Monday, June 8, 2026
Home Blog Page 11

iLEAD celebrates Durga Puja with Great Enthusiasm And Cultural Splendor

News Hungama:

Kolkata, 3rd October, 2025: The faculty and staff of The Institute of Leadership, Entrepreneurship and Development (iLEAD) came together to celebrate the auspicious festival of Durga Puja, a revered tradition in West Bengal and beyond. On this special day, the institution showcased its commitment to cultural heritage and community bonding.

The celebration began with a traditional attire day, where staff members donned their finest Indian outfits. The festivities continued with a musical extravaganza, featuring retro songs by legendary artists like Kumar Sanu and Kishore Kumar, as well as soulful Rabindra Sangeet performances by faculty members.

 

The event also included a delicious Bengali snack fest, with popular treats like Puchka and Churmur. To express solidarity with the festival’s spirit across regions, participants also enjoyed Dandiya and Dhunuchi dance, highlighting the rich cultural diversity of India.

 

A unique aspect of the celebration was the traditional decoration using Shola items, paying homage to the rich craftsmanship of Bengal. iLEAD’s sustainable campus, built using recycled materials, added a special touch to the festivities. A stunning Durga idol crafted from recycled materials has been installed at the House of Sheherwali – A museum hotel in Azeemganj, showcasing the institution’s commitment to creativity and sustainability.

 

The Sheherwali’s residence, featuring a hotel museum curated with old artifacts and historical exhibits, is a must-visit destination during the Durga Puja celebrations. We invite everyone to experience the beauty of this unique installation and explore the rich cultural heritage on display.

 

About iLEAD

 

iLEAD is known for its vibrant celebrations and commitment to preserving Indian cultural traditions. With its sustainable practices and creative initiatives, the institution continues to inspire and bring people together.

সূর্য পরিবারের আয়োজনে “পুষ্পাঞ্জলি শারদ সম্মান ২০২৫”

News Hungama:

পুষ্পাঞ্জলী শারদ সম্মান ২০২৫ আয়োজক সূর্য পরিবার। এত বৃষ্টি বাধা সত্বেও তারা পুজো পরিক্রমা করলো এবং পুরো কলকাতার পুজোর প্যান্ডেল ঘুরে ৯টি পুজো প্যান্ডেলকে বেছে নিলেন শারদ সম্মান দেওয়ার জন্য।

এই অসাধারণ ৯টি পুজো প্যান্ডেলকে বাম্পার পুরষ্কার প্রদানের মাধ্যমে যাত্রা শেষ করে। এই ৯টা পুজো প্যান্ডেলের মধ্যে জুরি প্যানেলকে যে প্যান্ডেলটি সবথেকে বেশি আকর্ষিত করে সেটি হল হিন্দুস্তান পার্ক সার্বজনীন।

 

হিন্দুস্তান পার্ক সার্বোজনীন এর অহেলি দাসকে তার অসাধারণ আত্মবিশ্বাস এবং নিষ্ঠার জন্য মর্যাদাপূর্ণ শারদ অনন্যা উপাধিতে ভূষিত করেন এই জুড়ি প্যানেল। ৯টি পূুজো প্যান্ডেলকে বেছে নিতে যে জুড়ী প্যানেল ছিলেন তারা হলেন ইন্দ্রানী রায় এবং অরিন্দ্রজিৎ রায়। পুরস্কার প্রদানের অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজস্ব দপ্তরের যুগ্ম কমিশনার এবং বিখ্যাত ফটো আর্টিস্ট অনুপম হালদার,সিদ্ধার্থ সেন,আইকনিকের ডিরেক্টর সাথী সরকার এবং আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।

শারদ পুষ্পাঞ্জলী ২০২৫ উদযাপন কেবল পুরষ্কারের জন্য ছিল না, বরং ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং দুর্গাপূজার চেতনাকে সম্মান জানানোর জন্যও ছিল।

কান্ট্রি ক্লাব হসপিটালিটি অ্যান্ড হলিডেজ লিমিটেডের ঐতিহাসিক সাফল্য: ₹৬০০ কোটি ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি, এখন মুনাফার পথে

0

News Hungama:

কলকাতা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫: কান্ট্রি ক্লাব হসপিটালিটি অ্যান্ড হলিডেজ লিমিটেড (সিসিএইচএল), বিনোদন ও আতিথেয়তা শিল্পের একটি সুপরিচিত নাম, আজ এক মাইলফলক অর্জনের ঘোষণা দিল। একসময় যেখানে কোম্পানিটি ₹৬০০ কোটিরও বেশি ঋণ ও বছরের পর বছর ক্ষতির বোঝা বহন করছিল, আজ সেখানে সম্পূর্ণ ঋণমুক্ত হয়ে আর্থিক বর্ষ ২০২৫-২৬ এর প্রথম প্রান্তিকে মুনাফা ঘোষণা করেছে। এই সাফল্য কোম্পানির আর্থিক শক্তি, স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির নতুন অধ্যায় সূচিত করছে।

