Wednesday, April 22, 2026
Home Blog Page 5

Sach Ki KKhoj — A Powerful Cinematic Journey into Truth, Conscience and Courage

News Hungama:

Kolkata, 3rd January 2026: A special screening of upcoming movie “Sach Ki KKhoj”, directed by acclaimed filmmaker Suvendu Ghosh, was successfully held at the iLEAD Auditorium, witnessing an encouraging turnout of students, film enthusiasts and team of the film’s creative fraternity.

Sach Ki KKhoj goes beyond being just a film. It is a heartfelt expression of love for family, relationships and commitment. Pradip Chopra delivers an extraordinary performance and every member of the cast contributes with sincerity and depth.

Veteran actor Pradip Chopra continues to inspire audiences with his powerful performances across generations. From portraying Kavya’s father in Before You Die to playing Kusum’s grandfather in Kusum Ka Biyaah, he now returns in Sach Ki KKhoj — a moving story that highlights the inner world, values and emotions of an 75-year-old common man.

Sach Ki KKhoj portrays how truth may be delayed, but it can never be destroyed. The film ultimately delivers a powerful message – when one person dares to seek the truth, change becomes possible. The film features compelling performances by Pradip Chopra, Sreejee Mukherjee, Jhilmi Mukherjee, Sourya Madrajee, Pinaki Bose, Basant Sharma, Haimanti Ganguly, Madhumita Paul, Bijoy Bhattacharya, Arghya Banerjee, Nisha Halder, Rupan Dasgupta, Joy Mondal, Sayantan Roy, Angsuprabha Chakraborty, Bappaditya Bandyopadhyay, Titas Chakraborty, Sampurna Roychowdhury, Samir Kumar Charit, Rahul Chawla, Wasim Akram, Manish Shila, Jagdish Bhargav, Omprakash Nayak, Binay Raut, Bipin Kumar Pandey, Subhro Mukherjee and child artist Karnika Mitra and Akshat Chopra all of whom bring remarkable depth and authenticity to their characters.

Speaking about the film, Pradip Chopra who plays a pivotal role in Sach Ki KKhoj and also serves as its producer, said “Sach Ki KKhoj is very close to my heart. As an actor and producer, I believe cinema has the power to question society and awaken conscience. This film is not just a story, it is a reflection of the truth we often choose to ignore. Working with the entire cast of the film has been a creatively fulfilling experience and I hope the audience connects deeply with the message of the film.”

Speaking about the film, director Suvendu Ghosh shares, “Sach Ki KKhoj is a mirror to our society. It asks uncomfortable questions and reminds us that truth is not always easy, but it is always necessary. This film is for everyone who believes that even one honest voice can make a difference.”

The much-anticipated film Sach Ki KKhoj is set to release on 9th January 2026, inviting audiences to witness a powerful and thought-provoking journey in search of truth on the big screen, as it screens across 150 cinema halls nationwide.

The film was executed by an experienced senior crew, with the story directed by Shuvendu Ghosh, screenplay by Sayantan Roy, cinematography by Arabinda Ghosh, art direction by Unmmad and Prasenjit, editing by Raj Singh Sidhu, makeup and hair by Agnes Adline D’costa, costume design by Poulaami Paanja, DI color grading by Avishek Mehta, sound engineering by Ajeet Prasad, chief assistant direction by Sayantan Roy and drone operations by Sanaullah Molla.

The film is produced under the banner of iLEAD Films and is directed by Shuvendu Ghosh, with the story written by the director himself. Sach Ki KKhoj promises to connect deeply with audiences through its strong message and beautifully human storytelling.

বিশ্ব অ্যাম্বুল্যান্স দিবসে অ্যাম্বুল্যান্স চালক ও তাঁদের পরিবারকে সম্মান জানাল মণিপাল হাসপাতাল

News Hungama :

