Wednesday, February 11, 2026
Home Blog

The Earliest Win Starts At Zero—Apollo Cancer Centre, Kolkata launches Campaign ZERO TO HERO for World Cancer Day

News Hungama:

Kolkata, 11 February 2026: Building on the focus around World Cancer Day globally, Apollo Cancer Centre, Kolkata have launched the ‘ZERO TO HERO’ campaign to drive greater awareness around Stage Zero Cancer detection and enabling better survival and recovery.

Cancer cases in India are rising sharply, with over 15 lakh new diagnoses reported in 2024, and numbers continue to increase each year, according to ICMR-NCRP data presented in Parliament. With one in nine Indians now at lifetime risk, cancer has emerged as a pressing public health concern. Yet, over 70% of cases are identified only at late stages (III/IV), when treatment is tougher, outcomes are poorer, and the financial strain on families is significantly higher.

In response to the alarming trends, Apollo Cancer Centre, Kolkata’s Zero to Hero campaign spotlights the life-changing impact of Stage Zero detection and early intervention, turning a diagnosis into a story of survival. The initiative celebrates individuals who took timely action and emerged as heroes through awareness, access and prompt care. Though each cancer is unique (brain, breast, neck, lung, pancreas, liver, etc.), but these survivors are united by early diagnosis. Their collective journeys underscore the importance of catching cancer early: it can save lives.

Mr. Rana Dasgupta, CEO, Apollo Hospitals Eastern Region, said, “Early detection is not just a medical priority—it is a systems priority. The data consistently show that early-stage cancers have markedly higher disease-free survival and longer median survival compared to late-stage diagnoses. At Apollo Cancer Centre, Kolkata, we constantly strive to move beyond treatment to prevention and early detection. Recognising these cases early strengthens our cancer registries, enables faster care pathways, and helps more patients transition from diagnosis to survivorship. This approach has the potential to transform cancer care from reactive to proactive cancer control.”

Mr. Surinder Singh Bhatia, Director – Medical Services, Apollo Hospitals – Eastern Region, said, “Cancer does not begin at Stage Three or Stage Four, it begins quietly, often before symptoms appear. At Apollo Cancer Centre, Kolkata, the ‘Zero to Hero’ campaign is our way of shifting the conversation from late-stage rescue to early-stage wins. When cancer is detected at Stage Zero or Stage One, treatment is simpler, outcomes are stronger, and lives return to normal sooner. This campaign is about empowering people to act early, ask questions, and come forward without fear. Because the earliest diagnosis gives patients the greatest chance not just to survive cancer, but to live fully beyond it.

Dr Shaikat Gupta, Director & Senior Consultant, Surgical Oncology, Dr Supratim Bhattacharyya, Consultant, Surgical Oncology, and Dr Vikash Kumar Agarwal, Consultant, Surgical Oncology, of Apollo Cancer Centre, Kolkata, said in unison, “Every day, we see the difference early detection makes. When cancer diagnosed in its earliest stages, treatment is often less invasive, more effective, and survival rates improve significantly. But when diagnosis is delayed, the journey becomes far more complex. Early intervention not only improves survival but also preserves quality of life. That is why awareness, regular screening, and prompt care are so important—because the sooner we act, the better the outcome.”

Dr Joydeep Ghosh, Senior Consultant, Medical Oncology, Apollo Cancer Centre, Kolkata, said, “At the heart of the ‘Zero to Hero’ campaign is a simple truth—the real hero is the patient. When individuals prioritise awareness, undergo regular screening, and seek care at the earliest signs, they give themselves the strongest chance to beat cancer. As medical oncologists, we see firsthand than an early intervention can truly change the course of the disease, turning what could be a life-threatening diagnosis into a story of recovery and hope.”

Dr Tanweer Shahid, Director and Senior Consultant, Radiation Oncology, Apollo Cancer Centre, Kolkata, said, “Radiation therapy is most effective when cancer is identified early. Modern imaging has transformed how we diagnose cancer. At Stage Zero or Stage I, we can often target the tumour with highly focused treatment, reduce the need for extensive surgery or chemotherapy, and achieve better long-term outcomes. Campaigns like Zero to Hero highlight why timely diagnosis is as important as advanced technology in improving survival and quality of life.”

Ms Mili Mondal, One of the cancer heroes at Apollo Cancer Centre, Kolkata, proudly said, “When I was diagnosed, the word ‘cancer’ itself was terrifying. But catching it early changed everything for me. My treatment was more manageable, my recovery was faster, and most importantly, I never felt like my life was put on hold. Today, I look back and realise that listening to my body and seeking help early made me a survivor, not a statistic. Initiatives like ‘Zero to Hero’ remind people that cancer doesn’t always have to mean fear or loss; it can mean hope, if you act in time. Early detection gave me the chance to focus on living, not just fighting, and that made all the difference.”