৩৫ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত কান্ট্রি ক্লাব ভারতে “হ্যাপি ইন্ডাস্ট্রি”-র সূচনা করেছিল—যেখানে ছুটি, ক্লাবিং, ফিটনেস, বিনোদন ও লাইফস্টাইল অভিজ্ঞতাকে একই ছাতার নিচে আনা হয়েছে। আজ এটি তার ক্ষেত্রে অন্যতম বৃহত্তম নেটওয়ার্ক, যা ২০ লক্ষেরও বেশি সদস্যকে সেবা দিচ্ছে, প্রায় ১০ লক্ষেরও বেশি রুম নাইট সরবরাহ করেছে এবং ২,০০০-এর বেশি মানুষ কে কর্মসংস্থান দিচ্ছে।
কোভিড-১৯ মহামারির কঠিন সময়ে, যখন আতিথেয়তা খাত অভূতপূর্ব সংকটে ছিল, কান্ট্রি ক্লাব ভার্চুয়াল যোগ, ফিটনেস ও ওয়েলনেস সেশনের মাধ্যমে তার সদস্যদের সক্রিয় রেখেছিল এবং স্বাস্থ্য ও কল্যাণের প্রতি অঙ্গীকারকে দৃঢ় করেছিল।

আগামীর পথে, কোম্পানি ফ্র্যাঞ্চাইজি-নির্ভর মডেলের মাধ্যমে নতুন প্রবৃদ্ধির যাত্রা শুরু করেছে। প্রিমিয়াম প্রপার্টি গুলির সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বে এটি আরও শক্তিশালী হয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে সম্প্রতি সিকিমের গ্যাংটকে ভ্যালি ভিস্তা রিসর্ট যুক্ত হওয়া। বর্তমানে কান্ট্রি ক্লাবের নিজস্ব ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলিয়ে ৫১টি সম্পত্তি রয়েছে এবং সেটিকে ১০০-তে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। এই মাইলফলক উপলক্ষে, সিসিএইচএল ভিআইপি গোল্ড মেম্বারশিপ কার্ড চালু করেছে, যা সদস্যদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে।

পারিবারিক বিনোদনের কেন্দ্র হিসাবে সুপরিচিত কান্ট্রি ক্লাব ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য কেও একত্রিত করে। হোলি, দীপাবলি, ঈদ, বড়দিন, নববর্ষ, নবরাত্রি, বৈশাখী ও লোহরি-এর মতো উৎসবগুলির আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজন করে এটি—যা আনন্দ, সঙ্গীত, নৃত্য ও মিলনমেলার মাধ্যমে সদস্যদের একত্রিত করে।

কোম্পানির সিএমডি, মি. ওয়াই রাজীব রেড্ডি বলেন, “আমাদের জিরো ডেব্ট স্ট্যাটাস আমাদের বড় স্বপ্ন দেখতে ও দ্রুত পদক্ষেপ নিতে স্বাধীনতা দেয়। গ্যাংটক কেবল আরেকটি গন্তব্য নয়—এটি আমাদের সদস্যদের হিমালয়ের জাদুকরী সৌন্দর্যের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিশ্বমানের আতিথেয়তা দেওয়ার অঙ্গীকার।”

দৃঢ় আর্থিক ভিত্তি, ক্রমবর্ধমান গন্তব্য এবং স্বাস্থ্য, ফিটনেস ও সাংস্কৃতিক একতার প্রতি গভীর প্রতিশ্রুতি নিয়ে কান্ট্রি ক্লাব ভারতে অবকাশ ও আতিথেয়তার সংজ্ঞাকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে প্রস্তুত।

About Country Club Hospitality & Holidays Ltd (CCHHL):

When Country Club Hospitality and Holidays Ltd. was established in 1989, it was a pioneer in the conception of offering comprehensive leisure, recreation and hospitality membership services in India. Constituted as a fully equipped club, Country Club has now flourished into a provider of member exclusive clubbing hubs, breathtaking holiday destinations, avant-garde fitness centres and star-studded events.

For Further information please contact, Mr Naquib at naquibmanzar@countryclubmail.com or visit our website: www.countryclubindia.net

এনআইপি এনজিও কর্তৃক আয়োজিত ব্রেইল দুর্গাপুজো গাইড এবং ব্রেইল ডিসপ্লে স্ট্যান্ডের উদ্বোধন তথা প্রতিবন্ধী ও প্রবীণ নাগরিকবান্ধব দুর্গোৎসব ২০২৫ পুরস্কার ঘোষণা

0

News Hungama:

কলকাতা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫: এনআইপি এনজিও – ফোরাম ফর দুর্গোৎসব, সাইনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, রোটারি ক্লাব অফ ডিস্ট্রিক্ট ৩২৯১-এর সহযোগিতায় অন্ধ ও অন্যান্য প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, পূজা কমিটিগুলির জন্য পুরস্কার আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে যারা তাদের প্যান্ডেলগুলিকে প্রবীণ নাগরিক এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য উপযোগী করে তোলার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে যেখানে ২৫০টি দুর্গাপুজো কমিটি অংশগ্রহণ করবে। তারা অন্ধদের জন্য ব্রেইল দুর্গাপূজা গাইড এবং ব্রেইল ডিসপ্লে স্ট্যান্ডও চালু করেছে।

 