কলকাতা, ৭ জানুয়ারি ২০২৫: প্রতিটি জীবনরক্ষা শুরু হয় সময়ের সঙ্গে এক নিরবচ্ছিন্ন লড়াই দিয়ে। সেই লড়াইয়ের প্রথম সারিতে থাকেন অ্যাম্বুল্যান্স চালকেরা—যাঁরা বিশৃঙ্খলা, অনিশ্চয়তা ও তীব্র চাপের মধ্যেও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে মানুষের জীবনে আশার আলো জ্বালান। এই নীরব নায়ক ও তাঁদের পরিবারের আত্মত্যাগ ও অবদানকে স্বীকৃতি জানাতে, মণিপাল হাসপাতাল কলকাতা আয়োজন করল এক বিশেষ উদ্যোগ—‘Salute the Real Heroes Family’। বিশ্ব অ্যাম্বুল্যান্স দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. কিশেন গোয়েল, কনসালট্যান্ট ও হেড–ইমার্জেন্সি, মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ে; ডা. ইন্দ্রনীল দাস, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও ইন-চার্জ–ইমার্জেন্সি মেডিসিন, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস; ডা. সৌরভ দাস, কনসালট্যান্ট–ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস; ডা. সুজয় দাস ঠাকুর, কনসালট্যান্ট ও ইন-চার্জ–ইমার্জেন্সি মেডিসিন, মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর; ডা. শুভাশিস দেব, কনসালট্যান্ট–কার্ডিওলজি, মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর; ডা. ওসামা আশফাক, কনসালট্যান্ট–ইমার্জেন্সি মেডিসিন, মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া; অধ্যাপক (ডা.) রাখী সান্যাল দত্ত শর্মা, সিনিয়র কনসালট্যান্ট–ইন্টারনাল মেডিসিন, মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ে—সহ অন্যান্য বিশিষ্ট চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে চিকিৎসা জরুরি পরিস্থিতিতে প্রথম সাড়া দেওয়া অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের নিঃস্বার্থ দায়বদ্ধতাকে সম্মান জানানো হয়—যাঁরা বহু সময় জীবন ও মৃত্যুর মধ্যবর্তী একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠেন। পাশাপাশি, তাঁদের পরিবারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়, যাঁরা অনিয়মিত ও কঠিন কর্মসূচির মাঝেও নীরবে পাশে থেকে এই মহান দায়িত্বকে সম্ভব করে তোলেন।

অনুষ্ঠানের সূচনা হয় উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আনুষ্ঠানিক পরিচয়ের মাধ্যমে। এরপর অ্যাম্বুল্যান্স চালক ও তাঁদের পরিবারের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত ওয়েলনেস প্ল্যান ও প্রিভিলেজ কার্ড-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে এক সম্মাননা অনুষ্ঠানে দায়িত্বনিষ্ঠা ও নিরলস পরিষেবার জন্য নির্বাচিত অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের সংবর্ধিত করা হয়। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মণিপাল হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরিচালনায় বেসিক লাইফ সাপোর্ট (BLS) প্রশিক্ষণ, যা চালকদের জরুরি অবস্থায় জীবনরক্ষাকারী দক্ষতায় আরও সক্ষম করে তোলে। পাশাপাশি, জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে মণিপাল হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে একটি তথ্যভিত্তিক সেশন আয়োজন করা হয়। এর পর একটি অ্যাম্বুল্যান্স র‍্যালির সূচনা করা হয়, যা দ্রুততা, প্রস্তুতি ও জীবনরক্ষার তাগিদকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে। দিনটির সমাপ্তি ঘটে পরিবারকেন্দ্রিক খেলাধুলা ও আনন্দঘন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে, যা পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে এবং এই নায়কদের পেছনের নীরব শক্তিকে সম্মান জানায়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. কিশেন গোয়েল বলেন, “জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুল্যান্স চালকরাই অনেক সময় রোগীর প্রথম চিকিৎসা সংস্পর্শ। তাঁদের শান্ত উপস্থিতি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রতিদিন অসংখ্য প্রাণ বাঁচায়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে চাই এবং স্বাস্থ্যপরিবেশে তাঁদের অপরিহার্য ভূমিকার কথা পুনরায় তুলে ধরতে চাই। ভারতে চিকিৎসা পেতে দেরি হওয়ার কারণে বহু ক্ষেত্রে ফলাফল গুরুতরভাবে প্রভাবিত হয়—বিশেষত কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশেরও বেশি রোগী দেরিতে হাসপাতালে পৌঁছান। দুর্ঘটনা বা হৃদ্‌রোগের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে সময়মতো হস্তক্ষেপ জীবনরক্ষাকারী হতে পারে। BLS প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা গড়ে তুলছি। জীবনসংকট মোকাবিলায় দক্ষ বাহিনী তৈরি করাই মণিপাল হাসপাতালের অঙ্গীকার।”

ডা. ইন্দ্রনীল দাস বলেন, “চিকিৎসা জরুরি অবস্থায় প্রশিক্ষিত একজন মানুষই জীবন ও মৃত্যুর ফারাক গড়ে দিতে পারেন। ‘Salute the Real Heroes’ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের প্রয়োজনীয় BLS প্রশিক্ষণ দিয়ে জরুরি সাড়াদান ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছি। একই সঙ্গে আমরা বুঝি, তাঁদের অবদান কেবল পেশাগত দায়িত্বেই সীমাবদ্ধ নয়। পরিবারকে সম্পৃক্ত করা ও হেলথ কার্ডের মাধ্যমে তাঁদের সামগ্রিক সুস্থতার দিকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। পেশাগত দক্ষতা ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রেখে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে তাঁদের ক্ষমতায়নই আমাদের লক্ষ্য।”