নানা বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষনের মাধ্যমে বেকার যুবকযুবতীদের কর্মদক্ষ ও আত্মনির্ভর করে তুলছে রামকৃষ্ণ মঠ, বাগবাজার

News Hungama:

নানা বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষনের মাধ্যমে বেকার যুবকযুবতীদের কর্মদক্ষ ও আত্মনির্ভর করে তুলছে রামকৃষ্ণ মঠ, বাগবাজার

 

বেকার যুবক–যুবতীদের কর্মদক্ষ করে তুলে স্বনির্ভর জীবনের পথে এগিয়ে দিতে গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের আর্থিক সহায়তায় একাধিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে রামকৃষ্ণ মঠ, বাগবাজার–এর অধীন মা সারদা স্বনির্ভর কেন্দ্র।

২০২৫–২৬ বর্ষের প্রশিক্ষণ ব্যাচের সার্টিফিকেট বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হল শনিবার মঠ প্রাঙ্গনে।

এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ফ্লেবোটমি টেকনিশিয়ান, সেলাই মেশিন অপারেটর এবং ফিল্ড টেকনিশিয়ান – এসি ও অন্যান্য গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি মেরামতির মতো চাহিদাসম্পন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আয়োজকদের মতে, শুধুমাত্র সার্টিফিকেট নয়, বাস্তবমুখী হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে ৯০ জন যোগ্য প্রার্থীদের হাতে সংসাপত্র তুলে দেন গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারস এর ডিরেক্টর(ফাইনান্স) শ্রী নিরঞ্জন ভালেরাও,বাগবাজার রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষ স্বামী নিত্যমুক্তানন্দজি মহারাজ,জি আর এস ই–এর ডেপুটি ম্যানেজার (এইচআর–সিএসআর) শ্রী রবি সাহা এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাক্তন ডিএমই শ্রীদেবাশিস ভট্টাচার্য,স্বামী অভিন্নানন্দ প্রমুখ।

বক্তারা জানান, সমাজের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া এবং বেকার যুবসমাজকে দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের উপযুক্ত করে তোলাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

ব্যারাকপুরে তানিশকের নতুন শোরুম উদ্বোধন করলো অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী

News Hungama:

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬: টাটা গোষ্ঠীর অন্তর্গত এবং ভারতের বৃহত্তম জুয়েলারি রিটেল ব্র্যান্ড তনিশ্ক্ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে তাদের নতুন শোরুমের শুভ সূচনা করল। এই নতুন শোরুমটির উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট বাংলা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী এবং সুনীল রাজ, রিটেল হেড, দুপুর ৩টা নাগাদ। গ্র্যান্ড উদ্বোধন উপলক্ষে তনিশ্ক্ নিয়ে এসেছে এক আকর্ষণীয় অফার—যেখানে গ্রাহকরা প্রতিটি কেনাকাটার সঙ্গে পাচ্ছেন একটি সোনার মুদ্রা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে*। এই অফারটি প্রযোজ্য ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত। শোরুমের ঠিকানা: তনিশ্ক্, ৬(৪), এস.এন. ব্যানার্জি রোড, টাউন স্কোয়ার বিল্ডিং, ব্যারাকপুর ক্যান্ট, নিউ কোর্ট ব্যারাকপুরের নিকটবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ।

৫,৪০০ বর্গফুট জুড়ে বিস্তৃত এই শোরুমে থাকছে তনিশ্ক্-র আইকনিক ডিজাইনের এক বিশাল সম্ভার- ঝলমলে প্লেন গোল্ড, নজরকাড়া ডায়মন্ড, কুন্দন, পোলকি ও স্টাডেড সলিটেয়ার জুয়েলারির অনবদ্য সংগ্রহ। এই শোরুমে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে উৎসবের বিশেষ কালেকশন ‘নব-রাণী’, যা রাজদরবারের ঐশ্বর্য, মহিমান্বিত প্রাসাদ এবং সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের অনুপ্রেরণায় তৈরি। পাশাপাশি রয়েছে ‘ইলান’— এক জুয়েলারি কালেকশন যা উদযাপন করে আত্মবিশ্বাসী আধুনিক নারীদের, যেখানে ভাস্কর্যসদৃশ ডায়মন্ডের সঙ্গে মিশে গেছে আধুনিক ঐতিহ্যের ছোঁয়া। এছাড়াও ‘কঙ্কনকথা’ কালেকশনের মাধ্যমে উদযাপিত হয়েছে বাংলার ঐতিহ্য—সূক্ষ্ম কারুকার্যে নির্মিত উৎসবের চুড়ির অনন্য সম্ভারে। এছাড়াও, এই শোরুমে রয়েছে নজরকাড়া নকশার গয়না ও আধুনিক ডেইলি-ওয়্যার জুয়েলারির বহুমুখী সম্ভার ‘গ্ল্যামডেজ়’, পাশাপাশি আধুনিক, সমকালীন ও হালকা নকশার জুয়েলারি কালেকশন ‘আনবাউন্ড’—একটি ন্যাচারাল ডায়মন্ড কালেকশন, যা আধুনিক নারীর স্বতন্ত্রতাকে উদযাপন করে। এছাড়া শোরুমে থাকছে তনিশ্ক্-র বিশেষ ওয়েডিং জুয়েলারি সাব-ব্র্যান্ড ‘রিভাাহ’-এর অনবদ্য গয়নার সম্ভার। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নারীদের ফ্যাশন রুচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অত্যন্ত যত্নসহকারে তৈরি এই কালেকশনটি বিবাহের কেনাকাটার জন্য এক ওয়ান-স্টপ ডেস্টিনেশন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