এই অনুষ্ঠানে অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি ছিল। ছিলেন শ্রী কুণাল ঘোষ, টিএমসি মুখপাত্র: শ্রী দিব্যেন্দু বড়ুয়া, দাবা গ্র্যান্ডমাস্টার; শ্রী তপন পট্টনায়ক, সিইও, সাইনি গ্রুপ; শ্রী আশিফ শাহ, রোটারি ক্লাব অফ বালিগঞ্জের প্রাক্তন সভাপতি; শ্রী. দীপেন্দু বিশ্বাস, ফুটবল খেলোয়াড়; শ্রীমতী রিচা শর্মা, অভিনেত্রী; শ্রী দেবজ্যোতি রায়, এনআইপি এনজিও-র সচিব সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

 

সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়ে, এনআইপি এনজিও-র সচিব শ্রী দেবজ্যোতি রায় বলেন, “এনআইপি এনজিওতে আমাদের লক্ষ্য সর্বদা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সুযোগ এবং প্রবেশাধিকার তৈরি করা। দুর্গাপুজো হল অন্তর্ভুক্তি এবং আনন্দের একটি উৎসব। ব্রেইল দুর্গাপুজো গাইড এবং ব্রেইল ডিসপ্লে স্ট্যান্ড চালু করার মাধ্যমে, আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে কেউ যেন বাদ না পড়ে। প্রতিবন্ধী এবং প্রবীণ নাগরিক বান্ধব দুর্গোৎসব পুরস্কারের মাধ্যমে, আমরা সেই পূজা কমিটিগুলিকেও স্বীকৃতি দিতে এবং উৎসাহিত করতে চাই যারা তাদের প্যান্ডেলগুলিকে সকলের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য এবং স্বাগত জানাচ্ছে। এই উদ্যোগটি বাংলার বৃহত্তম উৎসবকে সত্যিকার অর্থে বাধামুক্ত করার দিকে একটি পদক্ষেপ।”

 

এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৯১-এর ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর ডঃ রামেন্দু হোমচৌধুরী বলেন, “দুর্গাপুজো কেবল সংস্কৃতি এবং ভক্তির উদযাপন নয়, বরং আমাদের সম্মিলিত মূল্যবোধেরও প্রতিফলন। ব্রেইল গাইড চালু করা এবং অ্যাক্সেসযোগ্য প্যান্ডেলগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য এনআইপি এনজিও- র এই উদ্যোগটি রোটারির সেবা এবং অন্তর্ভুক্তির প্রতি অঙ্গীকারকে সুন্দরভাবে প্রতিফলিত করে। উৎসবগুলি সত্যিকার অর্থে অর্থবহ হয়ে ওঠে যখন বয়স বা ক্ষমতা নির্বিশেষে সকলেই সমান আনন্দের সাথে অংশগ্রহণ করতে পারে।”

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সাইনি গ্রুপের সিইও শ্রী তপন পট্টনায়ক। তিনি বলেন, “দুর্গাপুজো এমন একটি উদযাপন যা হৃদয় এবং সম্প্রদায়কে একত্রিত করে এবং এই আনন্দ সকলের দ্বারা ভাগ করে নেওয়া নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত কর্তব্য। NIP NGO-এর ব্রেইল দুর্গাপূজা গাইড এবং ব্রেইল ডিসপ্লে স্ট্যান্ডকে সমর্থন করা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উৎসবের অভিজ্ঞতা তৈরির দিকে একটি অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ। সাইনি গ্রুপে, আমরা বিশ্বাস করি যে প্রকৃত অগ্রগতি এমন একটি সমাজ গঠনের মধ্যে নিহিত যেখানে অ্যাক্সেসযোগ্যতা এবং সহমর্মিতা একসাথে চলে।”

 

এনআইপি এনজিও-এর পটভূমি: (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ প্রফেশনালস) এনআইপি এনজিও – দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। ৩ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে NIP “স্টেট অ্যাওয়ার্ড”-এ ভূষিত হয়। এছাড়াও, এটি কলকাতার বিভিন্ন অংশ এবং পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বেশ কয়েকটি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করে আসছে। NIP-এর লক্ষ্য হল দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধীদের সম্ভাব্য সকল উপায়ে সাহায্য করা। এটি দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য অল বেঙ্গল দাবা প্রতিযোগিতা এবং টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ইত্যাদিরও আয়োজন করে আসছে।

 

স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রসেনজিৎ-শ্রাবন্তীর উপস্থিতিতে ‘দেবী চৌধুরানী’ প্রমোশন

0

News Hungama:

Kolkata, 11 September 2025: বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উপন্যাস অবলম্বনে “দেবী চৌধুরানী” সিনেমার প্রমোশন হয়েগেলো স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তমঞ্চে। ‘বেন্ডিট কুইন অফ বেঙ্গল’ খ্যাত দেবী চৌধুরানী চরিত্র নিয়ে তৈরি এই সিনেমার প্রমোশন অনুষ্ঠান উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির ছিলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ওরফে বুম্বা দা এবং শ্রাবন্তী।

 

শুভ্রজিৎ মিত্রের এই সিনেমার প্রমোশন উপলক্ষে দিন কয়েক ধরে নবাগত ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি বর্তমান পড়ুয়াদের মধ্যে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। আর তাই এদিন সন্ধ্যায় সিনেমা প্রমোশনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী।