ডা. সুজয় দাস ঠাকুর বলেন, “হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা দুর্ঘটনার মতো সংকটময় পরিস্থিতিতে অ্যাম্বুল্যান্স চালকরাই প্রথম সাড়া দেন। গোল্ডেন আওয়ারে তাঁদের দ্রুত সিদ্ধান্ত রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মণিপাল হাসপাতাল একদিকে তাঁদের প্রয়োজনীয় দক্ষতায় সজ্জিত করছে, অন্যদিকে তাঁদের পরিবারকেও বাস্তব ও অর্থবহ সহায়তা দিচ্ছে। চালক ও তাঁদের প্রিয়জন—উভয়কে সম্মান জানিয়ে আমরা জরুরি চিকিৎসার পেছনের সেই অদৃশ্য শক্তিকে স্বীকৃতি দিচ্ছি, যা রোগী হাসপাতালে পৌঁছানোর অনেক আগেই জীবনরক্ষার সূচনা করে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত মার্স অ্যাম্বুল্যান্সের চালক ৩৪ বছর বয়সি সরজিৎ যাদব, যিনি গত আট বছর ধরে এই পেশায় যুক্ত, বলেন, “সবচেয়ে সংকটজনক মুহূর্তে রোগীকে সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের দায়িত্ব। এই উদ্যোগের জন্য এবং আমাদের ২৪ ঘণ্টা নিরলস পরিষেবাকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য আমরা মণিপাল হাসপাতালের কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এখানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমরা সত্যিই গর্বিত।”

 

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক অ্যাম্বুল্যান্স চালকের স্ত্রী সারিকা সাহা বলেন, “খুব অল্প বয়স থেকেই আমার স্বামী এই পেশার সঙ্গে যুক্ত। আমাদের ৮ ও ৫ বছরের দুই মেয়ে প্রায়ই বাবার সঙ্গে সময় কাটাতে পারে না তাঁর দায়িত্বের কারণে। আজ মণিপাল হাসপাতালের এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের সন্তানরা সত্যিই বুঝতে পেরেছে—মানুষের জীবন বাঁচাতে তাঁদের বাবার ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে থাকতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. আয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল সিওও, মণিপাল হাসপাতালস (ইস্ট), বলেন, “দুর্ঘটনা ও চিকিৎসা জরুরি পরিস্থিতি আমাদের নিত্যদিনের বাস্তবতা। এই সময়ে অ্যাম্বুল্যান্স চালকরাই রোগীর প্রথম চিকিৎসা সংযোগ। তাঁদের স্থিরতা ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রতিদিন অসংখ্য প্রাণ রক্ষা করে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং জানিয়ে দিচ্ছি যে তাঁরা আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য ও মূল্যবান অংশ। BLS প্রশিক্ষণ ও পারিবারিক সহায়তার মাধ্যমে এই নীরব নায়কদের আরও শক্তিশালী করে, একেবারে প্রথম সাড়া থেকেই জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাকে দৃঢ় করাই আমাদের লক্ষ্য।”

শরৎশশী’র ৪৩ বছরের যাত্রাপথে বিশেষ বর্ষ উদযাপন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিবপুরে

0

News Hungama:

কিশোরদের প্রিয় পত্রিকা ‘শরৎশশী’ এবার পা দিল ৪৩ বছরের যাত্রাপথে। ১৯৮৪ সালে পথচলা শুরু করে এবছর পত্রিকাটি উদযাপন করছে তাদের “বিশেষ বর্ষ”। এই উপলক্ষে রবিবার হাওড়ার শিবপুর পাবলিক লাইব্রেরিতে অনুষ্ঠিত হল এ উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণী এবং নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদার ‘গৌড়দর্পণ’ পত্রিকার সম্পাদক মহ. নাজির হোসেন। একই মঞ্চে ‘শরৎশশী’ পত্রিকার সম্পাদক অরূপ দাস নিজেই উদ্বোধনী সঙ্গীত পরুবেশন করেন। তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘ পথচলায় পাঠকদের ভালবাসা ও নবীন লেখকদের অংশগ্রহণই ‘শরৎশশী’-কে শক্ত ভিত্তি দিয়েছে। তাই এই বিশেষ বর্ষের অনুষ্ঠান শুধুমাত্র উদযাপন নয়, আগামী দিনের স্বপ্নকেও আরও দৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানে কিশোর ও তরুণ লেখক-শিল্পীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠান শেষে ম্যাজিসিয়ান বি কুমার ম্যাজিক প্রদর্শন করেন।

‘আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’ তারাপীঠে দুস্থদের পাশে –

