলভ্য করা মৃত্যুহার কমাতে সাহায্য করবে।”

ট্রমা ও অর্থোপেডিক জরুরি পরিস্থিতি নিয়ে ডাঃ দেবাশিস চক্রবর্তী, ডিরেক্টর – অর্থোপেডিক্স, মণিপাল হসপিটাল ব্রডওয়ে বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনা ও ট্রমাজনিত আঘাত এখনও বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। ভাঙা হাড়, স্পাইনাল ইনজুরি, মাথায় আঘাত এবং অন্যান্য গুরুতর অর্থোপেডিক সমস্যায় দ্রুত চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ১৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর প্রথম কয়েক মিনিট খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ চিকিৎসায় দেরি হলে স্থায়ী শারীরিক অক্ষমতা বা প্রাণহানির ঝুঁকি বেড়ে যায়। দ্রুত অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা ও সমন্বিত ট্রমা কেয়ার রোগীর জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘ওয়ান স্ক্যান ক্যান সেভ আ লাইফ’-এর মতো উদ্যোগ দ্রুত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।”

এই উদ্যোগ সম্পর্কে ডাঃ সুজয় দাস ঠাকুর বলেন, “যে কোনও জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতিতে প্রতিটি সেকেন্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় রোগীর কাছে দ্রুত পৌঁছানো বা রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে আনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ‘ওয়ান স্ক্যান ক্যান সেভ আ লাইফ’ উদ্যোগটি প্রযুক্তির মাধ্যমে জরুরি পরিষেবাকে আরও সহজ করার জন্য তৈরি হয়েছে। শুধু কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মানুষ সরাসরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন, লাইভ লোকেশন শেয়ার করতে পারবেন এবং দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পেতে পারবেন। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, দুর্ঘটনা বা যে কোনও হঠাৎ শারীরিক সমস্যায় এটি অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দেয়। প্রযুক্তির পাশাপাশি এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার মানসিকতা তৈরি করা।”

এই উদ্যোগের লক্ষ্য সাধারণ মানুষের মধ্যে জরুরি পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং সবাইকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা। প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট জরুরি চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করে তুলতে চায়।

মানবতার স্পর্শে বস্ত্র বিতরণ ও শিক্ষাসামগ্রী প্রদান, কলকাতার কেশব চন্দ্র সেন স্ট্রিটে সমাজসেবা মূলক উদ্যোগ

News Hungama:

কলকাতা: উত্তর কলকাতার কেশব চন্দ্র সেন স্ট্রিট-এ মানবতার বার্তা পৌঁছে দিতে সমাজসেবামূলক উদ্যোগে এগিয়ে এল রতন দত্ত ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ও আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট। “মানবতার স্পর্শে” শীর্ষক এই বিশেষ অনুষ্ঠানে এলাকার অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের মহিলাদের হাতে বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা এবং সোনাগাছি এলাকার যৌনকর্মীদের কয়েকজন পুত্রকন্যার হাতে শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমএলএ তাপস রায় এবং এমএলএ বিজয় ওঝা। সমাজের সকল স্তরের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তাঁরা সামাজিক সচেতনতার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তমোঘ্ন ঘোষ(সভাপতি উত্তর কলকাতা বিজেপি), দেবাশীষ পাইন(রাজ্য কমিটির সদস্য),সঞ্জয় রায় (ট্রাস্টি,হিন্দু সৎকার সমিতি),সুমিতা রায় প্রেসিডেন্ট আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট, সুচরিতা পাল সহ একাধিক স্থানীয় নেতৃত্ব ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীনাদেবী পুরোহিত, মহাশ্বেতা মুখার্জি, স্বর্ণালী ঘোষ, চলচ্চিত্র পরিচালক বিমল দে, গৌতম সরকার, চিত্রশিল্পী দিবাকর চক্রবর্তী এবং জয় নারায়ণ সিং।

 

অনুষ্ঠানের আয়োজকদের বক্তব্য, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সোমনাথ সাহা।

মনিপাল হসপিটাল আয়োজন করল রোবোটিক প্রযুক্তিতে চিকিৎসায় নতুন অধ্যায়, ‘রোবোটিক সামিট ২০২৬’