 

জেন জেড প্রজন্মের সামনে দেবী চৌধুরানী সিনেমা নিয়ে কথা বলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। বাংলার অভুলা ইতিহাস কে এই প্রজন্মের সামনে যে ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তা নিজের চোখে দেখার জন্য জেন জি কে আবেদন করেন দুই অভিনেতা ও অভিনেত্রী।

 

প্রমোশনের এই অনুষ্ঠানে অভিনেতা এবং অভিনেত্রীকে দেখার জন্য স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয় আসা যাওয়ার পথে দর্শকদের ভিড় ছিল দেখার মত।

 

প্রমোশনের এই অনুষ্ঠানে স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে হাজির ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক সুব্রত কুমার দে, সিওও সৌরভ অধিকারী, রেজিস্ট্রার পিনাক পানি নাথ, বিশ্ববিদ্যালয় মিউজিক ক্লাবের মেন্টার তথা বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী শাহানা বক্সি, মিউজিক ক্লাবের অতিথি অধ্যাপিকা সৌমী ভট্টাচার্য, ডিন নিমাই চন্দ্র সাহা, ডেপুটি রেজিস্ট্রার তন্ময় মজুমদার, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার অভিষেক ধর এবং শুভম ভট্টাচার্য, ডেপুটি কন্ট্রোলার অফ একজামিনেশন সৌরভ সাহা প্রমুখ।

বৈজ্ঞানিকভাবে অনুমোদিত কৃষি উপকরণ উদ্বোধন করল দেবী ক্রপসায়েন্স প্রা. লি.

0

News Hungama:

কলকাতা, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫: কলকাতার হোটেল প্রাইড প্লাজা-তে এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে দেবী ক্রপসায়েন্স প্রাইভেট লিমিটেড তাদের নতুন CIB-নিবন্ধিত ও বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত কৃষি উপকরণসমূহের উদ্বোধন করল। এই পদক্ষেপ টেকসই কৃষি, অবশিষ্টমুক্ত ফসল উৎপাদন এবং কৃষক–শক্তিকরণের ক্ষেত্রে এক বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রী এস.পি. দেশমুখ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (মার্কেটিং), দেবী ক্রপসায়েন্স, কোম্পানির প্রধান পণ্য বুম ফ্লাওয়ার (নাইট্রোবেঞ্জিন ২০% EW)–এর অসাধারণ যাত্রার কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানটি এখন তাদের পণ্যের তালিকা প্রসারিত করছে — যাতে পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ এবং অবশিষ্টমুক্ত বায়ো–পণ্য অন্তর্ভুক্ত হবে। তিনি আশ্বাস দেন যে কোম্পানি ভারতের জৈব ও টেকসই কৃষি অভিযানের সঙ্গে অঙ্গীকারবদ্ধ।

ড. এস. লোগানাথন, ডিরেক্টর – ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে জানান যে দেবী ক্রপসায়েন্স বর্তমানে ২৭টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তিনি বলেন,

“বুম ফ্লাওয়ার সর্বত্র মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করেছে, ফসলকে আরও প্রাণবন্ত করেছে এবং ফলন বৃদ্ধি করেছে। ভারতীয় কৃষি–উদ্ভাবন আজ আন্তর্জাতিক বাজারেও সাফল্যের ছাপ রেখে চলেছে।”

আঞ্চলিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে ড. মIনস রঞ্জন পন্ডা, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার – ইস্ট জোন, কৃষি খুচরা বিক্রেতা ও মাঠকর্মীদের দায়িত্বের ওপর জোর দেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন:

• প্রতিটি অংশীদারকে অবশ্যই কোনও পণ্য কৃষকদের সুপারিশ করার আগে তার বৈশিষ্ট্য, সুবিধা, উপকারিতা এবং প্রতিযোগিতামূলক দিকগুলো সম্পূর্ণভাবে বুঝতে হবে।

• অবৈধ ও অনিবন্ধিত পণ্য ব্যবহার একেবারেই এড়াতে হবে, কারণ এগুলি মাটির উর্বরতা, ফসলের আয়ু, শিকড়ের বৃদ্ধি, পাতার গুণমান এবং সামগ্রিক ফলনকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

তিনি সকল অংশীদারকে আহ্বান জানান কৃষক শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে ও দায়িত্বশীলভাবে পণ্যের ব্যবহার প্রচার করতে — যাতে কৃষি ও পরিবেশ দু’টিই সুরক্ষিত থাকে।

উদ্যোগটির প্রশংসা করে শ্রী দেবব্রত পাল, অতিরিক্ত কৃষি পরিচালক (পি), উত্তর ২৪ পরগনা, বলেন:

“বুম ফ্লাওয়ার-এর মতো CIB-নিবন্ধিত ও বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত পণ্য কৃষকের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। এ ধরনের উদ্যোগ ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করার পাশাপাশি জৈব ও অবশিষ্টমুক্ত খাদ্য উৎপাদনেও সাহায্য করে এবং দীর্ঘমেয়াদি মাটি ও পরিবেশের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।”