0

News Hungama:

  বিগত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কাজ করে চলেছে আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট, যাদের মূলমন্ত্র ট্রাস্ট ফর পিউপিল ।

এই সংস্থার সেক্রেটারি শুভাশিস রায় জানান আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট মানুষের বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে তৈরি সম্পূর্ণ সমাজ সেবামূলক সংস্থা। গত ১৪ ই নভেম্বর শিশু দিবস উপলক্ষে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর ব্লকের লাঙ্গলবেড়িয়ায় শিশুদের হাতে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেয়া হয়। পরবর্তীতে প্রচন্ড শীতের হাত থেকে গরিব মানুষদের রক্ষা করতে তারাপীঠে সহশ্রাধিক কম্বল বিতরণ করা হয়। তিনি আরও বলেন আমরা ছোট ছোট্ট প্রোগ্রাম করে গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।

 

এছাড়াও প্রত্যেক শনিবার কিছু দুঃস্থ মানুষের খাওয়া দাওয়ার ব্যাবস্থা করি কলকাতার ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি এবং কলকাতার ফিরিঙ্গি কালীবাড়িতে।

 

আমাদের ট্রাস্টের তরফ থেকে আমরা কিছু সমাজ কল্যাণমূলক কাজ করবার চেষ্টা করছি। সামনে আমাদের আরো দু তিনটে প্রকল্প রয়েছে। ২০২৬ এর গঙ্গাসাগর মেলায় পুন্যার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করব। সোমবার তারাপীঠ এলাকার কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে ছিলেন তারাপীঠ এলাকার জনপ্রতিনিধি প্রধান শিউলি মন্ডল, এছাড়াও বিশিষ্ট সমাজসেবী কানু রায় (মেজদা ) ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট সুমিতা রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট সুচরিতা পাল, আর পি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এর ট্রেজারার সুজন পাল।

 

সুজন পাল জানান বিশিষ্ট সমাজসেবী সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় রায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আমরা তারাপীঠ এলাকায় এই ধরনের অনুষ্ঠান করতে পারলাম। তিনি আরো বলেন তারামায়ের আশীর্বাদ নিয়ে আমরা এগোচ্ছি এবং বছরের শেষটা ভালোই কাটল। আশা করি 2026 টাও আমাদের ক্ষেত্রে খুবই ভালো কাটবে।

আপনাদের উপস্থাপনায় আমার এগিয়ে চলেছি। বিশেষ করে আমি ধন্যবাদ দিতে চাই মৃত্যুঞ্জয়দাকে। যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নিয়ে গেলেন।

 

এলাকার এলাকার জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই এই অনুষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করার জন্য। সংবাদ মাধ্যমের বন্ধুদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন আর পি ওয়েলফেয়ারট্রাস্টের সেক্রেটারি শুভাশিস রায়।

বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (BNCCI) কর্তৃক ৩৭তম ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্ডিয়া ট্রেড ফেয়ার (IITF) উদ্বোধন অনুষ্ঠান

0

News Hungama:

কলকাতার বিখ্যাত বাগবাজার সার্বজনীন দুর্গাপূজা মাঠে বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (BNCCI) কর্তৃক ৩৭তম ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্ডিয়া ট্রেড ফেয়ার (IITF) সফলভাবে উদ্বোধন হয়ে গেলো।আদিবাসী ব্যবসার প্রতি সমর্থন, MSME-গুলিকে শক্তিশালীকরণ এবং ভারতের বাণিজ্য ও কারুশিল্পের সমৃদ্ধ ইতিহাসকে সম্মান জানানোর উপর জোর দিয়ে, এই অনুষ্ঠানটি ১ জানুয়ারী পর্যন্ত চলেবে।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং মহিলা ও শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ডঃ শশী পাঁজা; পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শ্যামল কুমার সেন;BNCCI চেয়ারম্যান ঋত্বিক দাস,ডঃ অ্যান্ড্রিও ফ্লেমিং ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার, ডঃ দেবাঞ্জন চক্রবর্তী ডিরেক্টর ব্রিটিশ কাউন্সিল, রেজিস্টার এন্ড ওএসডি ঝারগ্ৰাম ইউনিভার্সিটি,হরিহর মন্ডল WBCS Exe Spl Secy, Govt of West Bengal , এছাড়াও ওয়ার্ড কাউন্সিলর; এবং অন্যান্য সম্মানিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। ডঃ শশী পাঁজা বহিরাগত সংস্থার সহায়তা ছাড়াই স্বাধীনভাবে বাণিজ্য মেলা পরিকল্পনা করার BNCCI-এর ১৩৮ বছরের ঐতিহ্য এবং কৌশলের প্রশংসা করেন। তিনি MSME, কারিগর এবং স্থানীয় ব্যবসার জন্য বাজার অ্যাক্সেস, প্রশিক্ষণ এবং বৃদ্ধির সুযোগ প্রদানের উপর চেম্বারের মনোযোগের উপর জোর দেন, যা এর শক্তিশালী আদিবাসী সংস্কৃতি প্রদর্শন করে। এই মেলায় বিভিন্ন ধরণের অংশগ্রহণকারী অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্র্যান্ড এবং প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এই মেলা বাংলার শিল্প দক্ষতা তুলে ধরে, বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ জেলার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।