উদ্বোধন উপলক্ষে সুনীল রাজ, রিটেল হেড বলেন, “আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে উপস্থিতির আরও প্রসারণ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই লঞ্চের মাধ্যমে ব্যারাকপুরে তনিশ্ক্-র নতুন শোরুমের সূচনা হলো, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে আমরা আমাদের উৎকৃষ্ট কারুশিল্প ও পরিষেবার প্রতিশ্রুতি আরও দৃঢ় করলাম। এই নতুন শোরুমে উপস্থাপিত হয়েছে নজরকাড়া ও অনুপ্রেরণাদায়ক জুয়েলারি কালেকশনের এক বিশাল সম্ভার—যা প্রতিটি রুচি ও উপলক্ষের জন্য নিখুঁত মানানসই। আমরা ব্যারাকপুরের সকল বাসিন্দাকে আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানাই—নিজেদের বাড়ির কাছেই তনিশ্ক্-র বিশ্বাসযোগ্য গুণমান, স্বচ্ছ মূল্যনীতি এবং উন্নত মানের জুয়েলারি কেনার অভিজ্ঞতা উপভোগ করার জন্য।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী বলেন, “বছরের পর বছর ধরে তনিশ্ক্ বাংলার নারীদের জন্য এমন গয়না উপহার দিয়ে এসেছে, যা একদিকে গভীরভাবে আমাদের সাংস্কৃতিক অনুভূতিতে প্রোথিত, অন্যদিকে আধুনিক ডিজাইন ভাবনাকেও সুন্দরভাবে আপন করে নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি থেকেই তনিশ্ক্ বরাবর অনুপ্রেরণা নিয়ে এসেছে, আর এই ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পারা আমার কাছে সবসময়ই বিশেষ আনন্দের। ব্যারাকপুরে এই নতুন শোরুমের উদ্বোধন করতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত। তনিশ্ক্ তার সৌন্দর্য ও পরিমার্জিত নকশার মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বিশ্বাস ও প্রশংসা অর্জন করেছে, আর এই নতুন শোরুমটি আধুনিক নারীদের অত্যন্ত সুন্দরভাবে উদযাপন করছে। আমি সকলকে আমন্ত্রণ জানাই—এই নতুন ঠিকানায় এসে তনিশ্ক্-র ডিজাইনের অনন্য অভিজ্ঞতা অনুভব করার জন্য।”

সাহিত্য, আধ্যাত্মিকতা ও অন্তর্দর্শনের মেলবন্ধনে কলকাতায় উন্মোচিত কার্তিকেয় বাজপেয়ীর বই ‘দ্য আনবিকামিং’

News Hungama:

কলকাতা, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: শহরের সাহিত্য জগতে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী থাকল কলকাতা, যখন প্রথমবারের মতো ঔপন্যাসিক কার্তিকেয় বাজপেয়ী তাঁর বই দ্য আনবিকামিং উন্মোচন করলেন। যে শহরে সাহিত্য ও আধ্যাত্মিকতা দীর্ঘদিন ধরে এক পবিত্র সংলাপে আবদ্ধ, সেই কলকাতাতেই বইটির প্রকাশ এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ‘সিটি অব জয়’-এ আয়োজিত এই অনুষ্ঠান লেখালেখি, চিন্তন ও আত্মঅনুসন্ধানের ঐতিহ্যকে নতুন করে উদযাপন করল।

পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া প্রকাশিত এই বইটির মোড়ক উন্মোচন হয় আইকনিক অক্সফোর্ড বুকস্টোরে। অনুষ্ঠানটি ছিল অন্তরঙ্গ ও ভাবনাপ্রবণ, যেখানে ৯১.৯ ফ্রেন্ডস এফএম-এর হেড জিমি ট্যাংগ্রি কার্তিকেয় বাজপেয়ীর সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন। সেশনটিতে বর্ষীয়ান অভিনেতা ও লেখক শ্রী বারুণ চন্দ্রের উপস্থিতি অনুষ্ঠানের মর্যাদা ও সাহিত্যিক গাম্ভীর্য আরও বৃদ্ধি করে লেখক, গবেষক ও পাঠকদের উপস্থিতিতে আলোচনাটি এক শান্ত, মননশীল আবহ তৈরি করে যা কলকাতার চিন্তা, বিশ্বাস ও সাহিত্যিক উত্তরাধিকারের সঙ্গে বইটির দার্শনিক গভীরতার প্রতিফলন ঘটায়।

বইটির ভূমিকায় পরম পবিত্র দালাই লামা এবং স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দের অবদান রয়েছে। অনুষ্ঠানের সময় এই ভূমিকাগুলির উল্লেখ করা হয়, যা বইটির আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক গুরুত্বকে আরও দৃঢ় করে এবং এক জীবন্ত অন্তর্দর্শন ও করুণার ধারার সঙ্গে বইটিকে যুক্ত করে।

বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লেখক কার্তিকেয় বাজপেয়ী বলেন, “দ্য আনবিকামিং এই উপলব্ধির উপর ভিত্তি করে লেখা যে আমাদের অধিকাংশ দুঃখ-কষ্টের উৎস হলো ভয় ও প্রত্যাশা থেকে গড়ে ওঠা পরিচয়ের সঙ্গে আঁকড়ে থাকা। এটিই মূলত একজন মানুষ হিসেবে আমাদের সীমাবদ্ধ করে দেয়। তাই নিরাকার হোন, চিন্তার ভার নামান এবং নিজের তৈরি করা ভাবমূর্তি ও অন্যের আরোপিত ধারণা থেকে নিজেকে মুক্ত করুন। ‘আনবিকামিং’ হলো এক নীরব প্রত্যাবর্তন যেখানে জীবনের উপর কোনো উদ্দেশ্য চাপিয়ে না দিয়ে তাকে নিজের অর্থ উন্মোচনের সুযোগ দেওয়া হয়। আধুনিক জীবনে অন্তর্দর্শন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়; এটি আমাদের সচেতনতা ও উপস্থিতির মধ্যে স্থির রেখে স্পষ্টতার সঙ্গে কাজ করতে সাহায্য করে।”

অনাসক্তি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “মায়া দুটি শক্তির মাধ্যমে কাজ করে ভয় ও লোভ। এই দু’টি আমাদের মনোযোগকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে নেয়। অনাসক্তি মানে সরে যাওয়া নয়, বরং যা বাস্তব তার দিকে মনোযোগের প্রত্যাবর্তন।”

এই কথোপকথন শ্রোতাদের গভীরভাবে আকৃষ্ট করে এবং বইয়ের মূল বিষয়বস্তু পরিচয়, অন্তর্দৃষ্টির স্বচ্ছতা, জীবনের উদ্দেশ্য ও ‘আনবিকামিং’-এর প্রক্রিয়া নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। আধুনিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, স্থিতিস্থাপকতা এবং অর্থের সন্ধান নিয়ে ভাবনার মধ্য দিয়ে ক্রমশ অস্থির হয়ে ওঠা পৃথিবীতে আত্মসমীক্ষার গুরুত্বকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। শ্রোতাদের মনোযোগী অংশগ্রহণ আলোচিত বিষয়গুলির প্রাসঙ্গিকতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে।

দ্য আনবিকামিং একটি মননশীল উপন্যাস, যার কেন্দ্রে রয়েছে সিদ্ধার্থ একজন খ্যাতনামা ক্রিকেটার এবং তাঁর দীর্ঘদিনের কোচ অজয়-এর সম্পর্ক। গুরু-শিষ্য সম্পর্কের এই বন্ধন যখন পরীক্ষার মুখে পড়ে, তখন দু’জনকেই পরিচয়ের মায়া, অজানার ভয় এবং প্রত্যাশার ভারের মুখোমুখি হতে হয়। আবেগঘন সত্য ও দার্শনিক অনুসন্ধানের সঙ্গে গল্প বলার শৈলী মিলিয়ে উপন্যাসটি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া পরিচয় ছেড়ে নিজের প্রকৃত সত্তায় ফিরে যাওয়ার শিল্পকে অনুসন্ধান করে।

লেখক সম্পর্কে:

কার্তিকেয় বাজপেয়ী একজন বিশিষ্ট আইনজীবী এবং নয়াদিল্লিতে অবস্থিত একটি বুটিক ল ফার্মের প্রতিষ্ঠাতা। এমবিএ ডিগ্রিধারী কার্তিকেয় কর্পোরেট মার্কেটিংয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি, আইনগত দক্ষতা এবং মানবিক বোধের এক অনন্য সংমিশ্রণ গড়ে তুলেছেন। তবে ব্যবসা ও আইনের জগতের বাইরে তাঁর প্রকৃত যাত্রা ছিল অন্তর্মুখী নীরবতা, সচেতনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের দিকে।

শৈশব থেকেই ক্রিকেটপ্রেমী কার্তিকেয় এগারো বছর বয়সেই অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় স্তরে নিজের রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন। বর্তমানে তিনি লইয়ার্স ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপে টিম ইন্ডিয়া লইয়ার্স-এর হয়ে খেলেন। খেলাধুলার শৃঙ্খলা তাঁকে যোগচর্চার ত্রাটক অনুশীলনের দিকে নিয়ে যায়, যা পরবর্তীতে ট্রান্সসেনডেন্টাল মেডিটেশন, মহামুদ্রা–মহাযান বৌদ্ধ সাধনা এবং মহাবতার বাবাজির ক্রিয়া যোগ দ্বারা সমৃদ্ধ হয়।

তাঁর প্রথম কল্পকাহিনি এই অন্তর্দর্শনমূলক যাত্রা থেকে প্রাপ্ত উপলব্ধিগুলিকে একত্র করে, যেখানে পেশাগত দক্ষতা ও আধ্যাত্মিক অনুসন্ধানের মিলনে আবিষ্কৃত জ্ঞান পাঠকদের সামনে মেলে ধরা হয়। বইটি কার্তিকেয়র সচেতনভাবে বেঁচে থাকার আজীবন অনুসন্ধান এবং অন্যদের মধ্যে অন্তর্নিহিত স্থিরতা, শক্তি, সৃজনশীল প্রবাহ ও স্পষ্টতা আবিষ্কারে সহায়তা করার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করল বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি

News Hungama:

কলকাতা, ২ ফেব্রুয়ারি:

ভারতের অন্যতম প্রাচীন বাণিজ্যিক সংগঠন Bengal National Chamber of Commerce & Industry (BNCCI)–এর ১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল। কলকাতার ২৩, আর. এন. মুখার্জি রোডে অবস্থিত BNCCI হাউস–এ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের সদস্যবৃন্দ ও বিশিষ্ট অতিথিরা।