শ্রী অমিত রায়, এরিয়া ম্যানেজার – দক্ষিণবঙ্গ, কৃষকদের জন্য ন্যায্য ও স্বচ্ছ মূল্য নির্ধারণের গুরুত্বের কথা বলেন। তিনি জানান,

“কৃষকের কাছে কেবল সুলভ মূল্যের পণ্য পৌঁছে দেওয়াই যথেষ্ট নয়; মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা থাকতে হবে। এর মাধ্যমেই কৃষকের আস্থা তৈরি হয়, বাজারে অসাধু প্রভাব কমে এবং দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে।”

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয় দেবী ক্রপসায়েন্সের সর্বশেষ পণ্যসম্ভারের প্রদর্শনীর মাধ্যমে, যা পুনরায় প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্যকে সামনে আনে — প্রযুক্তিনির্ভর, কৃষক–প্রথম সমাধান প্রদান, পরিবেশ রক্ষা এবং টেকসই কৃষিকে শক্তিশালী করা।

মূল বার্তা:

দেবী ক্রপসায়েন্সের নতুন পণ্যসম্ভার শুধু কৃষি উপকরণ নয় — এগুলি এক অঙ্গীকার: নিরাপদ খাদ্য, সুস্থ মাটি ও কৃষকের উন্নতি।

“মা দুর্গা আগমন – ২০২৫” কলকাতায় ইন্ডিয়ান হ্যান্ডলুম অ্যান্ড হস্তশিল্প প্রদর্শনী সহ বিক্রি শুরু

0

News Hungama:

কলকাতা, ১০ সেপ ২০২৫ : সেন্ট্রাল কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড হল বস্ত্র মন্ত্রকের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অধীনে ভারত সরকারের একটি উদ্যোগ, এটি সারা দেশের কারিগর, তাঁতি এবং শিল্পকার দের একটি বিপনম প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। সি সি আই সি ভারতএর হস্তশিল্প এবং তাঁত পণ্য বিক্রির জন্য নয়াদিল্লি, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ এবং চেন্নাইতে নামী শোরুম এর পরিচালনা করে যার মাধ্যমে এটি হস্তশিল্প এবং তাঁত পণ্যের খুচরা বিক্রি করে। এই পণ্যগুলি তাঁতি, মাস্টার তাঁতি, কারিগর, কারুশিল্প ব্যক্তি, মাস্টার কারুশিল্প ব্যক্তি, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত, শিল্প গুরু এবং গোষ্ঠীর কাছ থেকে নেওয়া হয়। আমাদের লক্ষ্য তাদের সাথে অংশীদারিত্বে করা এবং তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উন্নত জীবিকা, সাংস্কৃতিক জীবনীশক্তি এবং ওই সম্প্রদায়ের কল্যাণের প্রচার করা।

এই এম্পোরিয়ামে এক ছাদের নীচে সারা ভারত থেকে ভারতজুড়ে সেরা হস্তশিল্পগুলোর প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে সূক্ষ্ম ভাস্কর্য, পেইন্টিং, আর্টওয়ার্ক, ধাতব পাত্র, কাঠের কারুশিল্প, মৃৎশিল্প, পাথর এবং মার্বেল কারুশিল্প, কার্পেট, আসবাবপত্র, আসবাবপত্র, টেবিল লিনেন, শাড়ি, রেডিমেড কাপড়, আনুষাঙ্গিক, গহনা, নৈপুণ্য উপকরণ, ভেষজ পণ্য এবং আরও অনেক কিছু। প্রতিটি পণ্য অনন্য, ভারতীয় লোককাহিনী, ধর্মীয় বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ এবং সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে।

ভারতীয় হস্তশিল্প উদযাপন এবং প্রচারের উদ্দেশ্যে, এই দুর্গা পূজায় সেন্ট্রাল কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (সিসিআইসি) কলকাতার সিসিআইসি এম্পোরিয়াম ৭, জে.এল. নেহরু রোড, কলকাতা – ৭০০০১৩, “মা দুর্গা আগমন – ২০২৫” হ্যান্ডিক্রাফট এবং হ্যান্ডলুম প্রদর্শনী সহ বিক্রয় অনুষ্ঠিত করছে, যেখানে উভয় ভারতীয় হ্যান্ডলুম এবং হ্যান্ডিক্রাফট পণ্য প্রদর্শিত হবে। প্রদর্শনী 31 অক্টোবর, ২০২৫ (সকাল ১০:৩০ – সন্ধ্যা ৭:৩০) পর্যন্ত খোলা থাকবে। রুপোর জিনিস বাদে হস্তশিল্প ও তাঁতের উপর ১৫% ছাড় থাকবে। (শর্তাবলী প্রযোজ্য)

যেহেতু প্রদর্শনীটি সারা দেশ থেকে এই সেক্টরে কর্মরত দক্ষ ওস্তাদ কারিগর, জাতীয় পুরস্কার পুরষ্কারপ্রাপ্ত এবং কারিগরদের দ্বারা কঠোর পরিশ্রমের সাথে সম্পাদিত ভারতীয় তাঁত এবং হস্তশিল্পের পণ্যগুলির সম্পূর্ণ পরিসীমা প্রদর্শন করা হয়েছে। আমরা আপনার উপস্থিতির অপেক্ষায় রয়েছি এবং আমরা চাই আপনার নামকরা সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে এটি কভার করার মাধ্যমে ভারতীয় হস্তশিল্পের প্রচারের জন্য সি সি আই সি -কে সমর্থন করুন।