News Hungama:

কলকাতা, ১২ মে, ২০২৬: জটিল ক্যানসার অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্টের পর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা—রোবোটিক-সহায়ক প্রযুক্তি ধীরে ধীরে পূর্ব ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবার ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে গড়ে তুলছে। জাতীয় প্রযুক্তি দিবস উপলক্ষে এবং আধুনিক চিকিৎসায় উন্নত প্রযুক্তির বাড়তে থাকা ভূমিকা উদযাপন করতে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট আয়োজন করল ‘রোবোটিক সামিট ২০২৬’। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমন বহু রোগী, যাঁরা রোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাঁদের পাশাপাশি মণিপাল হাসপাতাল গোষ্ঠীর বিশিষ্ট চিকিৎসকরা অংশ নেন এবং আলোচনা করেন রোবোটিক-সহায়ক চিকিৎসা ও নির্ভুল প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্য পরিষেবার ভবিষ্যৎ নিয়ে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি ড. সুশ্মিতা মিত্র, ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার মেশিন ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রাক্তন প্রধান এবং ফুল প্রফেসর (এইচএজি); ড. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল ডিরেক্টর, মণিপাল হসপিটালস ইস্ট; ড. কুণাল সরকার, ডিরেক্টর – কার্ডিওভাসকুলার অ্যান্ড থোরাসিক সার্জারি, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর ক্লাস্টার; ড. সৌরভ দত্ত, ডিরেক্টর – মণিপাল কমপ্রিহেনসিভ ক্যানসার কেয়ার, মণিপাল হসপিটালস মুকুন্দপুর, সল্টলেক ও শিলিগুড়ি ক্লাস্টার; ড. বিকাশ কাপুর, ক্লাস্টার ডিরেক্টর – অর্থোপেডিক্স, মণিপাল হসপিটালস মুকুন্দপুর ক্লাস্টার; ড. অরুণাভ রায়, এইচওডি – গাইনোকলজিক অনকোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস এবং সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গাইনোকলজিক অনকোলজি, মণিপাল হসপিটালস ব্রডওয়ে ও সল্টলেক; ড. অভয় কুমার, ডিরেক্টর – ইউরোলজি ও ইউরো-অনকোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস এবং সিনিয়র কনসালট্যান্ট – ইউরোলজি, মণিপাল হসপিটালস মুকুন্দপুর, ব্রডওয়ে ও সল্টলেক; ড. সুমন্ত দে, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও এইচওডি – রোবোটিক, অ্যাডভান্সড ল্যাপারোস্কোপিক, ব্যারিয়াট্রিক ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সার্জারি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস; ড. শুভাশিস সাহা, ক্লিনিক্যাল লিড – পেডিয়াট্রিক সার্জারি ও পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি, মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর; এবং ড. দেবাশিস চক্রবর্তী, ডিরেক্টর – অর্থোপেডিক্স, মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ে। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হাসপাতাল গোষ্ঠীর আরও বহু বিশিষ্ট চিকিৎসক ও অতিথিবৃন্দ।
“দ্য রোবোটিক বেঞ্চমার্ক” হিসেবে স্বীকৃত মণিপাল হসপিটালস ইস্ট ‘রোবোটিক সামিট ২০২৬’-এর মাধ্যমে পূর্ব ভারতের বৃহত্তম রোবোটিক হাসপাতাল নেটওয়ার্ক এবং রোবোটিক সার্জারি প্রোগ্রাম হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে। অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়, কীভাবে উন্নত রোবোটিক-সহায়ক প্রযুক্তি একাধিক বিভাগে রোগী পরিষেবা এবং অস্ত্রোপচারের ফলাফলকে পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে। ৩০০০-রও বেশি