 

পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে জেলা-ভিত্তিক ব্যবসা এবং কারিগরদের সহায়তা করার জন্য BNCCI-এর প্রচেষ্টা স্পষ্ট ছিল, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প প্রবৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ক্ষমতায়নকে উৎসাহিত করেছিল।

DevNet Technologies-এর প্রযোজনায় উদীয়মান কণ্ঠশিল্পী রিশিমা সাহার দুটি নতুন বাংলা গানের প্রকাশ ঘোষণা

0

News Hungama:

 

কলকাতা, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫: DevNet Technologies আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছে যে, প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ কণ্ঠশিল্পী রিশিমা সাহা–র গাওয়া দুটি নতুন বাংলা গান শীঘ্রই প্রকাশিত হতে চলেছে। সমসাময়িক বাংলা সঙ্গীত জগতে ঋষিমা তাঁর কণ্ঠের গভীরতা, সংবেদনশীলতা ও শিল্পীসত্তার জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ পরিচিতি অর্জন করছে।

প্রথম গানের নাম “মিষ্টি সকাল জুড়ে”, যার অর্থ চারিদিকে ছড়িয়ে থাকা এক মধুর সকালের অনুভূতি। গানটির কথা লিখেছেন রূপকথা মৌমিতা, সুর করেছেন তপস দত্ত (মার্কো) এবং এই গানের পরামর্শদাতা হিসেবে যুক্ত ছিলেন মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায়।

দ্বিতীয় গানটির নাম “এ রাতের জোছনায়”, যার অর্থ রাতের চাঁদের আলোর আবেশে। এটি একটি মনোমুগ্ধকর আধা-শাস্ত্রীয় ধারার গান, সুর করেছেন তপস দত্ত (মার্কো) এবং গানটির কথা লিখেছেন প্রখ্যাত গীতিকার গৌতম সুসমিত।

এই দুটি গানের প্রকাশ শিল্পী এবং প্রযোজনা সংস্থা—উভয়ের কাছেই একটি গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল মাইলফলক। আধুনিক সংগীত বিন্যাসের সঙ্গে বাংলা গানের আবেগ ও সাংস্কৃতিক গভীরতার এক সুন্দর সমন্বয় এই গানগুলোকে প্রজন্ম ও ভৌগোলিক সীমা অতিক্রম করে শ্রোতাদের হৃদয়ে পৌঁছে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই প্রকল্প সম্পর্কে DevNet Technologies-এর এক মুখপাত্র বলেন,

“আমরা নতুন প্রতিভাকে তুলে ধরতে এবং মৌলিক সঙ্গীত প্রযোজনায় গর্ব অনুভব করি। ঋষিমা সাহার নিষ্ঠা ও সংগীতজ্ঞান তার বয়সের তুলনায় সত্যিই অসাধারণ। এই গানগুলো আমাদের অর্থবহ ও উচ্চমানের সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরির দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”

এই সহযোগিতা নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে রিশিমা সাহা বলেন,

“আমার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য এবং আমার সংগীতযাত্রায় পাশে থাকার জন্য DevNet Technologies-এর প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই গান দুটি আমার হৃদয়ের খুব কাছের, এবং শ্রোতারা যেন এর অনুভূতি ও গল্পের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারেন—এটাই আমার কামনা। গীতিকার শ্রীমতী রূপকথা মৌমিতা ও শ্রী গৌতম সুসমিত, সুরকার শ্রী তপস দত্ত (মার্কো) এবং আমার গাইড শ্রীমতী মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।”

এই দুটি বাংলা গান শীঘ্রই বিভিন্ন প্রধান ডিজিটাল মিউজিক প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হবে, যার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে শ্রোতারা গানগুলো উপভোগ করতে পারবেন। প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ ও প্রচারমূলক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য অচিরেই জানানো হবে।

DevNet Technologies সম্পর্কে

DevNet Technologies একটি আটলান্টা-ভিত্তিক সংস্থা, যা আটলান্টা মেট্রোপলিটন এলাকার ছোট ও মাঝারি ব্যবসার জন্য নেটওয়ার্ক ও সিস্টেম সাপোর্ট পরিষেবা প্রদান করে আসছে। নির্ভরযোগ্যতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও গ্রাহককেন্দ্রিক পরিষেবার জন্য সংস্থাটি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে একটি বিশ্বস্ত প্রযুক্তি সহযোগী হিসেবে সুপরিচিত।