সেন্ট্রাল কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ এম্পোরিয়াম, ৭, জে এল নেহেরু রোড, কলকাতা – ৭০০০১৩, আমাদের মূল্যবান গ্রাহক / দর্শনার্থীদের জন্য ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ পর্যন্ত সকাল ১০:৩০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে

 

Over 15,000 people expected to run the 10th edition of JBG Kolkata Marathon on Red Road, Maidan on 30th November 2025

0

News Hungama:

Kolkata, September 5, 2025: Sportiz today unveiled the 10th edition of the JBG Kolkata Marathon at an exclusive launch event hosted at The Lalit Great Eastern, Kolkata. Registrations across all categories are now open. What began as a modest trail run has today evolved into one of Kolkata’s premier running festivals, marking a decade of endurance, unity, and community spirit. Embodying the ethos of “Cholo Dourai”, the 2025 edition makes a historic shift to Red Road, Maidan, offering participants a world-class running experience against the city’s most iconic backdrop.

 

Fitness icon Milind Soman and his wife Ankita Konwar will continue as brand ambassadors for the event. Their presence has been an enduring source of inspiration for countless citizens to embrace fitness as a way of life. Over the years, they have played a pivotal role in advancing wellness and encouraging community participation in physical activities.

 

As part of its philanthropic mission, the marathon will raise funds to support the Indian Para Athletes representing the nation at the World Para Athletics Championships in New Delhi (Sept 27 – Oct 5, 2025). On 30th November, Kolkata will run not just for health and celebration — but for its Para Athletes.

 

Click here to register: www.jbgkolkatamarathon.com

 

A Landmark 10th Edition

 

To commemorate its milestone edition, the JBG Kolkata Marathon 2025 introduces the 21.1K Half Marathon, joining the popular Elite 10K, Open 10K, 5K Cosplay Run, and Special Heroes categories. With over 15,000 participants expected, this will be the largest edition yet, proudly title-sponsored by Jai Balaji Group and curated by Sportiz.

 

Race Categories:

Elite 10K – Invitation/qualification-based professional race

Half Marathon (21.1K) – Open category for runners aged 18+

Open 10K – Timed race for amateur runners aged 13+

5K – Feels Like Joy Run (JBG Endura 101) – Non-timed, fun run for 13+

Special Heroes 3K – Non-timed event for individuals with disabilities (with companion support)

Cosplay Run – Fun run with participants dressed as their favorite characters

 

Event website: www.jbgkolkatamarathon.com

 

Launch Event Highlights

 

The launch event witnessed the presence of distinguished dignitaries:

Mr. Aditya Jajodia, MD & Chairman, Jai Balaji Group

Mr. Devendra Jhajharia, President, Paralympic Committee of India (PCI)

Mr. Rahul Swami, CEO, PCI

Mr. Kusum Kumar Dwivedi, Honorary General Secretary, Kolkata Police Athletic Club & Chief Mentor, JBG Kolkata Marathon

Dr. Sujay Deb Barman, COO, IRIS Multispeciality Hospital & Medical Director, JBG Kolkata Marathon

 

Several celebrated para-athletes were also honored at the occasion, including:

 

Rudransh Khandelwal – Paris Paralympian, Asian Para Games Double Silver Medallist, 4x World Record Holder

Suchitra Parida – International Medallist & National Record Holder, Women’s T-55 Javelin

Shreyansh Trivedi – Asian Para Games Medallist & National Record Holder

Rakesh Bhatt – Asian Para Games participant, International Grand Prix Medallist

Mariyappan Thangavelu – 3-time Paralympic Medallist (High Jump)

 

Voices from the Launch

 

Mr. Nishant Maheshwari, CEO & Founder, Sportiz, said: “From a humble trail run to a marquee sporting festival, the JBG Kolkata Marathon’s journey mirrors the resilience of this city. This 10th edition introduces a new route through Red Road and a brand-new Half Marathon category. With over 15,000 participants expected, this will be our most inclusive and memorable edition yet. We are grateful for the continued support of our title sponsor, Jai Balaji Group, and deeply proud to dedicate this milestone to India’s Para Athletes.”

 

Mr. Gaurav Jajodia, Director, Jai Balaji Group, added: “At Jai Balaji Group, we are proud to support the JBG Kolkata Marathon on its 10th anniversary. This event embodies the spirit of the Fit India Movement, proving that fitness is for everyone — not just athletes. Marathons go beyond running: they build resilience, improve mental health, and unite communities. We believe this spirit is what will truly transform our nation.”

 

Mr. Devendra Jhajharia, President, Paralympic Committee of India said, “We are delighted to partner with Jai Balaji Group for their prestigious JBG Kolkata Marathon. This collaboration reflects our shared vision of promoting inclusivity, resilience, and the true spirit of sports. इस तरह की पहल न केवल प्रतिभागियों को प्रेरित करती हैं, बल्कि भारत में पैरालंपिक खेलों के लिए जागरूकता और समर्थन भी बढ़ाती हैं। We look forward to working together with Jai Balaji Group and Sportiz to foster a healthier and more inclusive sporting culture across India.”

