News Hungama
কলকাতা 11th ফেব্রুয়ারি: জীবন যুদ্ধে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে নিজেকে তৈরি করেছিলেন । তিনিই প্রথম বাঙালি যিনি বিশ্বের দরবারে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া র হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০২০-২১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া মিসেস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স এর শিরোপা ওঠে তার মাথায়। মডেলিং এবং ফ্যাশন জগতে তার নাম প্রথম সারিতে। তিনি হলেন দেবাশ্রীতা মুখার্জি।
তার জন্ম ও বড়ো হয়ে ওঠা কলকাতায় । আইন নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক তার পর বিদেশে ম্যানেজমেন্ট। বর্তমানে বিবাহের পর তিনি অস্ট্রেলিয়া বাসি। তার ১০ বছরের মেয়ে রয়েছে। এক সংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া কে একযোগে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে খুব খুশি। গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নিয়ে এখনও অনেকের মনে অনেক ভীতি রয়েছে। কিন্তু নিজের লক্ষ্যে যদি স্থির থাকা যায় তাহলে কোনো সমস্যা হয় না। স্বামীর থেকে পাওয়া সহযোগিতার কথাও উল্লেখ্য করেন দেবশ্রী।

এছাড়া তার ঝুলিতে রয়েছে মিসেস ইউনিভার্স অস্ট্রেলিয়ার ফার্স্ট রানারআপ , মিসেস কার্ভস অ্যান্ড কার্ল ইন্টারন্যাশনাল ২০২১। মিসেস সিক্রেট অস্ট্রেলিয়া পুরস্কার রয়েছে তার কাছে। ওয়ান্ডার অফ ওম্যানহুড র ব্র্যান্ড এম্বাসেডর তিনি। ওয়ান্ডার অফ ওম্যানহুড এডভোকেসি অ্যাওয়ার্ড ২০২১ পেয়েছেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত তার মা রুবি মুখার্জি বলেন, প্রাথমিক ক্ষেত্রে গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নিয়ে আমি একটু সংকোচ বোধ করি। কিন্তু বর্তমানে মেয়ের সাফল্য সেই দ্বিধা কে সম্পূর্ণ দূর করে দিয়েছে। আগামী প্রজন্মের কাছে আমি বলতে চাই যারা এই গ্ল্যামার ওয়ালড নিয়ে নিজের জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় তারা অবশ্যই পারিবারিক সম্মতিতে এগিয়ে যেতে পারবে।
উপস্থিত ডেভিনা সেনগুপ্ত দেবাশ্রীতার ১০ বছরের কন্যাও তার মায়ের সাফল্যে উচ্ছসিত।
এই সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবা অসিত মুখার্জি, কে কে চ্যাটার্জী, সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট তেজাস গান্ধী, তুষার ঢালীওয়ালা, সৌমী দত্ত প্রমুখ।



এদিন এই প্রোডাকশন হাউসের কর্ণধার বিরাজ বাবু বলেন তিনি কুড়ি বছরের বেশি এই পেশার সাথে যুক্ত। শুধু তাই নয় তার হাত ধরে প্রচুর ছাত্র-ছাত্রীরা আজ একটা ভালো টিভি চ্যানেলে কাজ করছেন। তিনি চান ভবিষ্যতে আরো নতুন নতুন প্রতিভা কে তুলে ধরতে এবং তাদেরকে প্রতিষ্ঠা করে তুলতে।

এরপরে ওই বাঙালি কাস্টমার যোগাযোগ করে বাংলাপক্ষ সঙ্গে তৎপরতার শহীদ কয়েক ঘন্টার মধ্যে সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ বাংলা পক্ষের লোকজন এবং ওই পরিবারের লোক ফিরে আসে হোটেলের সামনে স্লোগান ওঠে বাংলায় ব্যবসা করতে গেলে বাংলা গান গাইতে হবে এই অবাঙালি মালিকাধীন কর্তৃপক্ষকে, বার রেস্তোরাঁর বাইরে বেশ কিছুক্ষণ স্লোগান চলার পর বাংলা পক্ষের লোকজন একপ্রকার জোর করেই বাংলা গান গাইতে গাইতে রেস্তোরাঁর ভেতরে প্রবেশ করে আচানক এই রকম পরিস্থিতিতে পরিষেবা লন্ডভন্ড হয়ে যায় এরপর কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে বাধ্য করা হয় পানশালার ব্যান্ডের বাংলা গান বাজবে তবেই এই প্রতিবাদ বন্ধ হবে যতক্ষণ না বাংলা গান বাজানো হবে ততক্ষণ এই প্রতিবাদ চলবে এর পরেই কর্তৃপক্ষ সম্মতি হয়ে ব্যান্ডে বাংলা গান বাজান তারপর বাংলা পক্ষের লোকজন একে একে বার্তা করে বাইরে চলে আসে দেড় ঘন্টা যাবত এই বিক্ষোভ পানশালার ভেতরে এবং বাইরে মিলিয়ে ঘটে।