চলতি বছর থেকে DevNet Technologies অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রোডাকশন ও সার্ভিসেস ক্ষেত্রে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করেছে। এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে সংগীত প্রযোজনা, ডিজিটাল মিডিয়া ও সৃজনশীল পরিষেবার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য উদীয়মান শিল্পীদের সহায়তা করা এবং উচ্চমানের অডিও-ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট তৈরি করা।

রিশিমা সাহা সম্পর্কে

ঋষিমা সাহা একজন ১৪ বছর বয়সী উদীয়মান বাংলা কণ্ঠশিল্পী, যিনি তাঁর মধুর কণ্ঠ ও আবেগপূর্ণ পরিবেশনার জন্য পরিচিত। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। অল্প বয়সেই সংগীতের প্রতি গভীর নিষ্ঠা ও প্রতিভার মাধ্যমে তিনি ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সেতুবন্ধন ঘটানো এক নতুন প্রজন্মের শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন।

 

১৩৪ জন আকাশ-এর শিক্ষার্থী আইএনএমও-এর জন্য সফলভাবে যোগ্যতা অর্জন করে জাতীয় স্তরে প্রতিষ্ঠানের সুনাম আরও বৃদ্ধি করেছে

0

News Hungama:

কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫: মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কোচিং প্রতিষ্ঠান আকাশ ইনস্টিটিউট আবারও তার শিক্ষাগত শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছে। দেশজুড়ে আকাশের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে মোট ১৩৪ জন শিক্ষার্থী ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড (আইএনএমও) ২০২৬-এর জন্য সফলভাবে যোগ্যতা অর্জন করেছে, যা জাতীয় স্তরে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম আরও বৃদ্ধি করেছে।

 

এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের অংশ হিসেবে আকাশ পশ্চিমবঙ্গ-এর তিনজন ক্লাস রুম শিক্ষার্থী—করণ শৌর্য বরণওয়াল, সোহম ঘোষ এবং শ্রমণা বাগ—দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ গণিত প্রতিযোগিতা আইএনএমও ২০২৬ -এর জন্য সফলভাবে যোগ্যতা অর্জন করেছে।

 

ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড (আইএনএমও) পরিচালনা করে হোমি ভাবা সেন্টার ফর সায়েন্স এডুকেশন (এইচবিসিএসই), টিআইএফআর। এটি আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে (আইএমও) ভারতের প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আইএনএমও-তে যোগ্যতা অর্জন শিক্ষার্থীদের অসাধারণ বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা, গভীর ধারণাগত স্পষ্টতা এবং উন্নত সমস্যা সমাধানের দক্ষতা কে প্রতিফলিত করে।

 

এই শিক্ষার্থীদের সাফল্য আকাশ ইনস্টিটিউটের শক্তিশালী শিক্ষাগত পরিকাঠামো, অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দের দিক নির্দেশনা এবং সুসংগঠিত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার প্রমাণ দেয়, যা প্রাথমিক পর্যায় থেকেই মেধাবী শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে সহায়তা করে। সুপরিকল্পিত পাঠ্যক্রম, নিয়মিত মূল্যায়ন এবং ব্যক্তিগত মেন্টরিং-এর মাধ্যমে আকাশ শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

 

এই সাফল্য সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আকাশ ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর মিঃ তিলক রাজ খেমকা বলেন, “আইএনএমও-তে যোগ্যতা অর্জনের জন্য গভীর গাণিতিক বোধ, ধারাবাহিক অনুশীলন ও শৃঙ্খলা অপরিহার্য। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের এই উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং তাদের নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের ভূয়সী

প্রশংসা করি। পাশাপাশি, এই সাফল্যের পেছনে আমাদের অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ এবং সহায়ক শিক্ষার পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও আমরা স্বীকার করি।”

 

আকাশ ইনস্টিটিউটের দেশজুড়ে অলিম্পিয়াড, জেইই, নিট এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শীর্ষস্থানীয় শিক্ষার্থী তৈরির একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় ঐতিহ্য রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে তাদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা অর্জনে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে নিরন্তর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সুন্দরবনের উৎপাদিত দ্রব্য বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিতে উদ্যোগ ন্যাশানাল স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের

0

News Hungama:

 