 

About Sportiz:

Sportiz is a Kolkata-based sports event management and consulting firm, specializing in marathons, cyclothons, and corporate sporting events. Known for precision planning, innovative execution, and a deep community focus, Sportiz has successfully curated marquee events like the JBG Kolkata World 10K, JBG Durgapur 10K, JBG Gorkha 10K, and the Coal India Guwahati Half Marathon.

দুর্গাপুজোর প্রাণ কুমোরটুলি—প্রতিমাশিল্পীদের শ্রদ্ধা, যত্ন ও স্বাস্থ্যরক্ষায় এক অভিনব অধ্যায় শুরু করল মনিপাল হসপিটালস

News Hungama:

কলকাতা, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৫: যখন গোটা বাংলা মেতে উঠেছে দুর্গা মায়ের আগমনী সান্ধ্য আলোয়, সেই দেবীকে যাঁরা প্রাণ দেন, সেই শিল্পীদের জন্য এক অভিনব পদক্ষেপ নিল মনিপাল হসপিটালস কলকাতা। আজ এক বিশেষ অনুষ্ঠানে কুমারটুলির প্রতিমাশিল্পীদের সম্মান জানাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, তাঁদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিয়ে আলোচনা করল এবং তাঁদের পাশে থাকার অঙ্গীকার দিলো।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল চিফ অপারেটিং অফিসার, মণিপাল হসপিটালস ইস্ট, সঙ্গে ছিলেন ডা. কুনাল সরকার, ডা. বিকাশ কাপুর, ডা. শুভায়ু বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা. সৌরভ দত্ত, ডা. পায়েল বোস, ডা. কিশেন গোয়েল, ডা. দেবরাজ জাশ, ডা. সুজিত চৌধুরি, ডা. অঙ্শু সেন, ডা. সুরঞ্জন মুখার্জি, ডা. স্মিতা মৈত্র, ডা. সিমা দত্ত রায়, ডা. পারোমিতা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী, ডা. সৌমেন বসু, ডা. অভিনিবেশ চট্টোপাধ্যায় ও ডা. পলি চট্টোপাধ্যায়। তাঁরা সকলেই একসাথে শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং উদ্যোগকে সমর্থন জানান। রেসিডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনস (RWA) ও প্রতিমাশিল্পী সমিতির সহযোগিতায় মণিপাল হসপিটালস কলকাতা প্রতিমাশিল্পীদের জন্য প্রিভিলেজ হেলথ কার্ড চালু করে, যাতে তাঁরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসা, পরামর্শ এবং অন্যান্য সুবিধা পেতে পারেন।

অনুষ্ঠানে “প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর”—অর্থাৎ “প্রতিরোধই সর্বোত্তম চিকিৎসা” শীর্ষক এক প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়। প্রতিমাশিল্পীদের কাজের প্রকৃতি ও পরিবেশজনিত কারণে যেসব স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দেয়, সে বিষয়ে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ—কার্ডিওলজি, চক্ষু, শ্বাসতন্ত্র, অর্থোপেডিকস, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি, নিউরোলজি ও এমার্জেন্সি মেডিসিনের চিকিৎসকরা সহজ ভাষায় প্রতিরোধ ও সুরক্ষার উপায় জানালেন। শেষে ছিল এক আন্তঃক্রিয়ামূলক প্রশ্নোত্তর পর্ব, যেখানে শিল্পীরা সরাসরি তাঁদের সমস্যার কথা চিকিৎসকদের জানালেন।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে ড. অয়নাভ দেবগুপ্ত বলেন— “দুর্গাপুজো কোনো উৎসব নয়, এটি বাংলার হৃদয় ও আত্মা। কুমোরটুলির শিল্পীরা তাঁদের অদ্বিতীয় নিষ্ঠা দিয়ে প্রতি বছর দেবীকে প্রাণ দেন। তাঁদের এই পরিশ্রম নিছক কারিগরি নয়, এটি এক প্রকার পূজা, যা বাংলার মাটির আসল সত্তাকে প্রকাশ করে। মণিপাল হাসপাতালে আমরা তাঁদের এই আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁদের সুস্থতা ও স্বাস্থ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকি। তাঁরা যখন তাঁদের শিল্পের মাধ্যমে বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও বিশ্বাসকে রক্ষা করেন, তখন আমরা আমাদের দক্ষতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে তাঁদের স্বাস্থ্য রক্ষার অঙ্গীকার করি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই, যাঁরা আমাদের কাছে দেবী দুর্গার ঐশ্বরিক রূপ এনে দেন, তাঁরা যেন সুস্থ, শক্তিশালী এবং সম্মানিত থাকেন।”