সফল রোবোটিক সার্জারি, ৩০-জনেরও বেশি দক্ষ রোবোটিক সার্জনের দল, ১০টিরও বেশি সার্জিক্যাল বিশেষত্বে দক্ষতা এবং কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে স্থাপিত পাঁচটি অত্যাধুনিক রোবোটিক সিস্টেমের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরিষেবা নেটওয়ার্কটি দেখিয়েছে কীভাবে এই প্রযুক্তি অধিক নির্ভুলতা, কম আঘাতজনিত অস্ত্রোপচার, দ্রুত আরোগ্য, কম পোস্ট-অপারেটিভ জটিলতা এবং উন্নত রোগী ফলাফল নিশ্চিত করছে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের রোবোটিক সার্জারি বিশেষজ্ঞদের অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়ে বিশেষ ‘রোবোটিক ডক্টর ব্যাজ’-ও চালু করা হয়। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে সচেতনতা, শিক্ষা এবং যৌথ জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট জুন ২০২৬-এ একটি বিশেষ ‘রোবোটিক ওয়ার্কশপ’-এর আয়োজনের কথাও ঘোষণা করেছে। এই কর্মশালায় চিকিৎসক, কর্পোরেট প্রতিনিধি এবং সংবাদমাধ্যমের সদস্যরা অংশ নেবেন। সেখানে রোবোটিক-সহায়ক সার্জারির প্রযুক্তি, তার ক্লিনিক্যাল সুবিধা, বিভিন্ন বিভাগে তার ব্যবহার এবং ভবিষ্যতের নির্ভুল চিকিৎসা ব্যবস্থায় তার বাড়তে থাকা ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
‘রোবোটিক সামিট ২০২৬’-এর প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. সুশ্মিতা মিত্র বলেন, “ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্রমশ স্মার্ট প্রযুক্তি, মেশিন লার্নিং, মেডিক্যাল ইমেজিং এবং রোবোটিক-সহায়ক প্রযুক্তির একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে আরও উন্নত হয়ে উঠবে। বর্তমানে রোবোটিক প্রযুক্তি শুধু অস্ত্রোপচারের নির্ভুলতা এবং ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেই নয়, বরং আরও নিরাপদ, কম আঘাতজনিত এবং রোগীকেন্দ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ডেটা সায়েন্স এবং বুদ্ধিনির্ভর প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে জটিল রোগ নির্ণয়, পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। ‘রোবোটিক সামিট ২০২৬’-এর মতো প্ল্যাটফর্ম চিকিৎসক, গবেষক, প্রযুক্তিবিদ এবং স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একসঙ্গে কাজ করার পরিবেশ গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন উদ্ভাবন এবং উন্নত রোগী পরিষেবাকে আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবে। মণিপাল হসপিটালস ইস্ট যে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক চিকিৎসার প্রসারে এবং রোবোটিক ও এআই-নির্ভর চিকিৎসা নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে, তা সত্যিই উৎসাহব্যঞ্জক।”
রোবোটিক কার্ডিয়াক সার্জারির অগ্রগতি নিয়ে ড. কুণাল সরকার বলেন, “রোবোটিক কার্ডিয়াক সার্জারি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং সার্জিক্যাল দক্ষতার একসঙ্গে ব্যবহারে হৃদরোগ চিকিৎসায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। আগে যেসব অস্ত্রোপচারে বড় চেরা এবং দীর্ঘ পুনর্বাসনের প্রয়োজন হতো, এখন তা অনেক ছোট ছেদের মাধ্যমে অধিক নির্ভুলতার সঙ্গে করা সম্ভব হচ্ছে। এতে রোগীর শারীরিক আঘাত কম হচ্ছে, ব্যথা কম হচ্ছে এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে। রোবোটিক প্রযুক্তি সার্জনদের উন্নত ভিজ্যুয়ালাইজেশন এবং নিখুঁত নিয়ন্ত্রণের সুবিধা দেয়, যার ফলে জটিল হৃদরোগ সংক্রান্ত অস্ত্রোপচারও অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। মণিপাল হসপিটালস ইস্ট পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রোগীদের জন্য বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসাকে আরও সহজলভ্য করে তুলতে দেশের অন্যতম উন্নত রোবোটিক কার্ডিয়াক সার্জারি প্রোগ্রাম গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