সুন্দরবন অঞ্চলের গ্রামীণ মানুষের উৎপাদিত দ্রব্যকে ডিজিটাল মাধ্যমে বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীন ওপেন নেটওয়ার্ক ফর ডিজিটাল কমার্স (ওএনডিসি)। ডিপার্টমেন্ট ফর প্রোমোশন অফ ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টারনাল ট্রেড (ডিপিআইআইটি)-এর এই উদ্যোগ দেশের ই-কমার্স পরিকাঠামোয় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকার মানুষদের ই-কমার্সের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে কুলতলির মিলনতীর্থ সোসাইটিতে অনুষ্ঠিত হল ওএনডিসি সংক্রান্ত এক সচেতনতা কর্মশালা।

দ্য স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন লিমিটেড (এনএসআইসি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় কুলতলি, নারায়নতলা ও বাসন্তি এলাকার শতাধিক উদ্যোগী মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীভাবে গ্রামের উৎপাদিত দ্রব্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরে দেশ-বিদেশের বাজারে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এনএসআইসি-র জোনাল জেনারেল ম্যানেজার ড. অনুপম গায়েন। তিনি বলেন, সুন্দরবন অঞ্চলে নানা প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা থাকলেও তা অতিক্রম করেই এগিয়ে যেতে হবে। এই পথে উদ্যোগীদের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এনএসআইসি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিলনতীর্থ সোসাইটির কর্ণধার লোকমান মোল্লা। তিনি বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় কিছু ত্রুটি থাকার কারণে সুন্দরবনের প্রকৃত উদ্যোগীরা অনেক ক্ষেত্রেই ঋণ পাচ্ছেন না। সরকার ও ব্যাঙ্কগুলিকে এই বিষয়ে আরও সংবেদনশীল হতে হবে এবং প্রকৃত উদ্যোগীদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

এনএসআইসি-র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার অরুণাভ দাস জানান, এই ধরনের কর্মশালার মাধ্যমে সুন্দরবনের ঐতিহ্যবাহী কুটির ও কারুশিল্পকে অনলাইন বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত করে স্থানীয় বাজারের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

The White Horse Entertainment’ এর চতুর্থ ফিচার ফিল্ম “রহস্যময় গাড়ি”

0

News Hungama:

 

বাংলা চলচ্চিত্রের পরিসরে রহস্যধর্মী গল্পের ধারাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে The White Horse Entertainment আয়োজিত হলো এক বিশেষ প্রেস কনফারেন্স।

এই অনুষ্ঠানে প্রযোজনা সংস্থার চতুর্থ ফিচার ফিল্ম “রহস্যময় গাড়ি”-র পোস্টার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে সংস্থার আগামী নতুন ছবির ঘোষণাও করা হয়। জানুয়ারি থেকে শুটিং শুরু হচ্ছে পঞ্চম ছবি “কুহকের জাল”!

 

এর আগে The White Horse Entertainment-এর প্রযোজনায় মুক্তিপ্রাপ্ত “রহস্যদীপ”, “অরক্ষণীয়া” ও “হাত-ছানি” দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছিল। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার আরও এক রহস্যঘেরা গল্প নিয়ে আসার কথা জানালেন নির্মাতারা।

 

ছবিটির পরিচালনায় রয়েছেন ইয়াসমিন ইব্রাহিম ও সর্বজিৎ মন্ডল এবং প্রযোজক হিসেবে দায়িত্বে আছেন ইয়াসমিন ইব্রাহিম। নির্বাহী প্রযোজক অভ্রয় রে।

প্রেস কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী ও Miss India Earth 2002 খেতাবপ্রাপ্ত রেশমি ঘোষ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোমা বন্দ্যোপাধ্যায়, সোমা চক্রবর্তী, দেবাশিস গাঙ্গুলি ও ক্যান্ডি দাস।

 

পোস্টার লঞ্চ অনুষ্ঠান ঘিরে উপস্থিত অতিথি ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছবিটি নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। নির্মাতাদের মতে, “রহস্যময় গাড়ি” বাংলা সিনেমায় রহস্য ও কাহিনির এক নতুন অভিজ্ঞতা উপহার দিতে চলেছে।

কান্ট্রি ক্লাব কৌশলগত জোট, আগ্রাসী সম্প্রসারণ ও ডিজিটাল বিপ্লবের ঘোষণা দিল

0

News Hungama:

 

কলকাতা, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫: কান্ট্রি ক্লাব হসপিটালিটি অ্যান্ড হলিডেজ লিমিটেড, ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় লাইফস্টাইল ও অবসর বিনোদন ক্লাব ব্র্যান্ড, আজ একাধিক কৌশলগত উদ্যোগের ঘোষণা করেছে যা ক্লাবটিকে প্রবৃদ্ধির নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে।