দুর্গাপুজোর উৎসব যখন লক্ষ লক্ষ মানুষকে একত্রিত করে, তখন কুমোরটুলির কারিগররা থেকে যান এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কেন্দ্রে। তাঁরা প্রতিবছর শুধুমাত্র কলকাতায় প্রায় ৩,০০০ প্যান্ডেলের প্রতিমা গড়েন, সারা ভারতে প্রায় ৫,০০০ প্রতিমা এবং প্রায় ১০,০০০ প্রতিমা বিশ্বজুড়ে রপ্তানি হয়। তাঁদের এই নিষ্ঠা ও অসাধারণ শিল্পকলা-প্রতিভাকে সম্মান জানিয়ে, মণিপাল হাসপাতাল তাদের ৪০,০০০-এর বেশি কর্মী এবং ৭,০০০ চিকিৎসকের শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আবারও প্রতিশ্রুতি জানাল যে এই শিল্পীদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের সুরক্ষা করবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মণিপাল হাসপাতাল বাংলার সাংস্কৃতিক হৃদস্পন্দনের সঙ্গে আরও এক ধাপ গভীরভাবে যুক্ত রইল, যাতে মা দুর্গার রূপদানকারী সেই হাতগুলো সবসময় শক্তিশালী ও সুস্থ থাকে।

 

মণিপাল হাসপাতাল আয়োজিত কলকাতার প্রথম সিনিয়র সিটিজেন স্পোর্টস সামিট

News Hungama:

কলকাতা, ২১ আগস্ট ২০২৫: ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান মণিপাল হাসপাতাল কলকাতা আজ আয়োজন করল কলকাতার প্রথম সিনিয়র সিটিজেনস’ স্পোর্টস সামিট। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার অরুণ লাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। মণিপাল হাসপাতালের বিশিষ্ট চিকিৎসকরাও উদ্বোধনে যোগ দেন।


এই সামিটে ১০০-রও বেশি প্রবীণ নাগরিক উচ্ছ্বাসের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। তারা দাবা, কেরাম, মার্বেল-চামচ দৌড়, মিউজিক্যাল চেয়ার, ব্রেন টিজার, স্পেলিং বি সহ নানা খেলায় অংশ নেন। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রবীণদের ফিটনেস, মানসিক সজাগতা ও সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা এবং তাদের আনন্দমুখর পরিবেশে যুক্ত করা।


অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় একটি বিশেষ প্যানেল আলোচনা, যেখানে প্রবীণদের সর্বাঙ্গীন সুস্থতার গুরুত্ব নিয়ে মতবিনিময় করেন মণিপাল হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। আলোচনায় অংশ নেন ডা. জয়ন্ত রায় (ডিরেক্টর ও হেড – নিউরোলজি, মণিপাল হাসপাতাল, কলকাতা), ডা. কুনাল সরকার (ডিরেক্টর – কার্ডিওভাসকুলার ও থোরাসিক সার্জারি, মুকুন্দপুর ক্লাস্টার), ডা. দেবরাজ জাশ (কনসালট্যান্ট – পালমোনোলজি, ব্রডওয়ে), ডা. শুভাশিস রায় চৌধুরী (কনসালট্যান্ট – কার্ডিওলজি, ব্রডওয়ে), ডা. বিনায়ক সিনহা (কনসালট্যান্ট – ডায়াবেটিস ও এন্ডোক্রিনোলজি, ব্রডওয়ে) এবং ডা. দেবাশিস চক্রবর্তী (কনসালট্যান্ট – অর্থোপেডিক্স, মুকুন্দপুর)।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মণিপাল হাসপাতালের বিভিন্ন শাখার বিশিষ্ট চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ডা. বিকাশ কাপুর, ডা. অরিন্দম পান্ডে, ডা. সুজয় দাশ ঠাকুর, ডা. চন্দ্রশীষ চক্রবর্তী, ডা. পারমিতা কাঁজিলাল, ডা. স্মিতা মৈত্র, ডা. জয়ন্ত দাস, ডা. দেবরাজ জাশ, ডা. শুভাশিস রায় চৌধুরী, ডা. বিনায়ক সিনহা এবং ডা. দেবাশিস চক্রবর্তী।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল চিফ অপারেটিং অফিসার, মণিপাল হাসপাতাল – ইস্ট বলেন, “মণিপাল হাসপাতালে আমরা প্রতিটি বয়সের মানুষের জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রবীণ নাগরিকদের এইভাবে আনন্দের সঙ্গে খেলাধুলা করতে দেখে আমরা আশ্বস্ত যে বয়স শুধুমাত্র একটি সংখ্যা, যদি জীবনের প্রতি উৎসাহ অটুট থাকে। এ ধরনের অনুষ্ঠান প্রবীণদের আরও সামাজিকভাবে যুক্ত করে এবং তরুণ প্রজন্মকে শিক্ষা দেয় যে স্বাস্থ্যই আসল সম্পদ। বয়স কোনো বাধা নয়, বরং মর্যাদা, প্রতিশ্রুতি ও আনন্দে ভরপুর জীবনের এক নতুন অধ্যায়।”
কলকাতায় প্রথমবার অনুষ্ঠিত এই সিনিয়র সিটিজেনস’ স্পোর্টস সামিট প্রমাণ করল যে বয়স বাড়া মানেই আনন্দ, ফিটনেস বা সুস্থতা থেকে পিছিয়ে পড়া নয়। এটি কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং সুস্থ জীবন, বন্ধুত্বের বন্ধন এবং আনন্দময় স্মৃতির এক অনন্য উদযাপন।