রোবোটিক-সহায়ক ক্যানসার সার্জারির বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তা নিয়ে ড. সৌরভ দত্ত বলেন, “বর্তমানে ক্যানসার চিকিৎসা ক্ষেত্রে রোবোটিক প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। এর মাধ্যমে অত্যন্ত জটিল অনকোলজিক্যাল অস্ত্রোপচার আরও বেশি নির্ভুলতা এবং নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে করা সম্ভব হচ্ছে। মণিপাল হসপিটালস ইস্টে রোবোটিক অনকোলজি বিশেষ করে শরীরের জটিল অংশে থাকা টিউমারের অস্ত্রোপচারে অসাধারণ সাফল্য এনে দিয়েছে। এর ফলে রক্তক্ষরণ, অপারেশনের পর ব্যথা, সংক্রমণের ঝুঁকি এবং সুস্থ হতে সময়—সবই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত কয়েক বছরে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল, থোরাসিক, গাইনোকলজিক্যাল এবং ইউরোলজিক্যাল ক্যানসার সার্জারিতে রোবোটিক প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। উন্নত রোবোটিক সিস্টেম এবং বহু-বিভাগীয় বিশেষজ্ঞ দলের মাধ্যমে আমরা পূর্ব ভারতের ক্যানসার রোগীদের জন্য আরও নিরাপদ অস্ত্রোপচার, দ্রুত আরোগ্য এবং উন্নত দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল নিশ্চিত করতে দৃঢ়ভাবে কাজ করে চলেছি।”
অর্থোপেডিক্সে রোবোটিক প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে ড. বিকাশ কাপুর বলেন, “রোবোটিক-সহায়ক অর্থোপেডিক সার্জারি জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট এবং হাড়-সংক্রান্ত চিকিৎসায় বড় পরিবর্তন এনেছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগীভিত্তিক অত্যন্ত নিখুঁত সার্জিক্যাল পরিকল্পনা করা সম্ভব হচ্ছে। রোবোটিক প্ল্যাটফর্ম সার্জনদের ইমপ্লান্টের সঠিক অবস্থান এবং অ্যালাইনমেন্ট নিশ্চিত করতে সাহায্য করে, যা রোগীর দ্রুত সুস্থ হওয়া, কম ব্যথা, দ্রুত পুনর্বাসন এবং দীর্ঘস্থায়ী ইমপ্লান্টের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাত্র দুই বছরের মধ্যেই মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাসে ১৫০০-রও বেশি রোবোটিক হাঁটু প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা রোগীদের আস্থারই প্রতিফলন। বর্তমানে রোবোটিক হাঁটু এবং হিপ রিপ্লেসমেন্ট সার্জারির ফলে রোগীরা কম সময় হাসপাতালে থাকছেন এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন। ভবিষ্যতে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থোপেডিক চিকিৎসা দীর্ঘস্থায়ী জয়েন্ট সমস্যায় ভোগা রোগীদের জীবনমান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
রোবোটিক-সহায়ক স্বাস্থ্য পরিষেবার বাড়তে থাকা অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট আগামীদিনেও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা পরিষেবার মাধ্যমে পূর্ব ভারতে বিশ্বমানের স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের সার্জিক্যাল উৎকর্ষ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পি.সি. চন্দ্র জুয়েলার্স এর মূল সংস্থা, পি.সি. চন্দ্র গ্রুপ, ভারতীয় সাহিত্য জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র শ্রী জাভেদ আখতার কে ৩৩তম পি.সি. চন্দ্র পুরস্কারে সম্মানিত করল