প্রবৃদ্ধি কৌশলের অংশ হিসেবে, কান্ট্রি ক্লাব তার বাজার উপস্থিতি আরও জোরদার করতে এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলের মাধ্যমে দেশজুড়ে নিজেদের পরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একাধিক কৌশলগত জোট গঠন করছে।

 

কান্ট্রি ক্লাব হসপিটালিটি অ্যান্ড হলিডেজ ৩১শে ডিসেম্বর তাদের উচ্চ-শক্তির নববর্ষ উদযাপন ‘ওয়ার অফ ডিজে-স’ এর মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি ভারতের বিভিন্ন প্রধান শহরে অবস্থিত কান্ট্রি ক্লাবের একাধিক ক্লাবে একসঙ্গে আয়োজিত হবে। এই উদযাপনে শীর্ষস্থানীয় ডিজেদের পরিবেশনায় সঙ্গীত যুদ্ধ, প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ, এবং সুস্বাদু খাবার ও পানীয়ের বিশেষ আয়োজন থাকছে, যা সদস্য ও অতিথিদের জন্য একটি স্মরণীয় নববর্ষের সন্ধ্যা উপহার দেবে। এই বৃহৎ আয়োজন কান্ট্রি ক্লাব হসপিটালিটি অ্যান্ড হলিডেজের প্রিমিয়াম লাইফ স্টাইল ও বিনোদন অভিজ্ঞতা প্রদানের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করে, যা তাদের বিস্তৃত ক্লাব নেটওয়ার্ক জুড়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

 

ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে, কান্ট্রি ক্লাবের নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন “কান্ট্রি ক্লাব ওয়ার্ল্ড,” ইতিমধ্যেই প্লে স্টোরে উপলব্ধ। ১ লক্ষেরও বেশি ডাউনলোড সহ এই অ্যাপটি সদস্যদের জন্য একটি নির্বিঘ্ন ও ব্যবহারকারী-বান্ধব অভিজ্ঞতা প্রদান করছে। অ্যাপের মাধ্যমে সদস্যরা সহজেই তাদের ছুটি বুক করতে পারছেন, যা অবসর পরিকল্পনাকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করে তুলছে।

 

সদস্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও সংস্থাটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বর্তমানে ৪.৫ লক্ষ সদস্য নিয়ে, আগামী পাঁচ বছরে সদস্য সংখ্যা ১০ লক্ষে উন্নীত করার লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে “মিশন ওয়ান মিলিয়ন”।

 

সদস্যদের বিনোদন অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করতে, কান্ট্রি ক্লাব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা খেলা পিকেলবল–কে একটি নতুন সুবিধা হিসেবে তাদের ক্লাব নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত করছে।

এই আগ্রাসী সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, কান্ট্রি ক্লাব হসপিটালিটি অ্যান্ড হলিডেজ লিমিটেড ট্যামি গ্রুপের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কান্ট্রি ক্লাব কসবা, কলকাতার প্রোটোটাইপ উন্মোচন করতে চলেছে। এই যুগান্তকারী সহযোগিতায় কান্ট্রি ক্লাবের লাইফস্টাইল ও অবসর বিনোদনে প্রমাণিত দক্ষতার সঙ্গে ট্যামি গ্রুপের শক্তিশালী আঞ্চলিক উপস্থিতি একত্রিত হয়েছে, যা পূর্ব ভারতে প্রিমিয়াম ক্লাব অভিজ্ঞতার একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে। কসবার এই প্রোটোটাইপ ক্লাবটি ব্র্যান্ডের পরবর্তী প্রজন্মের ডিজাইন, আধুনিক ডিজিটাল ইন্টিগ্রেশন এবং সদস্য-কেন্দ্রিক সুযোগ-সুবিধার প্রতিফলন ঘটাবে। পাশাপাশি, এটি ভবিষ্যতে অন্যান্য প্রধান বাজারে ক্লাব চালুর জন্য একটি পরিমাপযোগ্য মডেল হিসেবে কাজ করবে।

 

এ বিষয়ে কান্ট্রি ক্লাব হসপিটালিটি অ্যান্ড হলিডেজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিঃ ওয়াই. রাজীব রেড্ডি বলেন, “আমরা এই নতুন উদ্যোগগুলো নিয়ে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত এবং আত্মবিশ্বাসী যে এগুলো কান্ট্রি ক্লাব কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আমাদের কৌশলগত জোট ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনা আমাদের আরও বৃহত্তর শ্রোতাদের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি, আমাদের ডিজিটাল উপস্থিতি সদস্যদের জন্য আরও ব্যক্তিগতকৃত অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। আমরা আমাদের ‘মিশন ওয়ান মিলিয়ন’ অর্জন করতে এবং পিকেলবল মতো নতুন সুবিধা আমাদের সদস্যদের জন্য চালু করতে আগ্রহী।”