 

১৮৮৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতীয় উদ্যোগপতিদের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের ইতিহাস ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিশিষ্ট বাঙালি জমিদার ও শিল্পপতিরা। পরবর্তীকালে মারোয়ারি ও গুজরাটি উদ্যোক্তারাও এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৮৮৭ সালে চেম্বারের প্রথম সভাপতি ছিলেন রাই বুদ্ধ্রী দাস মুক্কিম বাহাদুর। এছাড়াও রাজা সিউ বক্স বাগলা, কাশিমবাজার রাজ পরিবারের মহারাজা মনীন্দ্রচন্দ্র নন্দী, নলিনী রঞ্জন সরকার, অমৃতলাল ওঝার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা এই চেম্বারের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

 

অনুষ্ঠানে BNCCI–র সভাপতি শ্রী অশোক কুমার বণিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, প্রতি বছর প্রতিষ্ঠা দিবসে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মানিত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন

ড. ডোমিনিক সাভিও, প্রিন্সিপাল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (অটোনোমাস), কলকাতা এবং

শ্রী কুশল চৌধুরী, সেক্রেটারি, দক্ষিণেশ্বর কালী টেম্পল ট্রাস্ট।

 

এছাড়াও সম্মানীয় অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন বিশিষ্ট পরিবেশবিদ শ্রী সুভাষ দত্ত। অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রত্যেককে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

এই উপলক্ষে ডাইরেক্টর ও চেয়ারম্যান এবং ফরেন ট্রেড স্ট্যান্ডিং কমিউনিটি ঋত্বিক দাস ও বিশিষ্ট শিল্পপতি কুনাল শাহ সংবাদ মাধ্যমের সামনে BNCCI–র গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পোন্নয়নে চেম্বারের অবদানের কথা তুলে ধরেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রী সৌমিক দত্ত( ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রিজিওনাল হেড.AU Small Finance Bank), শ্রী সঞ্জীব কুমার( জেনারেল সেক্রেটারি সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ অ্যালুমিনি অ্যাসোসিয়েশন), শ্রী ফিরদৌস আল হাসান( ফিল্ম ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া), শ্রী শ্যামল কর্মকার( ম্যানেজিং ডাইরেক্টর S&IB-Tentative), পূর্ব প্রধান BNCCI শ্রী অরুন কুমার চন্দ্রা, শ্রী সমীর কুমার ঘোষ, শ্রীমতি বাণী রয় চৌধুরী এবং শ্রী জি পি সরকার আরও বিশিষ্ট গুণীজনেরা।

 

ঐতিহ্য, ইতিহাস ও আধুনিকতার সেতুবন্ধনে দাঁড়িয়ে BNCCI আজও দেশের বাণিজ্য ও শিল্পক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে—এমনই বার্তা উঠে আসে এই ১৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে।

মন্মথপুরে স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের ১৩১তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে প্রণবানন্দের বেশে ছাত্রছাত্রীদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

0

News Hungama:

 

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্মথপুরে গভীর ভক্তি, আধ্যাত্মিক আবহ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে উদযাপিত হল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য্য শ্রীশ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের ১৩১তম আবির্ভাব দিবস। এই উপলক্ষে মন্মথপুর প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দির থেকে প্রণব মন্দির পর্যন্ত এক অভিনব ও তাৎপর্যপূর্ণ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়, যেখানে ১৩১ জন ছাত্রছাত্রী স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের বেশে সজ্জিত হয়ে অংশ নেয়।

রঙিন পোশাক, তিলক ও ঐতিহ্যবাহী সাজে সজ্জিত খুদে ছাত্রছাত্রীরা এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে একদিকে যেমন মহান সন্ন্যাসীর জীবনাদর্শকে তুলে ধরেছে, তেমনি বর্তমান যুগের অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে নৈতিক ও মানবিক শক্তির প্রয়োজনীয়তার বার্তাও দিয়েছে। শিশুদের এই সৃজনশীল ও ভাবগম্ভীর উপস্থাপনা উপস্থিত দর্শক ও ভক্তদের গভীরভাবে নাড়া দেয়।

শোভাযাত্রা শেষে প্রণব মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় একটি প্রদর্শনী। সেখানে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের দশটি বর্ণময় কর্মধারা -জনসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ত্রাণ, তীর্থসংস্কার ও মানবকল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ড চিত্র ও মডেলের মাধ্যমে তুলে ধরেন প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্রছাত্রীরা। এর মাধ্যমে শিশুদের মধ্যেই স্বামী প্রণবানন্দজীর আদর্শ ও সেবামূলক দর্শনের বীজ বপনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছেও সঙ্ঘের কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের কাছে স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের জীবন ও কর্মের সঙ্গে পরিচয় করানো এবং বর্তমান যুগের প্রয়োজন অনুযায়ী নৈতিকতা, শুদ্ধতা ও মানবিকতার প্রকৃত শক্তিকে প্রতিষ্ঠা করা। আয়োজকদের মতে, নকল ও ভোগবাদী সংস্কৃতির বিপরীতে সত্যিকারের আধ্যাত্মিক ও মানবিক মূল্যবোধই পরিবার ও সমাজকে শক্তিশালী করে তোলে।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে মন্মথপুর প্রণব মন্দির কর্তৃপক্ষ। সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক পরিবেশে রীতি মেনে শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের আগমনকে গুরুত্ব দিয়ে দেবত্বে বরণ, পূজা-আরতি ও ভোগ নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি হয়। ভক্তদের উপস্থিতিতে প্রণব মন্দির প্রাঙ্গণ এক পবিত্র ও আনন্দময় আবহে ভরে ওঠে।

মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি , স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বিধি মেনে আয়োজন করা হবে ১১তম প্রণব রথযাত্রা। ওই দিন দুপুর ২টা থেকে এই রথযাত্রা শুরু হবে, যা মন্মথপুর এলাকায় এক বৃহৎ আধ্যাত্মিক উৎসবে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের জীবনদর্শন ও সেবামূলক আদর্শকে সামনে রেখে মন্মথপুরের এই আয়োজন শুধু এক স্মরণোৎসব নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হৃদয়ে মানবসেবা ও আধ্যাত্মিকতার বীজ বপনের এক মহৎ প্রয়াস হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

ঋক জয়সওয়াল ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “ব্রিজ টু ইউথোপিয়া”-এর পোস্টার লঞ্চের মাধ্যমে এক শক্তিশালী ছাপ ফেলেছেন

News Hungama:

কলকাতা,ডিজিটাল ডেস্ক: ঋক জয়সওয়াল ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “ব্রিজ টু ইউথোপিয়া”-এর পোস্টার লঞ্চের মাধ্যমে এক শক্তিশালী ছাপ ফেলেছেন। থিয়েটার অভিনেতা থেকে চলচ্চিত্র নির্মাতা, ঋক পর্দায় কাঁচা, অসম্পূর্ণ বাস্তবতা এনেছেন এমন একটি গল্পে যা আবর্তিত হয় এক পাগলা মহিলার চারপাশে যে অপ্রত্যাশিতভাবে গর্ভবতী হয়। তার সংগ্রাম, প্রত্যাখ্যান এবং বেঁচে থাকার যাত্রা ছবির আবেগগত মূল গঠন করে।প্রবীণ অভিনেতা অনুপম খের, চলচ্চিত্র নির্মাতা সুদীপ্ত সেন এবং প্রযোজক ও ফিল্ম ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার সভাপতি রবি কোট্টাকরা কর্তৃক উন্মোচিত পোস্টারটিতে মহিলা এবং একটি শিশুকে দেখানো হয়েছে – কলকাতার মধ্যে বিদ্যমান কিন্তু খুব কমই শোনা যায় এমন ভুলে যাওয়া কণ্ঠস্বরের প্রতীক।”ব্রিজ টু ইউটোপিয়া কেবল একটি চলচ্চিত্র নয় – এটি সমাজের অশ্রুত কণ্ঠস্বর যা অন্বেষণ করা উচিত,” লঞ্চের সময় জয়সওয়াল বলেন।

“কানে পোস্টার লঞ্চ করার মাধ্যমে ছবিটি বিশ্বব্যাপী তার প্রাপ্য উপস্থিতি পেয়েছে।”*কলকাতার বস্তিতে প্রোথিত, ছবিটির কাস্টে সেই সম্প্রদায়ের শিশুরাও রয়েছে যা এটি চিত্রিত করে। মঞ্চনাটকে আসার আগে থিয়েটারে ক্যারিয়ার শুরু করা *ঋক ব্যক্তিগতভাবে এই বস্তিগুলিতে অভিনয় কর্মশালা পরিচালনা করেছিলেন, স্থানীয় প্রতিভাদের লালন-পালন করে গল্পে সত্যতা এনেছিলেন*।অভিনেতা হিসেবে বছরের পর বছর কাজ করার পর, ক্যামেরার পিছনে ঋক এর কঠোর পরিশ্রমের ফলাফল। “যাত্রা দীর্ঘ, কিন্তু এটি কঠোর পরিশ্রম এবং ঈশ্বরের আশীর্বাদ প্রাপ্ত।”ব্রিজ টু ইউটোপিয়া ইতিমধ্যেই একটি গভীর প্রতীকী এবং সামাজিকভাবে অনুরণিত অভিষেক হিসেবে গুঞ্জন তৈরি করছে – যা ঋককে ভারতীয় স্বাধীন সিনেমায় একজন সাহসী নতুন কণ্ঠস্বর হিসেবে স্থান দেয়।

গো লাইভ স্টোরি এবং ইওন ফিল্মসের সহযোগিতায় ঋক ফিল্ম প্রযোজনা “ব্রিজ টু ইউথোপিয়া”র পিছনে যাদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে তারা হলেন।গল্প, চিত্রনাট্য এবং পরিচালনা: ঋক জয়সওয়াল,প্রযোজক অর্জুন অশোক কুমার সাউ,ঋক জয়সওয়াল,মোহন দাস,সহ-প্রযোজক জনি,ডিওপি: স্বপ্নিল কর্মকার, অভিনয়ে : কৃষ্ণ যাদব, ঝিল, ঋক জয়সওয়াল, ইশা মুখার্জি, রাত্রি চৌধুরী,সুজাতা ঘোষ, অভি গুপ্ত: মিঠুন,শিল্প পরিচালক: উম্মত,সৃজনশীল সম্পাদক: মলয় মন্ডাল,শব্দ: তীর্থঙ্কর মজুমদার,সঙ্গীত কুশল ও পিজুশ,ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক: কুশল ও সোহাম রো,অনিন্দিতা বোস।