News Hungama:

কলকাতা, ৩রা মে ২০২৬: ৮৫ বছরেরও বেশি সময়ের ঐতিহ্য বহনকারী এবং পূর্ব ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পি.সি. চন্দ্র গ্রুপ তাদের স্বনামধন্য বিলাসবহুল গয়নার ব্র্যান্ড ‘পি.সি. চন্দ্র জুয়েলার্স-এর মাধ্যমে কলকাতায় আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি শব্দশিল্পী জাভেদ আখতার কে মর্যাদাপূর্ণ ৩৩তম পি.সি. চন্দ্র পুরস্কারে সম্মানিত করল। পি.সি. চন্দ্র গ্রুপ প্রবর্তিত এই পুরস্কারটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য কৃতিত্বকে স্বীকৃতি জানায় এবং এর দূরদর্শী প্রতিষ্ঠাতা শ্রী পূর্ণ চন্দ্র চন্দ্রের ঐতিহ্যকে সম্মান জানায়।

 

২০ লক্ষ টাকার করমুক্ত সম্মানীসহ এই পুরস্কারটি দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত হয় এবং প্রতি বছর প্রতিষ্ঠাতা শ্রী পূর্ণ চন্দ্র চন্দ্রের জন্মবার্ষিকীতে এটি প্রদান করা হয়। ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে, এই পুরস্কারটি গ্র্যান্ডমাস্টার বিশ্বনাথন আনন্দ, নোবেলজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী, প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পী শ্রীমতি আশা ভোঁসলে, ডা. দেবী শেঠি, শ্রী কপিল দেব, ওস্তাদ আমজাদ আলি খান, শ্রীমতি মেরি কম, শ্রী সোমনাথ এস. এবং শ্রী লিয়েন্ডার পেস-সহ দেশের বহু বরেণ্য ব্যক্তিত্ব কে সম্মানিত করেছে।

 

এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পি.সি. চন্দ্র জুয়েলার্স-এর জয়েন্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর, শ্রী সুভ্র চন্দ্র বলেন, “আজ আমরা ৩৩তম পি.সি. চন্দ্র পুরস্কারের মাধ্যমে জাভেদ আখতার কে সম্মানিত করছি—এটি এমন এক স্বীকৃতি, যা শ্রেষ্ঠত্ব, ঐতিহ্য এবং সুদীর্ঘ প্রভাবকে উদযাপন করে। একজন কবি, গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে তাঁর সৃষ্টিশীলতার জাদু প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রভাবিত করেছে এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।”

 

তিনি আরও বলেন, “পি.সি. চন্দ্র গ্রুপ-এর মূল দর্শনের মতোই—যা দীর্ঘস্থায়ী গল্প, মাইলফলক এবং বিশেষ মুহূর্তগুলোকে উদযাপন করে—তাঁর কাজও সময়ের গণ্ডি অতিক্রম করে মানুষকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে, হৃদয়ে গভীর অনুরণন সৃষ্টি করছে এবং অমর হয়ে রয়েছে। তাঁকে সম্মানিত করতে পেরে আমরা নিজেদের অত্যন্ত সৌভাগ্যবান মনে করছি।”

 

এই সন্ধ্যার অনুষ্ঠানটি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অলঙ্কৃত করেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক শ্রী গৌতম ঘোষ। তাঁর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পি.সি. চন্দ্র গ্রুপ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী অরুণ কুমার চন্দ্র, পি.সি. চন্দ্র জুয়েলার্স-এর জয়েন্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী সুভ্র চন্দ্র এবং ডিরেক্টর শ্রী প্রসেনজিৎ চন্দ্র।

 

পি.সি. চন্দ্র গ্রুপ পূর্ব ভারতের একটি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী। তাদের ফ্ল্যাগশিপ ব্র্যান্ড পি.সি. চন্দ্র জুয়েলার্স-এর মাধ্যমে গহনা শিল্পে ৮৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বাস ও গ্রাহক আস্থার এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্য গড়ে তুলেছে এই গ্রুপ; বর্তমানে সারা ভারতজুড়ে তাদের ৭৫টিরও বেশি শোরুম রয়েছে। গহনা শিল্পের পাশাপাশি আঠা, রাসায়নিক দ্রব্য, আতিথেয়তা, সফটওয়্যার, পরিবেশগত উদ্যোগ, আবাসন, রাবার চাষ এবং ভাড়াসেবা-সহ বিভিন্ন খাতে গ্রুপটি তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করেছে। বিশ্বজুড়ে ভোক্তা ও বিশিষ্ট গ্রাহকদের কাছে সুদৃঢ় সুনাম ও আস্থা অর্জনকারী এই সংস্থা একটি সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠান, যা নানা কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই উদ্যোগগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—জে.এল. চন্দ্র মেধা বৃত্তি, জে.এন. চন্দ্র অনুপ্রেরণা, জ্ঞানধারা, নিম বনানি এবং #স্টপ দ্য ড্রপ; যেগুলোর মূল লক্ষ্য শিক্ষা, পরিবেশ ও জনসমাজের উন্নয়ন সাধন।