কান চলচ্চিত্র উৎসব ছাড়াও আরো বেশ কিছু পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছে এই ছবি ১.সিআইসি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (ভারতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার),২. শূন্যতম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (সেরা পরিচালক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার),৩. পেনজ্যান্স আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (সেরা অভিষেক পরিচালক),৪. পেনজেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার),৫. পেনজেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার),৬. হোহে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব জার্মানি (সেরা পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র উৎসব পুরস্কার),৭. ইয়াথাকথা চলচ্চিত্র ও সাহিত্য উৎসব (সেরা পরিচালকের পুরস্কার),৮. খাজুরাহো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব,৯. 6 ইন্টারন্যাশনাল কলকাতা শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল 2026।।

কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে পালন করা হলো রক্তদান শিবির

News Hungama:

কলকাতা ২৪ জানুয়ারী ২০২৬:কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে নেতাজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রক্তদান উৎসব পালন করা হল। মাননীয় সমাজ সেবক বাবুন ব্যানার্জির উদ্যোগে ২হাজারের বেশি মানুষ এই শিবিরে রক্তদান করেন। এই রক্তদানকে সাফল্যমন্ডিত করে তুলতে এবং মানুষকে উৎসাহ দিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি এবং রাজ্যসভা্র সাংসদ সুব্রত বক্সি মহাশয়

রাজনীতিবিদ জয়প্রকাশ মজুমদার, সঞ্জয় বক্সী সমাজসেবী অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফুটবলার দিব্যেন্দু বিশ্বাস,রহিম নবীর এবং সঞ্জয় মাঝি, বিশিষ্ট ডাক্তার সুদীপ্ত রায় চৌধুরী, বক্সার আলি কামার ও রাজনৈতিক এবং সামাজিক ব্যক্তিত্বরা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ এই রক্ত দানের জন্য হাজির হন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। ১৯৯৮ সালে মাত্র ৫০৪ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে নিয়ে যে উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল, আজ তা রূপ নিয়েছে এক বৃহৎ সামাজিক আন্দোলনে।এই রক্তদান শিবিরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল এর সার্বজনীন চরিত্র। ধর্ম, জাতি কিংবা ভাষার বিভাজন ছাপিয়ে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান—সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই মানবতার ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়। এবারে কলকাতা এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রক্তদাতারা এসে উপস্থিত হন নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে। বাদ যায়নি দেশের সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও। যেহেতু সারা বছরই রক্তের প্রয়োজন রয়েছে তাই বাবুন ব্যানার্জীর উদ্যোগে এই শিবিরের মাধ্যমে যে রক্ত সংগ্রহ করা হয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত প্রয়োজনে সে রক্ত পেয়ে থাকে। আপামর জনসাধারণ সে কথা স্বীকার করেছেন। যে সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রক্তদানে উপস্থিত ছিলেন তারাও জানান রক্তের প্রয়োজনীয়তার কত মাথায় রেখে কিভাবে বাবুন ব্যানার্জি রক্তের দানের মাধ্যমে এক মানব আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। যা সামগ্রিক ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে যেমন তার প্রতি আশা জাগিয়েছে এবং সমাজসেবার এক নয়া নিদর্শন তুলে ধরেছেন। তাই রাজ্যের বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিরাও এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রত্যেক উৎসাহ দিয়ে গেছেন।

বিশ্বাসের শতাধিক বছর উদযাপনে বিপি অয়েল মিলস-এর কেন্দ্রে হাতি মার্কা

News Hungama:

 

কলকাতায় অনুষ্ঠিত ডিলার মিটে হাতি মার্কার ঐতিহ্য, অংশীদারদের আস্থা এবং ঐতিহ্য ও উদ্ভাবনের ভিত্তিতে বিপি অয়েল মিলসের ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে।

 

কলকাতা, ২১ জানুয়ারি ২০২৬: আজকের দিনে ভোক্তারা যখন বিশ্বাসযোগ্য ও খাঁটি ব্র্যান্ড বেছে নিচ্ছেন, তখন হাতি মার্কা ভারতীয় রান্নাঘরে ভরসার এক পরিচিত নাম হিসেবে আরও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। বিপি অয়েল মিলস-এর ঐতিহাসিক ডিলার মিটে এই বিশ্বাসের ঐতিহ্য উদযাপন করা হয়। “পরম্পরা ও প্রগতি” থিমে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ভোজ্য তেল শিল্পে কোম্পানির ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের যাত্রা ও অবদান তুলে ধরা হয়।

 

বহু প্রজন্ম ধরে হাতি মার্কা শুধু একটি ভোজ্য তেলের ব্র্যান্ড নয়—এটি বিশুদ্ধতা, শক্তি ও নির্ভরযোগ্য মানের প্রতীক। পারিবারিক রান্না হোক বা প্রতিদিনের খাবার, বছরের পর বছর ধরে একই মান বজায় রেখে হাতি মার্কা বিপি অয়েল মিলস-এর অন্যতম বিশ্বস্ত ও পরিচিত পণ্যে পরিণত হয়েছে।

 

১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কলকাতার হোটেল হলিডে ইন-এ আয়োজিত ডিলার মিটে বিপি অয়েল মিলস-এর বিকাশে হাতি মার্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে দেখানো হয়, কীভাবে ব্র্যান্ডটি তার মূল মূল্যবোধ অটুট রেখে ভোক্তাদের বদলে যাওয়া চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী বাজার গড়ে তোলা এবং ভোক্তাদের আস্থা অর্জনে অবদানের জন্য দীর্ঘদিনের ডিলার ও পরিবেশক অংশীদারদের সম্মানিত করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপি অয়েল মিলস-এর নেতৃত্ব ভবিষ্যতের জন্য একটি স্পষ্ট বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেন, যেখানে সম্প্রসারণ কৌশলের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে হাতি মার্কাকে। এই রোডম্যাপের মূল দিক ছিল বিতরণ ব্যবস্থা আরও মজবুত করা, নতুন বাজারে প্রবেশ, ব্র্যান্ডের উপস্থিতি বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক ভোজ্য তেলের বাজারে ভোক্তাদের বিশ্বাস আরও জোরদার করা।

 

যদিও বিপি অয়েল মিলস একাধিক বিভাগে নানা পণ্যের সঙ্গে কাজ করে, তবুও হাতি মার্কা তাদের ভোজ্য তেল ব্যবসার মূল ভিত্তি হিসেবে রয়ে গেছে। অন্যান্য ব্র্যান্ডের সহায়তায় একসঙ্গে এগিয়ে চলা এই পোর্টফোলিও গুণমানভিত্তিক বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টির প্রতি কোম্পানির প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে।

 

বর্তমানে একটি শক্তিশালী বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হাতি মার্কা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও পৌঁছে যাচ্ছে, যা বিপি অয়েল মিলস-এর ঐতিহ্য ও বিশ্বাসকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আরও বিস্তৃত করছে।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপি অয়েল মিলস লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভরত ভগৎ উদ্দেশ্যনিষ্ঠা, সততা ও ভবিষ্যতমুখী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে হাতি মার্কার মতো ঐতিহ্যবাহী ব্র্যান্ডকে লালন করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

 

প্রেসিডেন্ট রাঘব ভগৎ ব্র্যান্ড ও পরিবেশকদের মধ্যে দৃঢ় অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার কথা বলেন।

 

সিটিও উদ্ধব ভগৎ জানান, কীভাবে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা আস্থাকে অক্ষুণ্ণ রেখে কোম্পানির কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করছে। অন্যদিকে, হেড অফ মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনস রাজেশ কুমার হাতি মার্কার ঐতিহ্য এবং ভোক্তাদের সঙ্গে এর আবেগগত সংযোগ আরও গভীর করতে ধারাবাহিক ও অর্থবহ গল্প বলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

পরম্পরা ও প্রগতির দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে, হাতি মার্কার এই যাত্রা বিপি অয়েল মিলস-এর সেই বিশ্বাসকেই তুলে ধরে—যে প্রকৃত অগ্রগতি সবসময় বিশ্বাসের দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে হাতি মার্কা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঐতিহ্য, গুণমান ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে এগিয়ে চলেছে, যাতে আগামী প্রজন্মের জন্যও এটি একটি বিশ্বস্ত পছন্দ হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রাখতে পারে।

জোড়াসাঁকোর নোপানি হাইস্কুলে সরস্বতী পুজো, প্রাক্তনী ও পড়ুয়াদের মিলনমেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

News Hungama:

 

কলকাতার জোড়াসাঁকো অঞ্চলে অবস্থিত ৭২ বছরের পুরনো স্কুল নোপানি হাইস্কুলে ভক্তি ও উৎসবের আবহে উদযাপিত হল সরস্বতী পুজো। বিদ্যার দেবী মা সরস্বতীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রজন্মের ছোট ছোট খুদে পড়ুয়ারা মা সরস্বতীর বন্দনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে। পরে নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় তারা। শিশুদের নিষ্পাপ পরিবেশনা দর্শকদের মন কেড়ে নেয়।

সরস্বতী পুজোর আর এক বিশেষ দিক ছিল বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের উপস্থিতি। দেশ-বিদেশে কর্মরত বহু প্রাক্তনী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বর্তমান প্রজন্মের পড়ুয়াদের উৎসাহিত করেন। এতে করে বিদ্যালয়ে এক আবেগঘন প্রাক্তনী–বর্তমান মিলনমেলা তৈরি হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিব্যেন্দু সেন শর্মা জানান, “আমাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র পুজো উদযাপন নয়। ছেলে মেয়েরা যাতে সঠিক পথে নিজেদের পরিচালিত করতে পারে এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, সেই লক্ষ্যেই মা সরস্বতীর বন্দনার মাধ্যমে তাদের মধ্যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, সরস্বতী পুজোর মতো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো সম্ভব। সব মিলিয়ে, নোপানি হাইস্কুলের সরস্বতী পুজো হয়ে উঠল শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আদর্শ গঠনের এক সুন্দর নিদর্শন।

এদিন দ্বাদশ শ্রেনী পাস আউট পড়ুয়াদের ফেয়ারওয়েল দেওয়া হয়।